শিরোনাম

সাংবাদিকতার পরিচয়ে চৌরাস্তায় একটি চক্র নানা অপরাধে সক্রিয় : নেতৃত্বে শামীম ও হালিম ক্লিনিকের গেইটে তালা লাগিয়ে পালিয়েছে কর্তৃপক্ষ টঙ্গী পাইলট স্কুল এন্ড গার্লস কলেজ বৃক্ষরোপন, নামাজের ঘর ও কমনরুম উদ্বোধন গাজীপুরে একজনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড উন্মোচিত হয়নি কালীগঞ্জে সাবেক এমপি পুত্র হত্যা রহস্য গাজীপুরে পুত্র হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা তাজউদ্দীন পুত্র সোহেল তাজের মনের শক্তি অনেক

ক্লিনিকের গেইটে তালা লাগিয়ে পালিয়েছে কর্তৃপক্ষ

শ্রীপুরের অপারেশনে ব্যার্থ হয়ে 
স্বজনসহ রোগীকে গলাধাক্কা

আতাউর রহমান সোহেল, শ্রীপুর : গাজীপুরের উপজেলা শ্রীপুরে এক ডেলিভারী রোগীর অপারেশনে ব্যার্থ হয়ে তার স্বজনসহ জোরপূবর্ক ক্লিনিক থেকে বের করে দেয়া হয়েছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে ক্লিনিকের মূল গেটে তালা লাগিয়ে কর্তৃপক্ষ পালিয়েছে। এ সময় ঐ হাসপাতালের ভিতরে জরূরী বিভাগে ২টি বেটে দুজন রোগী ছিল বলে জানাযায় ।
গত ২/৮/১৭ ইং রোজ বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে মাওনা চৌরাস্তা কদম আলী ফকির সুপার মার্কেটে নিউ পদ্মা এন্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। ডেলিভারী অপারেশনের ওই রোগীর নাম রুমা আক্তার (২২)। সে মাওনা মধ্যপাড়া গ্রামের আব্দুস ছাত্তারের স্ত্রী।
আব্দুস ছাত্তার জানান, ৩১/৭/১৭ইং সোমবার বিকেল ৩টায় তার স্ত্রীকে মাওনা চৌরাস্তা শাপলা মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করেন। তার স্ত্রীর পেটের সন্তান মৃত হওয়ায় পরদিন ১/৮/১৭ মঙ্গলবার বিকেল এরদিকে চিকিৎসকেরা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে রেফারড করেন। শাপলা মেডিকেল সেন্টার থেকে বের হওয়ার পরই পাশের নিউ পদ্মা এন্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সাহাব উদ্দিন ও আরো কয়েজন ব্যাক্তি নিরাপদ চিকিৎসার কথা বলে ১৬ হাজার টাকার চুক্তিতে তার স্ত্রীকে তাদের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যান। সেখানে ভর্তি রেখে বুধবার বিকেলে গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা: সেলিনা আক্তার লিপি অপারেশন শুরু করেন। চিকিৎসক তার স্ত্রীর প্র¯্রাবের রাস্তাসহ গোপনাঙ্গের আশপাশে কাটাছেঁড়া করে মৃত বাচ্চা টেনে হিঁচড়ে বের করার চেষ্টা করেন। এটি ছিল রোমার প্রথম মা হওয়ার ঘটনা ছিল।
বুধবার রাত সারে নয়টার দিকে অপারেশনে ব্যার্থ হয়ে দ্রুত তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দিয়ে জোরপূর্বক গলাধাক্কা দিয়ে হাসপাতালের বাইরে স্বজনদের সহ বের করে দেন। পরে সেন্টারের মূল গেটে তালা লাগিয়ে দেন। এসময় ভেতওে জরূরী বিভাগে দুজন রোগী ভর্তি ছিল। একটি অ্যাম্ব্যুলেন্স ডাকার সময় দেয়নি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্তৃপক্ষ। পরে রোগীকে নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় সেন্টার থেকে নেমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাত সাড়ে ১১টায় সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে, খবর শুনে রাত ১১টার দিকে শ্রীপুর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) আবুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। তিনি বলেন, ঘটনা শুনে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে ম্যানেজমেন্টের কাউকে পাওয়া যায়নি। মূল গেটে তালা লাগানো ছিল। একজন রোগী ভর্তি, কর্তব্যরত চিকিৎসক ও কয়েকজন স্টাফ পাওয়া গেছে। ম্যানেজমেন্টের লোকজন তাদের মুঠোফোন বন্ধ রেখে পালিয়ে গেছে।
নিউ পদ্মা এন্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্তব্যরত ডা. নাভিদ তানজিম জানান, রোগীর অবস্থা সঙ্কটাপন্ন হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই হসেন্টার থেকে বরে হতে সাহায্য করা হয়েছে। অভিযুক্ত চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

সাংবাদিকতার পরিচয়ে চৌরাস্তায় একটি চক্র নানা অপরাধে সক্রিয় : নেতৃত্বে শামীম ও হালিম

