শিরোনাম

সাংবাদিকতার পরিচয়ে চৌরাস্তায় একটি চক্র নানা অপরাধে সক্রিয় : নেতৃত্বে শামীম ও হালিম ক্লিনিকের গেইটে তালা লাগিয়ে পালিয়েছে কর্তৃপক্ষ টঙ্গী পাইলট স্কুল এন্ড গার্লস কলেজ বৃক্ষরোপন, নামাজের ঘর ও কমনরুম উদ্বোধন গাজীপুরে একজনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড উন্মোচিত হয়নি কালীগঞ্জে সাবেক এমপি পুত্র হত্যা রহস্য গাজীপুরে পুত্র হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা তাজউদ্দীন পুত্র সোহেল তাজের মনের শক্তি অনেক

শেষ ধাপে ভোট নেওয়া চলছে

ষষ্ঠ ও শেষ ধাপে আজ শনিবার সকাল আটটা থেকে ৬৯৮টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) ভোট নেওয়া চলছে । গতকাল শুক্রবার চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নির্বাচনী সহিংসতায় একজন নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে নির্বাচনে এ পর্যন্ত নিহত ব্যক্তির সংখ্যা ১০৩–এ পৌঁছাল।

৬৯৮টি ইউপির মধ্যে ২৪টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়ার পথে। চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের করেরহাট ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ও সদস্য পদের সব কয়টিতে মাত্র একজন করে প্রার্থী আছেন।

গত ২২ মার্চ থেকে ইউপি নির্বাচন শুরু হয়। এখন পর্যন্ত পাঁচ ধাপে ৩ হাজার ৩৮৬টি ইউপিতে ভোট নেওয়া হয়েছে। পাঁচ ধাপেই বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্র দখল করে প্রকাশ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে ব্যালট পেপারে সিল মারা, ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ গত ২৮ মে পঞ্চম ধাপের নির্বাচনের দিন ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছিল। গতকাল পর্যন্ত সহিংসতায় ১০৩ জন নিহত হন। আহত কয়েক হাজার।



এর আগে কোনো স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এত প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলছে, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরির অনুরোধ জানিয়ে দফায় দফায় চিঠি দেওয়া হলেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গা করছে না। সর্বশেষ গতকালও সহিংসতা ও প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে কমিশন।

সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম অক্ষুন্ন রাখতে হবে

স্টাফ রিপোর্টার : সংবিধান সমুন্নত সংগ্রামী আইনজীবি পরিষদের উদ্যোগে আজ বিকাল ৩ ঘটিকায় ঢাকা আইনজীবি সমিতি ভবন মিলনায়তনে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম অপরিবর্তীত রাখার অপরিহার্য্যতা শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় সভায় বক্তারা ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এদেশে দ্বীন ইসলামকে দেশের রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে বহাল রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, এদেশ বিশ্বের ২য় বৃহত্তম মুসলিম দেশ। এদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠি মুসলমান। এদেশের মুসলমানরা স্বভাবগতভাবেই ধর্মপ্রাণ ও ধর্মভীরু। যে দেশে ১০লাখ মসজিদ রয়েছে। যেদেশে প্রতি জুমুয়ার জামাতে কোটি কোটি লোকের সমাগম হয়। সেদেশে সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমানদের ধর্ম হিসেবে রাষ্ট্রধর্ম হবে ‘ইসলাম’ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ বর্তমানে বিশ্বের ৫৮টিরও অধিক দেশে সংখাগরিষ্টদের ধর্মকে রাষ্ট্রধর্ম করা হয়েছে। যেমন, খ্রিষ্টান অধ্যুষিত দেশগুলোর মধ্যে আর্জেন্টিনা, স্পেন, পর্তুগাল, ডেনমার্ক, নরওয়ে, ব্রিটেনসহ ২৬টি দেশে ক্যাথলিক ও প্রোটেষ্ট্যান্ট মতবাদ তাদের রাষ্ট্রধর্ম। একমাত্র গ্রীসে অর্থডক্স মতবাদ তাদের রাষ্ট্রধর্ম। আবার ভুটান, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কাসহ ৫টি দেশের রাষ্ট্রধর্ম বৌদ্ধ। কিছুদিন পূর্বেও নেপালের রাষ্ট্রধর্ম ছিল সনাতন বা হিন্দু। অন্যদিকে মুসলিম বিশ্বে ২৭টি দেশের রাষ্ট্রধর্ম হলো ইসলাম। তাই বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ‘ইসলাম’ হওয়াও স্বাভাবিক এবং রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ‘ইসলাম’ বহাল থাকাও স্বাভাবিক।
বক্তারা বলেন, যারা বলে, রাষ্ট্রের কোন ধর্ম নেই, ধর্ম হলো ব্যক্তির, এছাড়া রাষ্ট্রে একাধিক ধর্মাবলম্বিরা রয়েছে ফলে কোন নির্দিষ্ট ধর্মকে প্রাধান্য দেয়া যাবে না। যদি তাই হয়, তাহলে একইভাবে রাষ্ট্রেরও কোন ভাষা থাকতে পারে না। কারন রাষ্ট্র কখনো কথা বলে না। কথা বলে ব্যক্তি। অথচ এদেশে চাকমা-মারমা-সাওতাল- বিহারীসহ বহু ভাষী লোক রয়েছে। তাই রাষ্ট্র ভাষা বাংলা কি বাদ দেয়া হবে? যদি না দেয়া হয় তাহলে রাস্ট্রধর্ম হিসেবেও ‘ইসলাম’ বাদ দেয়া যেতে পারে না।
বক্তারা বলেন, পঞ্চদশ সংবিধান সংশোধনী কমিটির কো-চেয়ারম্যান ছিল সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত। যে সংখ্যালঘুদের নেতা ও প্রতিনিধি। তার নেতৃত্বেই সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী হয়েছে এবং পাশ হয়েছে। সেই পঞ্চদশ সংশোধনীতেও রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রয়েছে। সংখ্যালঘুদের নেতা ও প্রতিনিধি হিসেবে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ‘ইসলাম’ স্বীকার করে নেয়ার পর এটা নিয়ে সংখ্যালঘুদের আর বিতর্কের কোন অবকাশ নেই।