জয়দেবপুর থানায় চাঁদাবাজির মামলা


স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুর তথা জয়দেবপুর চৌরাস্তায় দীর্ঘ দিন যাবৎ একটি চক্র সাংবাদিকতার পরিচয়ে নানা অপকর্ম করে যাচ্ছে মর্মে সাধারণের নিকট থেকে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। গত কয়েকদিন পূর্বে ঠিক ওই রকমই একটি চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। যাদের বিরুদ্ধে জয়দেবপুর থানায় একটি মামলা রুজু হয়েছে। মামলা নং- ০৯, তাং- ০২/০৮/২০১৭ইং। ধারা ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩৮৫/৩৮৬/৫০৫ দ: বি:। মামলার বাদী জনৈক আব্দুল ওয়াদুদ। 
মামলা সূত্রে প্রকাশ : জয়দেবপুর থানা এলাকার চৌরাস্তা সংলগ্ন তেলীপাড়া এলাকার ৪৬৪ নং বাসার মালিক আব্দুল ওয়াদুদ (৫৭) এর বাসায় খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানা এলাকার খাগড়া বুনিয়া গ্রামের গোষ্টপদ মন্ডলের মেয়ে লক্ষী রানী মন্ডল (৩০) ভাড়াটিয়া হিসেবে থেকে প্রায় দুই বছর যাবৎ পাশ^বর্তী অক্সফোর্ট গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীতে কাজ করেন। ৩১ জুলাই সকালে লক্ষী রানী মন্ডলের আপন মামাতো ভাই জয় মন্ডল (১৮) ওখানে বেড়াতে আসেন। এমতাবস্তায় ১ আগষ্ট রোজ মঙ্গলবার রাত অনুমান ১১টার দিকে ১০/১২ জন লোক নিজেদেরকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ওই বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে এবং বাড়ির মালিক ওয়াদুদ কে লক্ষী রানীর ঘর দেখিয়ে দিতে বলে। লক্ষী রানীর ঘর দেখানো মাত্রই তারা লক্ষী রানীকে ডেকে ঘুম থেকে তুলে তাকে এবং তার মাতাতো ভাই জয়কে উক্তি করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা লক্ষী রানী মন্ডলের নিকট ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। ওই সময় লক্ষী রানী কিসের চাঁদা জিজ্ঞাসা করা মাত্র তারা তাকে নানা হুমকী-ধামকী দিয়ে মামাতো ভাই জয়কে এলোপাথারী মারপিট করতে থাকে। ওই সময় বাড়ির মালিক ও লক্ষী রানী চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে, তারা বাড়ির মালিক ও লক্ষী রানীকে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে বাহিরে নিয়ে যাওয়ার জন্য উদ্যত হয়। এতে বাড়ির মালিক ও লক্ষী রানী মন্ডল নিরুপায় হয়ে বহু আকুতি-মিনতি করে কথিত সাংবাদিকদের চাপের মুখে চাঁদা বাবদ ৪ হাজার টাকা প্রদান করেন এবং বাকি টাকা সাকলে পরিশোধ করবেন মর্মে প্রতিশ্রুতি দিয়ে রাতের মতো রক্ষা পান। 
পরবর্তী সময়ে বাড়ির মালিক বিষয়টি পুলিশকে জানান। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন পূর্বক ঘটনার সত্যতা পেয়ে ঘটনার পাশর্^বর্তী স্থান থেকে কথিত সাংবাদিক মোঃ শামিম কে আটক করেন।
পুলিশের হাতে আটককৃত শামীম পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনা স্বীকার করে এবং তার সহযোগিদের নাম প্রকাশ করে। তার সহযোগিরা হলো- কালের ছবি পত্রিকর কথিত সাংবাদিক মোঃ হালিম। তা ছাড়া কালের ছবির আরো যারা কথিত সাংবাদিক তারা হলো- মোঃ জয়নাল আবেদীন ও আসাদুজ্জামান তুহিন। অন্যান্যরা হলো- ছাদেক, বাচ্চু, সালাম, রাসেল ও কামালসহ আরো ৪/৫ জন। 
বিভিন্ন সূত্রে জানাযায়- পুলিশের নিকট ধৃত হওয়া শামীমের বাড়ি বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা এলাকার হোসনাবাগ গ্রামে। তার বাবার নাম শাহ আলম সরদার। সে নাকি আমার দেশের সংবাদ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি। 
এই শামীম হোসেন ও মোঃ হালিমগং জয়দেবপুর চৌরাস্তা এলাকায় ভাসমান পতিতা, হকারসহ ছিনতাই গ্রুপ পরিচালনা করে। কতিপয় পুলিশের সাথেও তাদের রয়েছে সখ্যতা। তা না হলে তাদের নিকট হ্যান্ডকাপ কোথা থেকে আসে ? অনেক সময় মাইক্রোবাস নিয়ে তারা ভুয়া ডিবি পর্যন্ত হয়ে যায় বলে অনেকের সন্দেহ। 
চান্দনা চৌরাস্তা মসজিদ মার্কেটে রয়েছে গাজীপুর সাংবাদিক ক্লাব নামে তাদের একটি অফিস রুম। সেখানে তারা শিকার ধরে নিয়ে অর্থকড়ি আদায় করে মর্মে অভিযোগ রয়েছে। অনেক সময় তারা ভদ্রলোকদের পেছনে ভাসমান পতিতা লেলিয়ে দিয়ে অপমান অপদস্থ করে। আর সুযোগ মতো হাতিয়ে নেয় টাকা-কড়ি। 
এই গ্রুপের বাইরেও আরো অনেকে রয়েছে, যারা ভোগড়া বাইপাসে একই রকম অপকর্ম করে বেড়ায়। কাজেই তাদেরকে আইনের আওতায় আনা জরুরী। এ ঘটনায় মুঠো ফোনে আব্দুল হালিম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে সে ঘটনা অস্বীকার করে এবং মামলাটিকে মিথ্যা বলে দাবি জানায়।

গাজীপুরে পুত্র হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে ছয় বছর বয়সী পুত্র সন্তাানকে গলাকেটে হত্যার পর আত্মহত্যা করেছেন ওই সন্তানের বাবা। মৃতরা হলেন ওই এলাকার ভ্যানচালক রাশেদুল (৩৫) ও তার ছেলে সাইদ হাসান (৬)।
পুুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, সোমবার সকালে নগরীর ভোগড়া এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে সকালে রাশেদুল বটি দিয়ে গলা কেটে তার ছেলে সাইদকে হত্যা করেন। পরে ঘরের দরজা বন্ধ করে নিজেও ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেন। পাশের বাড়ির লোকজন জানালা দিয়ে ঘরের ভেতর তাদের লাশ দেখে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তাদের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

গাজীপুর জেলা শ্রমিকলীগের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুর জেলা জাতীয় শ্রমিকলীগের সম্মেলন রোববার অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগরের ১৮ নং ওয়ার্ডে সাগর সৈকত কনভেনশন সেন্টারে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন খসরু এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাড.আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি। নগর জাতীয় শ্রমিকলীগের যুগ্ন আহবায়ক মোঃ কবির আহম্মেদ মন্ডল এর সঞ্ঝালনায় সম্মেলন উদ্ধোধক করেন কেন্দ্রীয় শ্রমিকলীগের সভাপতি মোঃ শুক্কর মাহমুদ । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের শ্রম সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান সিরাজ,গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাড,আজমত উল্লাহ খান,সাধারন সম্পাদক এ্যাড.মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,সহ সভাপতি আলিম উদ্দি বুদ্দিন,কেন্দ্রীয় শ্রমিকলীগের কার্যকরী সভাপতি ফজলুল হক মন্টু,সহ সভাপতি হাবিবুর রহমান আকন,মোঃ হাফিজ উদ্দিন,প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় শ্রমিকলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম,বিশেষ বক্তা ছিলেন-কেন্দ্রীয় শ্রমিকলীগের মহিলা সম্পাদিকা সামসুন্নাহার ভুইয়া। আরও উপস্থিত ছিলেন- গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এস এম মোকছেদ আলম,কৃষক লীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুল কাদির মন্ডল,মহানগর জাতীয় শ্রমিকলীগের আহবায়ক মোঃ আব্দুল মজিদ বিএসসি,যুুুুুুুুুুুুুুুুুুুগ্ন আহবায়ক মোঃ আব্দুল কাদির,মোঃ মজিবুর রহমান,মোঃ সৈয়দ আব্দুল জলিল,কালিয়াকৈর উপজেলা জাতীয় শ্রমিকলীগের সভাপতি মোঃ মফিজুল ইসলাম,কালিয়াকৈর পৌর জাতীয় শ্রমিকলীগের সভাপতি মোঃ হারিছউজ্জামান হারিছ খান.শ্রীপুর পৌর শ্রমিকলীগের সভাপতি খন্দকার কফিল উদ্দিন সহ শ্রমিকলীগের ৫ শতাধিক নেতাকর্মী। সম্মেলনের আগে নেতারা সম্মেলন প্রস্তুতি হিসেবে মিছিলে মিছিলে মুখরিত করে তুলে পুরো এলাকা জুড়ে। আগের কমিটিকে বিলুপ্তি ঘোষনা করেন কেন্দ্রীয় শ্রমিকলীগের কার্যকরী সভাপতি। প্রথম অধিবেশনের আগে সকল নেতারা বক্তব্য দিয়ে সরকারের উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। আগামীতে গাজীপুরের ৫ টি আসনই নৌকার পক্ষে চান কেন্দ্রীয় সহ গাজীপুরের সকল নেতৃবৃন্দ। সম্মেলন কক্ষঘুরে দেখা গেল তিনশত কাউন্সিলর ও ডেলিগেটর এর মধ্যে উপস্থিত সংখ্যা ২২২ জন তারা নির্বাচন করবে আগামী দিনের নেতৃত্ব। তবে সভাপতি প্রার্থী হয়েছেন পূর্বের কমিটির সহ সভাপতি মোঃ মতিউর রহমান মোল্লা,সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুর রশিদ সরকার,সাধারন সম্পাদক হিসেবে জোড়গলায় শুনাযাচ্ছে কালিয়াকৈর উপজেলা শ্রমিকলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ আতিকুর রহমানের নাম ও জেলা যুব শ্রমিকলীগের সভাপতি মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এর নাম। তবে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক প্রার্থী আরো আছেন বলে অনেকেই আমাদেরকে জানিয়েছেন। সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে হাবিবুর রহমান সিরাজ ও মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদকের বক্তব্যে বেড়িয়ে এলো আসল কাহিনী যে সকল কাউন্সিলর অনুস্থিত তাদের বাহিরে রেখে নতুন কমিটি ঘোষনা করা যাবেনা। তখন পুরো হল জুড়ে নিরবতা দেখা দিলেও সাম্ভব্য প্রার্থীরা ও কাউন্সিলর গন প্রতিবাদ না করায় তখন আগের ইমেজে ফিরে গিয়ে আগামী ৫ দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় কমিটির সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন,কেন্দ্রীয় শ্রমিকলীগের মহিলা সম্পাদিকা। তবে নতুন কমিটি না ঘোষনা দিলেও মোঃ রশিদ সরকার ও মোঃ আতিকুর রহমান দিয়ে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করতে পারে বলে নাম প্রকাশ করার না শর্তে অনেক নেতাই জানিয়েছেন।