বক্তারা বলেন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে শুধু ইসলামকেই রাষ্ট্রধর্ম করা হয়নি বরং হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ধর্মকেও ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। তাহলে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে শুধু ইসলাম ধর্ম বাদ দেয়ার জন্য মামলা করা আবার অন্যান্য ধর্ম নিয়ে চুপ থাকার রহস্য কি?
বক্তারা বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনী পাশের সময় মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেখানে দুইজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর রাষ্ট্রধর্মের বিরোধীতাও মেনে নেননি (যারা রাষ্ট্রধর্ম প্রবর্তনের সময় তৎকালীন সরকারের মন্ত্রী ছিলেন)  এবং যেটা পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে একটি মীমাংসিত বিষয় সেখানে নতুন করে রাষ্ট্রধর্ম ইস্যু তোলা কি করে গ্রহণযোগ্য হতে পারে?
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় ৮টি দলিলের একটি দলিলেও সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদকে বাংলাদেশের মৌলিক রাষ্ট্রীয় কাঠামো হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি। যেমন, ১৯৫২ সালে ঢাকার আরমানিটোলা ময়দানে অনুষ্ঠিত গণতান্ত্রিক মহাসম্মেলনে গৃহীত খসড়া সাংবিধানিক প্রস্তাবসমূহে, ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে ঘোষিত ২১ দফা কর্মসূচীতে, ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ৬ দফা কর্মসূচীতে, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের ১১ দফা কর্মসূচীতে, ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী মেনিফেস্টোতে, ১৯৭১ সালের ২৩ জানুয়ারি সাবেক রেসকোর্স ময়দানে অনুষ্ঠিত লাখ লাখ লোকের জনসভায় সেই সময়কার জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত সদস্যগণকে পাঠ করানো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের শপথবাক্যে, মুজিব ইয়াহিয়া ও ভুট্টোর মধ্যে ১৯৭১ সালে ১৪ মার্চ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বৈঠকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কর্তৃক পেশকৃত পাকিস্তানের খসড়া সংবিধানে এবং ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে অর্থাৎ বাংলাদেশের জাতীয় ৮টি দলিলের একটি দলিলেও সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদকে বাংলাদেশের মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি। তারপরও বাহাত্তরের সংবিধানে সেগুলো ঢুকানোর কারণে যদি পঞ্চদশ সংশোধনীতেও সেগুলো বহাল রাখা যায় তাহলে ৮ম সংশোধনীতে রাষ্ট্রধর্ম ‘ইসলাম’ ঢুকানোর কারণে সেটাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা কেন? ৮ম সংশোধনীতে রাষ্ট্রধর্ম ‘ইসলাম’ বহাল থাকা যদি অবৈধ হয় তাহলে ৭২’এর সংবিধান এবং পঞ্চদশ সংশোধনীতে সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ বহাল রাখা কি হবে?
পূরণ করেছে। একইভাবে ‘কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন পাশ হবে না” এটাও সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল। কিন্তু এটা এখনো আইনে পরিণত হয়নি এবং জনগণের সেই প্রত্যাশাও এখনো পূরণ হয়নি। যা দুঃখজনক।
বক্তারা আরো বলেন, দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমান সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাকের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রেখেই পাঁচ ওয়াক্ত নামায় পড়ে, রোগ-শোক বা বিপদে আপতিত হলে মহান আল্লাহ পাককে ডাকে, স্বতঃস্ফূর্তভাবে দু’ঈদ পালন করে। এসবের পাশাপাশি সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস-এর অভিব্যক্তি স্বরূপই দেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান প্রতিটি কাজ শুরুর আগে বিসমিল্লাহ বলে। কাজেই বিসমিল্লাহ বলার অর্থই হলো সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস সেটা ব্যক্ত করা। তাছাড়া মুসলমান যদি তার কথা বলার শুরুতে বিসমিল্লাহ বলে তাহলে শেষ কী দিয়ে করে? শেষ করে ইনশাআল্লাহ বলে। যার অর্থ হলো সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস। বঙ্গবন্ধুর ‘এদেশের মানুষকে স্বাধীন করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ’- এ বক্তব্য দেয়ার কারণেই এদেশ স্বাধীন হয়েছে।
বক্তারা আরো বলেন, সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম অন্তর্ভুক্ত করার অর্থ হল- রাষ্ট্রযন্ত্রে ইসলামের প্রাধান্য প্রতিফলিত করা। যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে কী করে সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের মালিক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস উঠানো যেতে পারে! আর উঠালে পঞ্চদশ সংশোধনী কী করে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম হয়েছে বলা যেতে পারে?
বক্তারা আরো বলেন, অর্পিত সম্পত্তি মূলতঃ ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের সময়ের শত্রু সম্পত্তি আইন থেকে এসেছে। পাক-ভারত যুদ্ধের সময় যারা দেশ ত্যাগ ভারতের পক্ষাবলম্বন করেছিল তাদের সম্পত্তিকে ‘শত্রু সম্পত্তি’ গন্য করা হয়। এ যুদ্ধের সময় ভারত কর্তৃক ‘শত্রু সম্পত্তি’ হিসেবে ঘোষিত মুসলমানদের সম্পত্তি এখনো ভারতীয় মুসলমানদের ফেরত দেয়া হয়নি। বর্তমানে শুধু মুম্বাইতে ১৬০০০ শত্রু সম্পত্তি হিসেবে গণ্য মুসলমানদের সম্পত্তি রয়েছে। যা ফেরত পেতে ৫৫০টি মামলা হলেও মুসলমানদেরকে তাদের ভূমি ফেরত দেয়া হয়নি। তাহলে পাক-ভারত যুদ্ধের সময় পাকিস্তান কর্তৃক ‘শত্রু সম্পত্তি’ হিসেবে ঘোষিত সম্পত্তি ‘অর্পিত সম্পত্তি’র মোড়কে বাংলাদেশের হিন্দুরা কিভাবে পেতে পারে? তাছাড়া যুদ্ধকালীন সময়ে দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া বা দেশ ছেড়ে যাওয়া নাগরিকরা সম্পত্তির দাবিদার হতে পারেনা। যারা দেশপ্রেম বাদ দিয়ে শত্রু দেশে আশ্রয় নেয় এবং স্বদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় তারা কিভাবে ভুমি ফেরত পেতে পারে? তাই ‘শত্রু সম্পত্তি’ হিসেবে গণ্য সম্পত্তিকে ‘অর্পিত সম্পত্তি’ হিসেবে গণ্য করা ঠিক হবেনা । এটা এখন সরকারী সম্পত্তি। সরকারকে তা রক্ষা করতে হবে।
বক্তারা বলেন, আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল, মিশরের সিনাই উপত্যকা, সিরিয়ার গোলান উপত্যকা, জর্দান নদীর পশ্চিম তীর ও গাজা, ও কানিত্রা শহরটি দখল অনেক জায়গা দখল করলেও যুদ্ধ শেষে ইসরাইল কোন জায়গা ফেরত দেয়নি। বরং তা ‘শত্রু সম্পত্তি’ হিসেবে গন্য করে। ২য় বিশ্বযুদ্ধে বিবাদমান পক্ষদ্বয়ও এক পক্ষ অন্য পক্ষের ফেলে যাওয়া বা দখল করা সম্পত্তিকে ‘শত্রু সম্পত্তি’ হিসেবে গন্য করে। অনুরুপ পাক-ভারত যুদ্ধের সময় যারা পূর্ব পাকিস্থান থেকে এসব সম্পত্তি ফেলে গিয়েছিল তাদের সম্পত্তিও ‘শত্রু সম্পত্তি’ হিসেবে এটা সরকারী সম্পদ। যা তারা দাবি করতে পারেনা। তাই অর্পিত সম্পত্তি আইন বাতিল করে শত্রু সম্পত্তি আইন পুণর্বহাল করে দেশের লাখ লাখ একর রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা জরুরী। অনুরুপ দেবোত্তর সম্পত্তির নামে মুসলমানদের সম্পত্তি হিন্দুদের হাতে তুলে দিলে তা মুসলমানদের প্রতি বৈষম্য বলে গণ্য হবে। এ বিষয়টিও বিবেচনায় আনতে হবে।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য পেশ করেন, সাবেক বিচারপতি জনাব মোহাম্মদ আব্দুস সালাম (সভাপতি-সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন), প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন, আল্লামা মুহম্মদ মাহবুব আলম, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সম্পাদক- মাসিক আল বাইয়্যিনাত ও দৈনিক আল ইহসান এবং সভাপতি, আর্ন্তজাতিক সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উদযাপন কমিটি ও প্রধান উপদেষ্টা-বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামালীগ, বিশেষ অথিতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, এ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম এমপি, প্রফেসর ডক্টর আলহাজ্ব এম, এম, আনোয়ার হোসেন বিশিষ্ট আইনজীবী-বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, প্রিন্সিপাল-বঙ্গবন্ধু ল কলেজ, ফার্মাসিস্ট আবুল বাশার মুহম্মদ রুহুল হাসান, স্পেশালিস্ট- ব্যুরো ভ্যারিটাস (বাংলাদেশ), বাংলাদেশ প্রতিনিধি- ইসলামিক ক্রিসেন্ট অবজারভেশন প্রজেক্ট (ওঈঙচ), মুনসাইটিং কমিটি ওয়ার্ল্ডওয়াইড প্রমুখ।
সভায় আরো আলোচনা করেন, আহবায়ক এডভোকেট হাসান শহীদ কামরুজ্জামান দুর্বার, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, ডক্টর মুহম্মদ ইউনুছ আলী আকন্দ, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট,  সদস্য সচিব এডভোকেট এস. এম শফিকুল ইসলাম কাজল- বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, মুফতি মাসুম বিল্লাহ, সভাপতি-বঙ্গবন্ধু ওলামা ফাউন্ডেশন, হাফিয মাওলানা আবদুস সাত্তার, সহ-সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামালীগ, এডভোকেট মেসবাহ উদ্দিন সুমন, সাংবাদিক মুহম্মদ আরিফুর রহমান প্রমুখ।

কাপাসিয়ায় প্রবীনদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরামর্শ সভা

শাকিল হাসান : গাজীপুরের কাপাসিয়ায়  ক্রিয়েটিভ মিডিয়া সেন্টারের সহযোগিতায় স¦াস্থ্য অধিদপ্তরের উপজেলা স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর আয়োজনে ২২ মার্চ সকালে কাপাসিয়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে প্রবীনদের স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন শীর্ষক সচেতনতামুলক প্রচারনা বিষয়ক পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দৈনিক সমকালের কাপাসিয়া প্রতিনিধি সঞ্জীব কুমার দাসের সভাপতিত্বে এবং দৈনিক আমাদের অর্থনীতির কাপাসিয়া প্রতিনিধি বেলায়েত হোসেন শামীমের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা: মাসুদ রেজা কবির, মেডিকেল অফিসার ডা: মো: সামসুল হুদা। উপস্থিত ছিলেন দৈনিক যায়যায়দিনের উপজেলা সংবাদদাতা শাকিল হাসান, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের নিজস্ব প্রতিনিধি শেখ শফিউদ্দিন জিন্নাহ, দৈনিক আমাদের সময়য়ের জাকির হোসেন কামাল, দৈনিক সংবাদের সমির বনিক, দৈনিক আজকের জনতার হাজী সাইফুল ইসলাম, দৈনিক সকালের খবরের তপন বিশ্বাস, দৈনিক মানব কন্ঠের মঞ্জুরুল হক, গাজীপুর দর্পনের স্টাফ রিপোর্টার আবদুল কাইয়ুম, বিজ্ঞাপন চ্যানেল সম্পাদক মো: সাইফুল ইসলাম মোল্লা প্রমুখ।

পূবাইল আদর্শ কলেজে যুব সমাবেশ

স্টাফ রিপোর্টার : মঙ্গলবার বাঁচতে শেখার আয়োজনে এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় পুবাইল আদর্শ কলেজ গাজীপুর এ মর্যাদায় গড়ি সমতা প্রচারাভিযান বিষয়ক যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বাঁচতে শেখার  প্রজেক্ট অফিসার মৌলুদা পারভীন এর সভাপতিত্বে উক্ত যুব সমাবেশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পুবাইল আদর্শ কলেজ গাজীপুর এর সম্মানিত অধ্যক্ষ জনাব মো: কইয়ুম খান এছাড়া বিশেষ অতিথি  হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মো: আবুল হাসনাত, উপধ্যক্ষ, সাবিনা হক, বিভাগীয় প্রধান ইসলামের ইতিহাস। পুবাইল আদর্শ কলেজ গাজীপুর। এছাড়া বাঁচতে শেখার ফাইজুল ইসলাম, সহকারী হিসাব রক্ষক ডলি বাড়ৈ, মো: নজরুল ইসলাম প্রজেক্ট ফেসিলিটেটর উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যুবকদের নিজ পরিবার থেকে শুরু করে সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক অংঙ্গনে তাদের ভূমিকা কি এসকল কাজে তারা কিভাবে অবদান রাখতে পারে সেই সকল বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের সচেতন করা হয়। এবং এই বিষয়ে বক্তারা বলেন মাঠ পর্যায়ের সকল শ্রেনীর নারী পুরুষের অধিকার রক্ষায় বিশেষ করে নারীর মানবাধিকার সুরক্ষায় মর্যাদায় গড়ি সমতা বিষয়ক জেন্ডার ভিত্তিক  বিষয় গুলো সর্ব সাধারনের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য জোর দাবী জানান।