টাঙ্গাইলের রসুলপুরে সেপটিক ট্যাংক থেকে হিন্দু দম্পতির লাশ উদ্ধার

লুট-পাটের কোন চিহ্ন পাওয়া যায়নি


মোঃ আবুল কাশেম, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে নিজ বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের ভিতর থেকে এক দম্পতির লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। ধারনা করা হচ্ছে তাদেরকে হত্যা করে লাশ সেপটিক ট্যাংকে গুম করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ নাজমুল হক ভূঁইয়া সাংবাদিকদেরকে জানান- রসুলপুর বাছিরন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অনীল চন্দ্র দাস (৬৫) ও তার স্ত্রী কল্পনা দাস (৫৫) ওই নৃশংস হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন। তাদের একমাত্র ছেলে ঢাকায় অবস্থানরত অবস্থায় একটি ব্যাংকে চাকরি করেন। বাড়ি শুধু ওই দম্পতিই থাকতেন। ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার সকালে তাদের কোন সাড়া-শব্দ না পেয়ে বাড়ির ভেতরে গিয়ে ডাকা-ডাকি করেন। পওে বাড়িতে তাদের হদিস না পেয়ে অনেকেই বাড়ির আশ-পাশে খুঁজতে থাকেন। হঠাৎ দুপুর ১২ টার দিকে বাড়ির পাশের্^ই সেপটিক ট্যাংকে তাদের লাশ দেখতে পায় প্রতিবেশীরা। আর সাথে সাথে তারা থানায় সংবাদ দেয়। পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
তিনি আরো বলেন- ধারনা করা হচ্ছে রাতের কোন এক সময়ে হয়তো দুর্বৃত্তরা বাড়িতে প্রবেশ করে হত্যা করে তাদের লাশ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দিয়েছে। তবে অনুসন্ধান চলছে, আসামীরা অবশ্যই ধরা পড়বে।
অপরদিকে এ ঘটনায় টাঙাইলেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ আলসাল খান সাংবাদিকদেরকে জানান তাদের বাড়ির সদর দরজা খোলা ছিলো। কিন্তু দরাজা-জানালা ভাঙ্গা কিংবা লুট-পাটের অন্য কোন আলামত পুলিশ পায়নি।

ভাওয়াল মির্জাপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে নতুন শিক্ষার্থীদের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

নূরে আলম সিদ্দিক : গাজীপুর সদর উপজেলার ভাওয়াল মির্জাপুর বিশ্বিদ্যালয় কলেজে শনিবার সকালে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া নতুন শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে এক পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এনামুল হকের সভাপতিত্বে ওই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মোশারফ হোসেন দুলাল। 
পরিচিতি সভায় আরো যারা বক্তব্য রাখেন তারা হলেন কলেজের উপাধ্যাক্ষ মাহমুদুল হক, কলেজ পরিচালনা পরিষদ সদস্য মোঃ ফজলুল হক মুসুল্লিসহ মোঃ শফিকুল ইসলাম শফি, কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নওজেশ আলী, সহকারি অধাপক যথাক্রমে জাহিদ সারোয়ার ও নূর মোহাম্মদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে নতুন শিক্ষার্থীদেরকে কলেজ পরিচালনা পরিষদ সদস্য, শিক্ষক মন্ডলী ও অন্য বর্ষের শিক্ষার্থীরা নয়া শিক্ষার্থীদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন।

নয় মাসে সারা দেশে রেলপথ থেকে ৭২৯টি লাশ উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জ থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত রেলওয়ের একটি থানা এলাকায় চলতি বছরের ৯ মাসে ২৩০টি লাশ উদ্ধার হয়েছে। এদের মধ্যে ১০৬ জন মারা যায় মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে রেলপথ পার হওয়ার সময়। সারা দেশে রেলওয়ের থানা ২৪টি। এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা রেলওয়ে থানার সদ্যবিদায়ী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মজিদ।
রেলওয়ে পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. শামসুদ্দিনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত নয় মাসে সারা দেশে রেলপথ থেকে ৭২৯টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। অসতকর্তা, হত্যা ও আত্মহত্যার পাশাপাশি মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে রেলপথ পার হওয়া এসব মৃত্যুর বড় কারণ। তবে ২৪ থানা এলাকায় শুধু মুঠোফোনের কারণে মোট মৃত্যু কত, তা জানা যায়নি।
বর্তমানে ভৈরব থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি আবদুল মজিদ বলেন, নারায়ণগঞ্জ থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত ১৪২ কিলোমিটার পথে গত সেপ্টেম্বরে এক মাসেই ট্রেন দুর্ঘটনায় ২৮ জন নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে ২৫ জনেরই মৃত্যু হয়েছে মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে রেলপথ পার হওয়ার সময়। আর নয় মাসে লাশ উদ্ধার হয়েছে ২৩০টি। এদের মধ্যে পাঁচজনকে হত্যার পর রেলপথে ফেলে যাওয়া হয়েছিল। অন্যদের মৃত্যু হয়েছে অসতর্কতা, আত্মহত্যাসহ বিভিন্ন কারণে।
গত ১৭ মে দুপুরে রাজধানীর পূর্ব নাখালপাড়া থেকে পশ্চিম নাখালপাড়ায় যাচ্ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির ছাত্র ওবায়দুল্লাহ। তাঁর কানে মুঠোফোন ও হাতে আইসক্রিম ছিল। ট্রেন কাছাকাছি চলে এলে আশপাশের লোকজন চিৎকার করে তাঁকে সরে যেতে বলে। কিন্তু তিনি কথায় এতটাই মগ্ন ছিলেন যে কিছুই শুনতে পাননি। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তিনি ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান। এ কথা বলছিলেন ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মোবারক হোসেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, কানে মুঠোফোন থাকায় অনেক সময় দ্রুতগতির ট্রেনের শব্দ শোনা যায় না। তাই মুহূর্তেই ট্রেনে কাটা পড়ে চিরতরে শেষ হয়ে যাচ্ছে অনেকে। রেলওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সচেতনতার অভাবে দিনে দিনে এ ঘটনা বাড়ছে। নাখালপাড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ওবায়দুল্লাহর বাবা ভ্যানচালক রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘মাত্র তিন হাজার টাকা হাতে দিয়ে তাকে ঢাকায় পাঠিয়েছিলাম। ঘটনার আগের দিনও ফোনে আমার সঙ্গে কথা হয়। সেদিনও বলেছিলাম, ঢাকায় গাড়ির চাপ, সাবধানে থাকবা; রাস্তায় ফোনে কথা বলবা না। কিন্তু পরদিনই ফোনে কথা বলতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ল আমার ছেলে।’