কালিয়াকৈরে এক পরিবারকে উচ্ছেদ ও নির্যাতনের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার : গত মঙ্গলবার গাজীপুর রাজবাড়ী সড়কে গাজীপুর জেলাধীন কালিয়াকৈর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের বিশ্বনাথ শীল ও তার স্ত্রী চম্পা রাণী শীলকে বসতভিটা হতে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে শারীরিক নির্যাতন করায় এলাকাবাসীর উদ্যোগে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি সুশীল কোচ এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন গাজীপুর জেলা জজ কোর্ট এর আইনজীবী অ্যাড. আসাদুল্লাহ বাদল, গাজীপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান, বাংলাদেশ আদিবাসী জোট কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী রুবেল মন্ডল, আদিবাসী জোট নেতা রূপচান বর্মন, ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামলী লীগ সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম (আজিজ), যুবলীগ সভাপতি মো: ইব্রাহিম সিকদার প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন গাজীপুর জেলা আদিবাসী জোট নেতা পাভেল সরকার। বক্তারা অনতিবিলম্বে বিশ্বনাথ শীলের দায়েরকৃত এজাহারটি নথিভূক্ত এবং আসামীদের গ্রেফতার পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবি জানান। পরে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, গাজীপুর জেলা শাখার সভাপতি অ্যাড. নির্মল মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক ঠাকুর দাস মন্ডল ও আদিবাসী নেতা দীনেশ কিশোর বর্মন এর নেতৃত্বে গাজীপুর জেলা প্রশাসক মহোদয়ের অনুউপস্থিতিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মহোদয়ের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। 
উক্ত মানববন্ধনে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক এবং স্থানীয় এলাকার প্রায় দুইশতাধিক নেতৃবৃন্দ ও জনসাধারণ অংশগ্রহণ করেন।

গাজীপুরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের র‌্যালী ও আলোচনা

স্টাফ রিপোর্টার :  ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৪১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুরে বর্ণাঢ্য র‌্যালী , পুরষ্কার বিতরন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে গাজীপুর ইসলামিক ফাউন্ডেশনে র‌্যালীত্তোর আলোচনা সভায় প্রধান মেহমান হিসাবে গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: মাহমুদ হাসান উপস্থিত ছিলেন।
গাজীপুর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আলোচক ছিলেন সাংবাদিক মুহা: বেলাল হোসেন, গাজীপুর আনছার ভি.ডি.পি‘র সাবেক উপ-পরিচালক মো: দেলোয়ার হোসেন, এস.ডি.পি’র নির্বাহীর পরিচালক আফসানা ইয়াসমিন, স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা প্রমূখ।
সভায় বক্তাগণ শিশুদের ধর্ম নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৪১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে নেয়া সকল কর্মসূচি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আলোচনা শেষে ২০১৫ শিক্ষাবর্ষে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের মাঝে পবিত্র কোরআন শরিফ পুরষ্কার প্রদান করা হয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশণ গাজীপুরের উদ্যোগে সারা জেলায়  সভা ও র‌্যালীতে জেলার প্রায় সকল মসজিদ ভিত্তিক মক্তব সমূহে অধ্যয়নরত কোমলমতি ছাত্র/ছাত্রী, শিক্ষক ও সূধী সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশ নেন।

ব্যাংক কর্মকর্তা হত্যার বিচার দাবীতে বিক্ষোভ মানববন্ধন

ফজলুল হক বাদল : গাজীপুরে সদ্য অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন হত্যাকান্ডে জড়িতদের শা
ন্তি দাবিতে মঙ্গলবার গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এলাকাবাসী।
নিহত গিয়াস উদ্দিন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের শরীফপুর সোন্ডা এলাকার মৃত সিরাজ উদ্দিন খানের ছেলে। স্ত্রী সন্তান নিয়ে গিয়াস উদ্দিন শহরের বরুদা এলাকায় নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন। তিনি সোনালী ব্যাংকের মুখ্য আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রিন্সিপাল অফিসার ছিলেন। 
গত ১৮ মার্চ রাত ১১টার দিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বরুদার বাড়িতে ব্যাংক কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিনকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় তার স্ত্রী জাহানারা বেগম (৫০), ছেলে শাহরিয়ার মানিক (৩০) ও শ্যালিকা পারভিন আক্তারকে (৪০) আটক করেছে পুলিশ।

গাজীপুরের অনন্ত গ্রুপের ওয়াশিং কারখানায় এসি বিস্ফোরণে দগ্ধ-৩

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুর  মহানগরীতে অনন্ত  গ্রুপের একটি ওয়াশিং কারখানায় এসি মেরামতের সময় বিস্ফোরিত হয়ে তিনজন দগ্ধ হয়েছে। এরা হলেন, রফিকুল ইসলাম (৩৫), তানভির আহমেদ রুমন (২৬) ও আব্দুর রউফ (৩০)। তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 
কারখানার সিনিয়র অ্যাডমিন অফিসার নুরুন্নবী জানান, জয়দেবপুরের তারগাছা এলাকায় অনন্ত গ্রুপের ওয়াশিং কারখানায় এসি মেরামত করতে আসেন ইলেক্ট্রমার্ট কো¤পানির রফিকুল ও তানভির নামের দুজন ইঞ্জিনিয়ার। তাদের সাথে কারখানার সিনিয়র ইলেট্রিশিয়ান রউফও ছিলেন। মেরামতকালে হঠাৎ বিকট শব্দে  এসিটি বিস্ফোরিত হয়। আগুনের কুলিতে তারা তিনজনই দগ্ধ হন। পরে তাদের কো¤পানির গাড়িতে করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে নিয়ে আসা হয়। তাদের দুই হাত, গলার নিচে ও মুখ মন্ডল পুড়ে গেছে। তিন জনেরই শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ করে পুড়ে গেছে। তবে তারা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।

গাজীপুর শহরে মহানগর ছাত্রদলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত

 আজ গাজীপুর শহরে মহানগর ছাত্রদলের উদ্যোগে বি.এন.পি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এর সকল মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এবং গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এর জননন্দিত মেয়র আলহাজ্ব অধ্যাপক এম. এ মান্নান এর মুক্তির দাবীতে গাজীপুর মহানগর  ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সদস্য মাহমুদ হাসান রাজুর নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি গাজীপুর শহরের রাজবাড়ী রোড হয়ে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে দিয়ে জয়দেবপুর বাজার প্রদক্ষিণ করে গাজীপুর বাসষ্ট্যান্ডে এসে শেষ হয়। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন মাহমুদ হাসান রাজু, এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদল নেতা শিপলু বকশী, ছাত্রনেতা রোহানুজ্জামান শুক্কুর, সাইফুল ইসলাম শামীম, জাফর ইকবাল জনি, রানা নাসের শিবলী, রাজু আহম্মেদ জয়, ইকবাল খান, মাসুদ রানা, নজরুল ইসলাম, ইমরান হোসেন টুটুল, মামুন শেখ, শফিক, ইউসুফ, সুজন, ইকবাল, নিয়ান, জাহিদ, ইব্রাহিম, মাসুম, সাগর, ফুয়াদ হাসান শরীফ প্রমুখ।

ইংলিশ বিতর্ক ও উপস্থাপনা প্রতিযোগীতায় চেম্পিয়ান গাজীপুর বিজ্ঞান কলেজ

স্টাফ রিপোটার্স: টেলেন্টহাট এর আয়োজনে ইংলিশ বিতর্ক ও উপস্থাপনা প্রতিযোগীতায় - ২০১৫ গত কাল গাজীপুরের সোনারতরি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগীতায় গাজীপুর জেলার বিভিন্ন কলেজ অংশগ্রহন করে। ফাইনাল রাউন্ডে আংশ গ্্রহনের গৌরব অর্জন করে ‘গাজীপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড কলেজ’ এবং ‘গাজীপুর বিজ্ঞান কলেজ’। ফাইনাল রাইন্ডে গাজীপুর বিজ্ঞান কলেজ জেলা চেম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করে। গাজীপুর বিজ্ঞান কলেজ থেকে ইংলিশ বিতর্ক ও উপস্থাপনা প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহণ করে একাদশ শ্রেনির ছাত্র সোহেল রানা (বিজ্ঞান বিভাগ) মো: সাজ্জাত হোসাইন (বিজ্ঞান বিভাগ) এবং জুলেখা আক্তার জুই (ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ)। অনুষ্ঠানে ‘গাজীপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড কলেজ’, ‘গাজীপুর বিজ্ঞান কলেজ’ এবং টেলেন্টহাট এর প্্রভাষক, কর্মকতা ও কর্মচারি উপস্থিত ছিলেন।

আত্মঘাতী সংঘাত যেন আর না হয় : বিজিবিকে প্রধান মন্ত্রী

বিজিবি দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা .
মনির শিকদার : 
বিজিবি বিদ্রোহের মতো আত্মঘাতী সংঘাতের পুনরাবৃত্তি এড়াতে ও সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সদস্যদেও ও সতর্ক  থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পিলখানা বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডের বিচার কওে বর্ডারগার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বাহিনীতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এই বাহিনী কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। তিনি আশা করেন, বিজিবির অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে কখনো এ ধরনের আত্মঘাতী  সংঘাত যেন সৃষ্টি না হয় সেজন্য বিজিবির সদস্যদেও ও সদাসতকর্ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
আজ রোববার বিজিবি দিবস উপলক্ষে পিলখানায় বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বিজিবিকে দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশ যাতে বিশ্বে মর্যাদার সঙ্গে চলতে পারে, সেভাবে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান।
বক্তব্যেও শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালীন ইপিআরের দুঃসাহসী ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। সে সময় নিহতদে ও প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানার বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডকে ইতিহাসের কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত কওে শেখ হাসিনা বলেন,  তাঁকে সেই ন্যক্কারজনক পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয়েছিল। সবার সহযোগিতায় সেদিনের সেই সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছিল। পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি। তিনি বলেন, সেই বিদ্রোহে জড়িত বিজিবির উচ্ছৃঙ্খল সদস্যদের শাস্তি   দেওয়া হয়েছে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার করে বিজিবিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বাহিনী কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। ভবিষ্যতে এ রকম আত্মঘাতী সংঘাত যেন না হয়, সে জন্য বিজিবির সদস্যদের সদা সতর্ক থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
সীমান্তে দায়িত্ব পালনে বিজিবি আগের চেয়ে অনেক বেশি সফলতা অর্জন করেছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, চোরাচালান, নারী ও শিশু পাচার কমেছে। ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সঙ্গে বন্ধুত্বপূণর্ সম্পর্ক হয়েছে।
 বিজিবিকে আধুনিক করতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন,  প্রথমবারের মতো ১০০ নারী সদস্যকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিজিবিতে আর ও সদস্য নিয়োগ, বেতন-ভাতা বাড়ানো, ভিডিও কনফারেন্স, বিওপি, সোলার প্যানেল,  বিএসএফ ও বিজিবির সম্পর্ক উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ,  বিশেষ কওে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বিনিময় সহ সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ নিজের পায়ে দাঁড়াবে, মর্যাদার সঙ্গে চলবে। সেভাবেই সরকার কাজ কওে যাচ্ছে। তিনি দৃঢ়কণ্ঠে বলেন, বিজয় অর্জনকারী জাত কারও কাছে মাথানত করবে না। ২০২১ সালে দেশ মধ্যম আয়ের দেশ হবে। ২০৪১ সালেবাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ায় উন্নত সমৃদ্ধ দেশ।

স্বাধীনতার ৪৪ বছর পরও জামায়াতের রাজনীতি করার অধিকার কতটা যুক্তি সঙ্গত

কি অদ্ভুত আমরা! কি অদ্ভুত আমাদের রাষ্ট্রযন্ত্র!