গত ২৭ সেপ্টেম্বর কানে মুঠোফোন ধরে মালিবাগ রেলগেট পার হচ্ছিলেন আইনজীবী সালাহ উদ্দিন ফটিক (৫২)। কিন্তু তিনি রেললাইন পার হওয়ার আগেই চলে আসে ট্রেন। ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। ঢাকা রেলওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) জাহিদুল ইসলাম বলেন, রেলগেটে থাকা রেলকর্মীরা প্রতিবন্ধক বারও নামিয়ে দিয়েছিলেন। তারপরও তিনি রেললাইন পার হতে যান। কানে মুঠোফোন থাকায় তিনি ট্রেনের শব্দ শুনতে পাননি।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর গণসংবর্ধনায় অংশ নিতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে ঢাকায় আসেন ছাত্রলীগের নেতা ইসমাইল হোসেন (২৮)। সন্ধ্যার দিকে তিনি খিলক্ষেত রেলক্রসিং এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, তিনি মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে রেললাইন ধরে হাঁটার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মুঠোফোনে কথা বলতে গিয়ে এভাবে তাজা প্রাণ ঝরে যাওয়াকে দুঃখজনক বলছেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক জিল্লুর রহমান খান। তিনি বলেন, মানুষ পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে একসঙ্গে দুটি কাজ করতে পারে না। তাই ফোনে কথা বলার সময় তার অন্য কিছু খেয়াল থাকে না। আবার তরুণদের অনেকেরই মুঠোফোনে আসক্তি রয়েছে। তাঁদের মধ্যে মুঠোফোনের ব্যবহার অপব্যবহারের পর্যায়ে চলে গেছে।
ঢাকা রেলওয়ে থানার তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে ট্রেনে কাটা পড়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটে মহাখালী রেলগেট ও খিলক্ষেত এলাকায়। এর কারণ, কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় রেললাইন বাঁকা। তাই দূর থেকে ট্রেন এলে দেখা যায় না। আবার বনানী থেকে কারওয়ান বাজার এলাকার রেললাইনের পাশে গড়ে উঠেছে বস্তি। এসব এলাকায় অবৈধ ক্রসিং দুর্ঘটনার কারণ।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে মহাখালী রেলগেট এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, রেলপথ ধরে হাঁটছে কয়েক শ মানুষ। রেলগেটের নিরাপত্তা বার ফেলার পরও দৌড়ে পার হচ্ছে অনেকেই, কেউ কেউ মোটরসাইকেল চালিয়েও যাচ্ছেন এপাশ থেকে ওপাশে। রেলগেটের উত্তর পাশে এর তিন দিন আগেই মারা গেছেন এক যুবক। যুবকের রক্তে ভিজে যাওয়া রেলপথটি বালু দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রাশেদ মোল্লা বলেন, নিহত যুবকের এক হাতে ল্যাপটপ ছিল, অন্য হাতে মুঠোফোন নিয়ে তিনি কথা বলছিলেন।

রাশেদ মোল্লার সঙ্গে কথা বলার সময় তাঁর পাশেই রেললাইনে বসে ছিলেন জুবায়েদ হোসেন নামে এক যুবক। ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের এই ছাত্র বলেন, এক বন্ধুর জন্য তিনি অপেক্ষা করছেন। এতে ঝুঁকি আছে, বিষয়টি তিনি ভেবে দেখেননি।
মহাখালী রেলগেটের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, প্রায়ই এই এলাকায় ট্রেনের নিচে পড়ে মানুষ মারা যায়। দুর্ঘটনার মূল কারণ মুঠোফোন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কথা বলতে বলতে মানুষ পার হয়, ডাকলেও শোনে না। অনেক সময় নিষেধ করলে খারাপ ব্যবহার করে।’
নির্ধারিত রেলক্রসিং ছাড়া রেললাইন ধরে হাঁটা ও বসা নিষিদ্ধ উল্লেখ করে ঢাকা রেলওয়ে থানার ওসি ইয়াসিন ফারুক বলেন, রেললাইনের দুই পাশে ১০ ফুট করে ২০ ফুটের মধ্যে সব সময় ১৪৪ ধারা জারি থাকে। এই সীমানার ভেতর কোনো ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা যাবে।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ট্রেনের ইঞ্জিনের শব্দ কম, দ্রুতগতিতে চলে এবং অল্প দূরত্বে থামতে পারে না। এ জন্য দুর্ঘটনা ঘটে। আর মুঠোফোনে ব্যস্ত থাকলে এ দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়। অধ্যাপক মোয়াজ্জেম ট্রেনে কাটা পড়ার জন্য বিনোদনমাধ্যমকেও দায়ী করেন। অনেক নাটক, সিনেমায় দেখা যায় রেললাইনে মানুষ হাঁটে, গান গায়, বসে থাকে। এমন শুটিং থেকে বিরত থাকতে হবে। রেললাইন শুটিংয়ের জায়গা নয়। আর শুটিং করলেও প্রচারের সময় পর্দায় সতর্কতামূলক বাণী লিখে দিতে হবে। এ ধরনের দুর্ঘটনা কমাতে তাঁর সুপারিশ, জনবহুল জায়গায় লোহার বেড়া দিতে হবে। সম্ভব না হলে রেললাইনজুড়ে সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আইনের কঠোর প্রয়োগ ও ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান তিনি। >>>>>>>>>>> সংগৃহীত

মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ১৫ অক্টোবর

বলাকা ডেস্ক: দেশের ৯৪টি সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের (এমবিবিএস কোর্স) ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে পারে। সেপ্টেম্বর মাসের সব শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার কারণে হল খালি না পাওয়ায় মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক দিনক্ষণ ৭ অথবা ১৫ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও ১৫ অক্টোবর মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে জানিয়েছেন, মেডিকেল কলেজ ভর্তি প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। তবে এ ব্যাপারে আগামী রবিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে ওই কর্মকর্তা জানান।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১৫ অনুসারে- দেশে বর্তমানে ১০০টি মেডিকেল কলেজ (সরকারি ৩০, বেসরকারি ৬৪ ও আমর্ড ফোর্সেস ৬টি) ও ৩৩টি ডেন্টাল (৯টি সরকারি ও ২৪টি বেসরকারি) রয়েছে। এমবিবিএসে মোট আসন সংখ্যা ৯ হাজার ৬৭৯ ও বিডিএসে ১ হাজার ৮৩২টি।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও এ বছর মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অভিন্ন প্রশ্নপত্রে একই দিন একই সময় অনুষ্ঠিত নাও হতে পারে বলে জানা গেছে।

শেষ ধাপে ভোট নেওয়া চলছে

ষষ্ঠ ও শেষ ধাপে আজ শনিবার সকাল আটটা থেকে ৬৯৮টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) ভোট নেওয়া চলছে । গতকাল শুক্রবার চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নির্বাচনী সহিংসতায় একজন নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে নির্বাচনে এ পর্যন্ত নিহত ব্যক্তির সংখ্যা ১০৩–এ পৌঁছাল।

৬৯৮টি ইউপির মধ্যে ২৪টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়ার পথে। চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের করেরহাট ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ও সদস্য পদের সব কয়টিতে মাত্র একজন করে প্রার্থী আছেন।

গত ২২ মার্চ থেকে ইউপি নির্বাচন শুরু হয়। এখন পর্যন্ত পাঁচ ধাপে ৩ হাজার ৩৮৬টি ইউপিতে ভোট নেওয়া হয়েছে। পাঁচ ধাপেই বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্র দখল করে প্রকাশ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে ব্যালট পেপারে সিল মারা, ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ গত ২৮ মে পঞ্চম ধাপের নির্বাচনের দিন ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছিল। গতকাল পর্যন্ত সহিংসতায় ১০৩ জন নিহত হন। আহত কয়েক হাজার।



এর আগে কোনো স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এত প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলছে, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরির অনুরোধ জানিয়ে দফায় দফায় চিঠি দেওয়া হলেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গা করছে না। সর্বশেষ গতকালও সহিংসতা ও প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে কমিশন।

সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম অক্ষুন্ন রাখতে হবে

স্টাফ রিপোর্টার : সংবিধান সমুন্নত সংগ্রামী আইনজীবি পরিষদের উদ্যোগে আজ বিকাল ৩ ঘটিকায় ঢাকা আইনজীবি সমিতি ভবন মিলনায়তনে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম অপরিবর্তীত রাখার অপরিহার্য্যতা শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় সভায় বক্তারা ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এদেশে দ্বীন ইসলামকে দেশের রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে বহাল রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, এদেশ বিশ্বের ২য় বৃহত্তম মুসলিম দেশ। এদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠি মুসলমান। এদেশের মুসলমানরা স্বভাবগতভাবেই ধর্মপ্রাণ ও ধর্মভীরু। যে দেশে ১০লাখ মসজিদ রয়েছে। যেদেশে প্রতি জুমুয়ার জামাতে কোটি কোটি লোকের সমাগম হয়। সেদেশে সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমানদের ধর্ম হিসেবে রাষ্ট্রধর্ম হবে ‘ইসলাম’ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ বর্তমানে বিশ্বের ৫৮টিরও অধিক দেশে সংখাগরিষ্টদের ধর্মকে রাষ্ট্রধর্ম করা হয়েছে। যেমন, খ্রিষ্টান অধ্যুষিত দেশগুলোর মধ্যে আর্জেন্টিনা, স্পেন, পর্তুগাল, ডেনমার্ক, নরওয়ে, ব্রিটেনসহ ২৬টি দেশে ক্যাথলিক ও প্রোটেষ্ট্যান্ট মতবাদ তাদের রাষ্ট্রধর্ম। একমাত্র গ্রীসে অর্থডক্স মতবাদ তাদের রাষ্ট্রধর্ম। আবার ভুটান, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কাসহ ৫টি দেশের রাষ্ট্রধর্ম বৌদ্ধ। কিছুদিন পূর্বেও নেপালের রাষ্ট্রধর্ম ছিল সনাতন বা হিন্দু। অন্যদিকে মুসলিম বিশ্বে ২৭টি দেশের রাষ্ট্রধর্ম হলো ইসলাম। তাই বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ‘ইসলাম’ হওয়াও স্বাভাবিক এবং রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ‘ইসলাম’ বহাল থাকাও স্বাভাবিক।
বক্তারা বলেন, যারা বলে, রাষ্ট্রের কোন ধর্ম নেই, ধর্ম হলো ব্যক্তির, এছাড়া রাষ্ট্রে একাধিক ধর্মাবলম্বিরা রয়েছে ফলে কোন নির্দিষ্ট ধর্মকে প্রাধান্য দেয়া যাবে না। যদি তাই হয়, তাহলে একইভাবে রাষ্ট্রেরও কোন ভাষা থাকতে পারে না। কারন রাষ্ট্র কখনো কথা বলে না। কথা বলে ব্যক্তি। অথচ এদেশে চাকমা-মারমা-সাওতাল- বিহারীসহ বহু ভাষী লোক রয়েছে। তাই রাষ্ট্র ভাষা বাংলা কি বাদ দেয়া হবে? যদি না দেয়া হয় তাহলে রাস্ট্রধর্ম হিসেবেও ‘ইসলাম’ বাদ দেয়া যেতে পারে না।
বক্তারা বলেন, পঞ্চদশ সংবিধান সংশোধনী কমিটির কো-চেয়ারম্যান ছিল সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত। যে সংখ্যালঘুদের নেতা ও প্রতিনিধি। তার নেতৃত্বেই সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী হয়েছে এবং পাশ হয়েছে। সেই পঞ্চদশ সংশোধনীতেও রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রয়েছে। সংখ্যালঘুদের নেতা ও প্রতিনিধি হিসেবে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ‘ইসলাম’ স্বীকার করে নেয়ার পর এটা নিয়ে সংখ্যালঘুদের আর বিতর্কের কোন অবকাশ নেই।