॥ এম.এ ফরিদ ॥
স্বাধীনতার ৪৪ বছর অতিক্রান্ত হলেও এখনো পরাজিত শক্তি আমাদের পিছু ছাড়েনি। ত্রিশ লাখ শহিদের রক্ত ও ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানীর বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের প্রিয় স্বাধীনতা। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ি যুদ্ধের মাধ্যমে ৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিকাল ৪.৩১ মিনিটে হানাদার বাহিনী আমাদের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। ঐতিহাসিক সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানে ঘাতকরা বাধ্য হয় মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করতে। এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ ৪৪টি বছর। অনেক আশা-ভরসা নিয়ে বাঙ্গালী জাতী পশ্চিমা হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছিল। দীর্ঘ ৪৪ বছর পরও বাঙ্গালী জাতী মুক্তি পেয়েছে কি না তা নিয়ে এখনও হিসেব কষতে হচ্ছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করার মধ্য দিয়ে এদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় সামরিক শাসকরা অধিষ্ঠিত হয়। জেনারেল জিয়া অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের মধ্য দিয়ে এদেশে সামরিক শাসনের গোড়াপত্তন শুরু করে। জেনারেল জিয়া ক্ষমতা গ্রহনের পর রাজাকারদের পূনর্বাসন করার মধ্য দিয়ে এদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করে গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছিলেন। জেনারেল জিয়া রাজাকারদের শুধু পূনর্বাসনই করেননি, তিনি রাজাকারের দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে এদেশে রাজনীতি করার পূর্ণ স্বাধীণতা দিয়েছিলেন। ফলশ্রুতিতে স্বাধীনতা বিরোধী চক্রটি রাজনীতি করার সুযোগ পেয়ে আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদেরকে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে বক্তব্য দিত। এর পরবর্তীতে বেগম জিয়া ও সাবেক সামরীক শাসক জেনারেল এরশাদও রাজাকারদের পূনর্বাসন কাজে নিজেদেরকে উৎসর্গ করেছিলেন। একটা সময়ে বিএনপির সহযোগীতায় কুখ্যাত রাজাকাররা মন্ত্রিত্ব লাভ করে এবং পবিত্র জাতীয় পতাকাকে তাদের গাড়ীতে ব্যবহার করার মাধ্যমে লাখ শহিদের আত্মার সঙ্গে তামাশা করে। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে রাজাকার, আল বদর, আল শামস্দের বিচারের ব্যবস্থা করেন। সরকার, যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধীর অভিযোগ রয়েছে তাদের জন্য আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল আদালত গঠন করেন। ইতোমধ্যে জামায়াতের প্রথম সারির নেতাদের বিরুদ্ধে মহামান্য ট্রাইব্যুনাল সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করেছেন এবং জামায়াত যে একটি সন্ত্রাসী দল সে বিষয়েও মহামান্য আদালত ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। জামায়াত একটি সন্ত্রাসী দল এ বিষয়ে কারো কোন দ্বিমত থাকার কথা নয়। তাহলে কেন এখনো যুদ্ধাপরাধীর দল জামায়াতের বিচার করা হচ্ছে না। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে জামাতের কর্মকান্ড সম্পর্কে কি আমরা তাহলে ভুলে যেতে বসেছি। জাতীর জনকের সু-যোগ্য কণ্যা দেশ রতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার যদি জামায়াতের বিচারের ব্যবস্থা না করতেন তাহলে আর কোন সরকার এদের বিচার করবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। লাখো শহিদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা নিয়ে বলতে চাই এদেশে জামায়াতের রাজনীতি করার কোন অধিকার নেই। ওরা হয়তো এখন রাজনৈতিক ভাবে কোনঠাসা অবস্থায় রয়েছে কিন্তু সময় সুযোগ বুঝে আবার ওরা মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে না এমনটা ভাবা বোকামী ছাড়া আর কিছুই নয়। গত ১৬ই ডিসেম্বরে চট্রগ্রাম কলেজে শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে আসার পর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে এমনটিই আভাস দিল জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবির। কত বড় ধৃষ্টতা সম্পন্ন কাজ করেছে ওই ছাত্র শিবিরের কর্মীরা। এত বড় সাহস ওরা কি করে পেল। এদের পিছনে কোন অদৃশ্য শক্তি রয়েছে কি না সে বিষয়ে খতিয়ে দেখা জরুরী বলে মনে করেন এদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি গুলো। হানাদার পাকিস্থানীদের দোসর হিসেবে খ্যাত এই রাজাকারের বাচ্ছাদের কারনেই স্বাধীনতার যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হয়েছিল। ওদের কারনেই এত রক্ত, এত ইজ্জত আমাদের খোয়াতে হয়েছিল। আজকে আমরা অনেক পরিপক্ক। আজ আমাদের হারানোর কিছু নেই। আমরা ওই সকল নরপিশাচদের দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছি। মাঠে-ময়দানে যেখানেই ওদের পাওয়া যাক না কেন আমরা ওদের গণধোলাই এবং দিগম্বর করে ছেড়ে দিব। সরকারের কাছে একটাই প্রত্যাশা নরপিশাচদের বিচারের পাশাপাশি সন্ত্রাসী দল হিসেবে জামায়াতের বিচারও করতে হবে। আইন করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে হবে। এদেশে জামাতের রাজনীতি করার কোন অধিকার নেই। সরকার যদি জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে ব্যর্থ হয় তবে আমরা নতুন প্রজন্মের একজন  যোদ্ধা হিসেবে আমরাই ওদের এদেশে নিষিদ্ধ ঘোষনা করব এবং তলপি-তলপা সহ পাকিস্থানে পাঠিয়ে দিতে বাধ্য হব। জয় বাংলা। 

গাজীপুরে স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুরের কালিয়াকৈরে রোববার বিকেলে স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতরা হলো- নির্মাণ শ্রমিক  বিল্লাল হোসেন (৩০) ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী মর্জিনা আক্তার (২৫)। 
নিহত বিল্লাল রংপুর জেলার কতোয়ালী থানার ভালুয়াপাড়া গ্রামের নাজির হোসেনের ছেলে। মর্জিনার ঠিকানা জানা যায়নি। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির মালিক কাদনী বেগম, তার ভাই মজনু মিয়া, নিহত বিল্লালের প্রথম স্ত্রী আসমা বেগম ও তার ভাবি আনিছা বেগমকে থানায় আনা হয়েছে।
কালিয়াকৈর থানা সূত্র জানায়, বিল্লাল প্রথম স্ত্রী আসমা খাতুনের অনুমতি না নিয়ে ১৭ ডিসেম্বর মর্জিনা আক্তারকে বিয়ে করে। বিল্লাল তার প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে স্থানীয় বাদশা মিয়ার ভাড়া বাড়িতে পাশাপাশি ঘরে থাকতো। এ নিয়ে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। 
রোববার বিকেলে বাড়ির লোকজন বিল্লালের শোবার ঘরের ধর্নার সঙ্গে গলায় মাফলার প্যাচানো অবস্থায় স্বামী এবং ওড়না প্যাচানো অবস্থায় স্ত্রীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে লোকজন তাদের উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষনা করেন। খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ রোববার রাত পৌণে ৮টার দিকে ওই দুইজনের লাশ উদ্ধার করে। 
নিহত বিল্লালের প্রথম স্ত্রী আসমা খাতুন জানান, আমি বাপের বাড়ি বেড়াতে গেলে স্বামী তার অনুমতি ছাড়াই গত ১৭ ডিসেম্বর মর্জিনা আক্তারকে বিয়ে করে বাদশা মিয়ার বাড়িতে উঠেন। তার দাবি তারা দুইজনেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

শ্রীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু নিহত

সুশীল চন্দ্র পাল : গাজীপুরের শ্রীপুরস্থ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ২নং সিএন্ডবি বাজারে রাস্তা পাড় হতে গিয়ে রুবেল (৮) নামের এক শিশু মৃত্যু বরণ করেছে। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিহত রুবেল সিলেটের দুয়ারাবাজার উপজেলার আছির নগর এলাকার কবিরখালি গ্রামের এনামুল হকের ছেলে। 
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান- ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক পারাপার হওয়ার সময় দ্রুতগামী একটি কাভার্ড ভ্যান শিশুটিকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। 
এ ঘটনায় স্থানীয় জনতা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক এক ঘণ্টা অবরোধ করে রাখে। অবরোধে মহাসড়কের উভয় পাশে দুই কিলোমিটার এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে মাওনা হাইওয়ে থানা পুলিশ তাদের সরিয়ে দিলে  যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। 
মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলালুল ইসলাম জানান, ঢাকাগামী কাভার্ড ভ্যান চাপায় শিশু নিহতের ঘটনায় স্থানীয় জনতা ঘাতক কাভার্ড ভ্যান ও চালককে আটক করেছে।
আটককৃত চালক নোয়াখালীর শ্যামবাগ উপজেলার মনির আহমেদের ছেলে সাখাওয়াত হোসেনকে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।

শ্রীপর পৌরসভায় জাপার মেয়র প্রার্থী নেই

কামাল হোসেন বাবুল : গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর নির্বাচনে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির প্রার্থী চুড়ান্ত হলেও মেয়র পদে প্রার্থী নেই জাতীয়
পার্টির। ৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার শ্রীপুর পৌর নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ তারিখ হলেও জাতীয় পার্টি মেয়র পদে কোন মনোনয়ন পত্র জমা দেননি।
এ বিষয়ে গাজীপুর জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি নুরুল ইসলাম জানান- কেন্দ্র থেকে কয়েকদিন আগে জাতীয় পার্টির মেয়র পদে প্রার্থীর তালিকা চাওয়া হয়েছিলো। আমি আগামীতে সংসদ নির্বাচন করবো। তাই পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হবো না। আমাদের শ্রীপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. আফতাব উদ্দিন শারীরিকভাবে অসুস্থ ও আর্থিক সংকটের কারণে মেয়র পদে প্রার্থী হবেন না বলে জানিয়েছেন।
এদিকে, শ্রীপুর পৌর নির্বাচনে জাতীয় পার্টিতে কোনো প্রার্থী না থাকায় সাধারণ নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দলীয় প্রার্থী না থাকায় তৃণমূলে রয়েছে ধোঁয়াশা।

গাজীপুরে মাদক বিরোধী গণসচেতনতা মূলক কর্মসূচী

মোঃ বায়েজীদ হোসেন : “মাদককে না বলুন” মাদক বিরোধী গনসচেতনতা মূলক কর্মসূচীতে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়, গাজীপুর এর উদ্যোগে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, অভিভাবক ও সাংবাদিকসহ মাদক বিরোধী আলোচনা সভা গত ২১ নভেম্বর শনিবার সকাল ১০টা গাজীপুর শহরের বি.আই.ডি.সি রোডে অবস্থিত গাজীপুর বিজ্ঞান কলেজে অনুষ্ঠিত হয়। কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল-মামুন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়, গাজীপুর এর সহকারী পরিচালক নাছির উল্লাহ ভূইয়া। এসময় তিনি মাদকের কুফল সম্পর্কে জনগনকে সচেতন করে তোলা এবং মাদক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সর্বস্তরের জনগনকে মাদক বিরোধী গনসচেতনতা মূলক কর্মসূচীতে অংশ গ্রহনের আহব্বান জানান। বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোঃ রোমান শাহ্ আলম, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ বায়েজীদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মোঃ মকবুল হোসেন, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন কার্যালয়, গাজীপুর এর পরিদর্শক মোঃ খোরশেদ আলম। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক নওরোজ পত্রিকার ফটো সাংবাদিক ইলিয়াস আপন, উপ-পরিদর্শ মোঃ মাহবুবুল আলম ভূইয়াসহ জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন, কার্যালয়ের সকল কর্মকর্তাবৃন্দগন। অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন, গাজীপুর বিজ্ঞান কলেজের ছাত্রী আদিবা বিনটে আলম (রোদ্রী) ও তাসিন।

কালীগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস-প্রাইভেটকার মুখোমুখি সংঘর্ষ আহত ৩০

কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রাইভেটকার-যাত্রীবাহী বাস মুখোমুখি সংঘর্ষে কমপেক্ষ ৩০ জন আহত হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুর আড়াইটায় উপজেলার শিমুলীয়া নামকস্থানে এ সড়ক দূর্ঘটনাটি ঘটে। আহতদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 
কালীগঞ্জ থানার পিএসআই মো. আশিকুজ্জামান স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার শিমুলীয়া এলাকা দিয়ে একটি প্রাইভেটকার (ঢাকা মোট্রা গ-১৭-০৫১২) গাড়ী টঙ্গী অভিমুখে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে রং সাইড হয়ে বেপরোয়া গতির ভৈরবগামী বাদশা পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো ব-১৪-১০৪৫) একটি যাত্রীবাহী বাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাদশা পরিবহনের গাড়ীটি উল্টে রাস্তার পার্শ্বের খাদে পড়ে যায় এবং প্রাইভেটকারের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ওই দু’টি গাড়ীর ৩০ জন যাত্রী আহত হয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ঢামেক হাসপাতাল, টঙ্গী ও গাজীপুরের বিভিন্ন ক্লিনিকে পাঠান। তিনি আরো জানান, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ৫ জনকে ঘটনাস্থল থেকে ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। এর মধ্যে ওই প্রাইভেটকার চালকও রয়েছে।   
কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত ডাক্তার মনিরা বেগম জানান, সড়ক দূর্ঘটনায় কমপ্লেক্সে মোট ১২ জন রোগী এসেছে। এদের মধ্যে বি-বাড়ীয়ার আলী নগর উপজেলার মারিয়া (১২) নামের এক শিশুর অবস্থা গুরুতর দেখে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যদিকে গাজীপুর সদর থানার পন্ডিত (৬৮) ও সালেমাকে (৭০) কমপ্লেক্সে ভর্তি রাখা হয়েছে। এছাড়া বাকী ৯ রোগী চিকিৎসা সেবা নিয়ে বাড়ী ফিরে গেছেন। 