বক্তারা বলেন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে শুধু ইসলামকেই রাষ্ট্রধর্ম করা হয়নি বরং হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ধর্মকেও ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। তাহলে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে শুধু ইসলাম ধর্ম বাদ দেয়ার জন্য মামলা করা আবার অন্যান্য ধর্ম নিয়ে চুপ থাকার রহস্য কি?
বক্তারা বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনী পাশের সময় মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেখানে দুইজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর রাষ্ট্রধর্মের বিরোধীতাও মেনে নেননি (যারা রাষ্ট্রধর্ম প্রবর্তনের সময় তৎকালীন সরকারের মন্ত্রী ছিলেন)  এবং যেটা পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে একটি মীমাংসিত বিষয় সেখানে নতুন করে রাষ্ট্রধর্ম ইস্যু তোলা কি করে গ্রহণযোগ্য হতে পারে?
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় ৮টি দলিলের একটি দলিলেও সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদকে বাংলাদেশের মৌলিক রাষ্ট্রীয় কাঠামো হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি। যেমন, ১৯৫২ সালে ঢাকার আরমানিটোলা ময়দানে অনুষ্ঠিত গণতান্ত্রিক মহাসম্মেলনে গৃহীত খসড়া সাংবিধানিক প্রস্তাবসমূহে, ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে ঘোষিত ২১ দফা কর্মসূচীতে, ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ৬ দফা কর্মসূচীতে, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের ১১ দফা কর্মসূচীতে, ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী মেনিফেস্টোতে, ১৯৭১ সালের ২৩ জানুয়ারি সাবেক রেসকোর্স ময়দানে অনুষ্ঠিত লাখ লাখ লোকের জনসভায় সেই সময়কার জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত সদস্যগণকে পাঠ করানো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের শপথবাক্যে, মুজিব ইয়াহিয়া ও ভুট্টোর মধ্যে ১৯৭১ সালে ১৪ মার্চ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বৈঠকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কর্তৃক পেশকৃত পাকিস্তানের খসড়া সংবিধানে এবং ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে অর্থাৎ বাংলাদেশের জাতীয় ৮টি দলিলের একটি দলিলেও সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদকে বাংলাদেশের মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি। তারপরও বাহাত্তরের সংবিধানে সেগুলো ঢুকানোর কারণে যদি পঞ্চদশ সংশোধনীতেও সেগুলো বহাল রাখা যায় তাহলে ৮ম সংশোধনীতে রাষ্ট্রধর্ম ‘ইসলাম’ ঢুকানোর কারণে সেটাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা কেন? ৮ম সংশোধনীতে রাষ্ট্রধর্ম ‘ইসলাম’ বহাল থাকা যদি অবৈধ হয় তাহলে ৭২’এর সংবিধান এবং পঞ্চদশ সংশোধনীতে সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ বহাল রাখা কি হবে?
পূরণ করেছে। একইভাবে ‘কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন পাশ হবে না” এটাও সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল। কিন্তু এটা এখনো আইনে পরিণত হয়নি এবং জনগণের সেই প্রত্যাশাও এখনো পূরণ হয়নি। যা দুঃখজনক।
বক্তারা আরো বলেন, দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমান সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাকের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রেখেই পাঁচ ওয়াক্ত নামায় পড়ে, রোগ-শোক বা বিপদে আপতিত হলে মহান আল্লাহ পাককে ডাকে, স্বতঃস্ফূর্তভাবে দু’ঈদ পালন করে। এসবের পাশাপাশি সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস-এর অভিব্যক্তি স্বরূপই দেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান প্রতিটি কাজ শুরুর আগে বিসমিল্লাহ বলে। কাজেই বিসমিল্লাহ বলার অর্থই হলো সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস সেটা ব্যক্ত করা। তাছাড়া মুসলমান যদি তার কথা বলার শুরুতে বিসমিল্লাহ বলে তাহলে শেষ কী দিয়ে করে? শেষ করে ইনশাআল্লাহ বলে। যার অর্থ হলো সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস। বঙ্গবন্ধুর ‘এদেশের মানুষকে স্বাধীন করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ’- এ বক্তব্য দেয়ার কারণেই এদেশ স্বাধীন হয়েছে।