আহতরা হচ্ছেন- চাঁদপুর ফরিদগঞ্জের রিয়াজ উদ্দিন (২৮), আমজদ হোসেন (১৮), নজরুল ইসলাম (১৮), মাইনুদ্দিন (২৬), গাজীপুর কালীগঞ্জের ঈশ্বরপুর গ্রামের প্রকাশ (১৮), একই উপজেলার জামালপুর গ্রামের মাসুম (১৮), কুমিল্লার গোপালপুরের রহিমা (৪০), নরসিংদী সদর থানার মুকুল (৩৫), রাইসুল (১০)। বাকীদের বিভিন্ন ক্লিনিকে পাঠিয়ে দেওয়ার কারণে পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।    
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মুস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, দুর্ঘটনার কবলিত গাড়ি দু’টি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। 

গাজীপুরের প্যারেড আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার প্যারেড ইন্টারন্যাশনাল আবাসিক হোটেল অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধে হোটেল স্থায়ীভাবে বন্ধ করার জন্য জেলা প্রসাশকের নিকট আবেদন জানিয়েছেন এলাকাবাসী। গত ১৯ নভেম্বর বিকেলে গাজীপুর মহানগর প্রেসক্লাবে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকাবাসীর পক্ষে মো. জয়নাল আবেদীন অভিযোগ করে বলেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পশ্চিম পার্শ্বে চান্দনা চৌরাস্তায় নূর প্লাজার ৩য় এবং ৪র্থ তলায় প্যারেড ইন্টারন্যাশনাল আবাসিক হোটেল খারাপ প্রকৃতির মেয়েদের দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছে। এই বিল্ডিংয়ের ২য় তলায় বেসিক ব্যাংক ও আন্ডারগ্রাউন্ডে এম.এ.টি হাসপাতাল এবং পাশেই রয়েছে ইম্পোএঞ্জেল স্কুল। হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত খদ্দের ও মেয়েদের আনাগোনার কারনে ব্যাংক, হাসপাতাল ও স্কুলে আগত অভিভাবক, কোমলমতি ছাত্রছাত্রী, রোগি এবং ব্যাংকে আগত গ্রাহকদের মারাত্মক ব্যাঘার সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ করেন। ইতিপূর্বে বেসিক ব্যাংক গাজীপুর চৌরাস্তা শাখা নিরাপত্তা চেয়ে গাজীপুর পুলিশ সুপারের নিকট আবেদন করে। পরবর্তিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর চিফ জ্যুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রেবেকা সুলতানা নিজে ২/৩বার হোটেলটি বন্ধ করে সিলগালা করে দেন। বন্ধের কিছুদিনের মধ্যেই হোটেল মালিক ইয়াছিন, ম্যানেজার অরুন, কর্মচারি বলাই চন্দ্র, মধু মিয়া পরস্পর যোগসাজসে পুনরায় হোটেলটি চালু করে আগের মতোই অসামাজিক কার্যকলাপ চালাতে থাকে। এ ব্যাপারে প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অভিযোগটি জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত অভিযোগ করার পরামর্শ দেন। এর প্রেক্ষিতে তারা জেলা প্রশাসকের নিকট অভিযোগটি দায়ের করেন। লিখিত অভিযোগে এলাকাবাসীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন জিসিসি ১৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মোছলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসা, গাজীপুর মহানগর প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন সরকার, বেসিক ব্যাংক গাজীপুর চৌরাস্তা শাখার ম্যানেজার খালেকুজ্জামান তালুকদার, গাজীপুর মহানগর প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি এম.আমজাদ খান,  ইম্পো এঞ্জেলস্ স্কুলের প্রধান শিক্ষক খন্দকার সোলায়মান, ইঞ্জি. নুরুল হক, আসকের উপ-পরিচালক মিলন সারোয়ার, গাজীপুর ডাইরেক্টরীর সহকারি সম্পাদক তারেক রহমান জাহাঙ্গীর, মহানগর প্রেসক্লাবের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমূখ।

কাপাসিয়ায় যৌতুকের দাবীতে স্ত্রী নির্যাতনের শিকার

কাপাসিয়া ব্যুরো অফিস : গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার কড়িহাতা গ্রামের কৃষক আলফাজ উদ্দিনের কন্যা ২ সন্তানের জননী  তাহ্মিনা (৩০) যৌতুকের দাবীতে স্বামী ফারুক হোসেন কর্তৃক অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। 
কাপাসিয়া থানায় দায়েরকৃত লিখিত অভিযোগে জানা যায়, গত প্রায় ১০/১২ বছর আগে উপজেলার রায়েদ ইউনিয়নের দেওনা উত্তর পাড়া আব্দুস ছাত্তারের পুত্র ফারুকের (৪৬) সাথে তাহমিনার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই নানা ভাবে যৌতুকের জন্য চাপ সৃষ্টি করে এবং শারিরিক ও মানষিক ভাবে নির্যাতন করে। পিতা তার কন্যার সুখের কথা চিন্তা করে একাধিক বার ফারুককে কিছু টাকা দেয়। সম্প্রতি বিদেশ যাবার নাম করে ২ লাখ টাকা পিতার নিকট থেকে এনে দেবার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। এতে তাহমিনা অপারগতা প্রকাশ করলে গত ৯ নভেম্বর তার স্বামী ফারুক, তার পিতা- আঃ ছাত্তার (৭০), দোলেনা বেগম (৫০), আবুল কালাম (৩২), ছালমা (২৫) তাকে চুলের মুঠি ধরে লাঠি দিয়ে পিটাইয়া ও কিল ঘুষি, লাথি মেরে মারাত্বক ভাবে আহত করে। পরে খবর পেয়ে পিতার বাড়ির লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। এ ব্যাপারে তাহমিনা বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে কাপাসিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। এ ব্যাপারে ফারুকের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি। 

গাজীপুরে বিএনপি-জামায়াতের পাঁচ শতাধীক নেতা-কর্মী আটক

পুলিশের বিশেষ অভিযান

স্টাফ রিপোর্টার : নাশকতার আশঙ্কায় গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিএনপি ও জামায়াতের পাঁচ শতাধীক নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। 
রোববার দুপুরে গাজীপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পুলিশ সুপার মোঃ হারুন অর রশীদ পিপিএম (বার) এ তথ্য জানান। 
পুলিশ সুপার বলেন- দেশের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নাশকতা রোধে পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনী যৌথ অভিযান পরিচালনা করে গত কয়েকদিনে প্রায় ৫ শতাধিক বিএনপি ও জামায়াত নেতা-কর্মীকে আটক করে। তিনি আরো বলেন- এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। 
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সুলাইমান, মিজানুর রহমান, সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ সবুর, টঙ্গী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ তালুকদার, কাপাসিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আহসান উল্লাহ, ডিবি ইন্সপেক্টর আলম চাঁদ, ডিএসবি ইন্সপেক্টর মমিনুল ইসলাম সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।