বক্তারা আরো বলেন, সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম অন্তর্ভুক্ত করার অর্থ হল- রাষ্ট্রযন্ত্রে ইসলামের প্রাধান্য প্রতিফলিত করা। যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে কী করে সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের মালিক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস উঠানো যেতে পারে! আর উঠালে পঞ্চদশ সংশোধনী কী করে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম হয়েছে বলা যেতে পারে?
বক্তারা আরো বলেন, অর্পিত সম্পত্তি মূলতঃ ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের সময়ের শত্রু সম্পত্তি আইন থেকে এসেছে। পাক-ভারত যুদ্ধের সময় যারা দেশ ত্যাগ ভারতের পক্ষাবলম্বন করেছিল তাদের সম্পত্তিকে ‘শত্রু সম্পত্তি’ গন্য করা হয়। এ যুদ্ধের সময় ভারত কর্তৃক ‘শত্রু সম্পত্তি’ হিসেবে ঘোষিত মুসলমানদের সম্পত্তি এখনো ভারতীয় মুসলমানদের ফেরত দেয়া হয়নি। বর্তমানে শুধু মুম্বাইতে ১৬০০০ শত্রু সম্পত্তি হিসেবে গণ্য মুসলমানদের সম্পত্তি রয়েছে। যা ফেরত পেতে ৫৫০টি মামলা হলেও মুসলমানদেরকে তাদের ভূমি ফেরত দেয়া হয়নি। তাহলে পাক-ভারত যুদ্ধের সময় পাকিস্তান কর্তৃক ‘শত্রু সম্পত্তি’ হিসেবে ঘোষিত সম্পত্তি ‘অর্পিত সম্পত্তি’র মোড়কে বাংলাদেশের হিন্দুরা কিভাবে পেতে পারে? তাছাড়া যুদ্ধকালীন সময়ে দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া বা দেশ ছেড়ে যাওয়া নাগরিকরা সম্পত্তির দাবিদার হতে পারেনা। যারা দেশপ্রেম বাদ দিয়ে শত্রু দেশে আশ্রয় নেয় এবং স্বদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় তারা কিভাবে ভুমি ফেরত পেতে পারে? তাই ‘শত্রু সম্পত্তি’ হিসেবে গণ্য সম্পত্তিকে ‘অর্পিত সম্পত্তি’ হিসেবে গণ্য করা ঠিক হবেনা । এটা এখন সরকারী সম্পত্তি। সরকারকে তা রক্ষা করতে হবে।
বক্তারা বলেন, আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল, মিশরের সিনাই উপত্যকা, সিরিয়ার গোলান উপত্যকা, জর্দান নদীর পশ্চিম তীর ও গাজা, ও কানিত্রা শহরটি দখল অনেক জায়গা দখল করলেও যুদ্ধ শেষে ইসরাইল কোন জায়গা ফেরত দেয়নি। বরং তা ‘শত্রু সম্পত্তি’ হিসেবে গন্য করে। ২য় বিশ্বযুদ্ধে বিবাদমান পক্ষদ্বয়ও এক পক্ষ অন্য পক্ষের ফেলে যাওয়া বা দখল করা সম্পত্তিকে ‘শত্রু সম্পত্তি’ হিসেবে গন্য করে। অনুরুপ পাক-ভারত যুদ্ধের সময় যারা পূর্ব পাকিস্থান থেকে এসব সম্পত্তি ফেলে গিয়েছিল তাদের সম্পত্তিও ‘শত্রু সম্পত্তি’ হিসেবে এটা সরকারী সম্পদ। যা তারা দাবি করতে পারেনা। তাই অর্পিত সম্পত্তি আইন বাতিল করে শত্রু সম্পত্তি আইন পুণর্বহাল করে দেশের লাখ লাখ একর রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা জরুরী। অনুরুপ দেবোত্তর সম্পত্তির নামে মুসলমানদের সম্পত্তি হিন্দুদের হাতে তুলে দিলে তা মুসলমানদের প্রতি বৈষম্য বলে গণ্য হবে। এ বিষয়টিও বিবেচনায় আনতে হবে।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য পেশ করেন, সাবেক বিচারপতি জনাব মোহাম্মদ আব্দুস সালাম (সভাপতি-সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন), প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন, আল্লামা মুহম্মদ মাহবুব আলম, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সম্পাদক- মাসিক আল বাইয়্যিনাত ও দৈনিক আল ইহসান এবং সভাপতি, আর্ন্তজাতিক সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উদযাপন কমিটি ও প্রধান উপদেষ্টা-বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামালীগ, বিশেষ অথিতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, এ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম এমপি, প্রফেসর ডক্টর আলহাজ্ব এম, এম, আনোয়ার হোসেন বিশিষ্ট আইনজীবী-বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, প্রিন্সিপাল-বঙ্গবন্ধু ল কলেজ, ফার্মাসিস্ট আবুল বাশার মুহম্মদ রুহুল হাসান, স্পেশালিস্ট- ব্যুরো ভ্যারিটাস (বাংলাদেশ), বাংলাদেশ প্রতিনিধি- ইসলামিক ক্রিসেন্ট অবজারভেশন প্রজেক্ট (ওঈঙচ), মুনসাইটিং কমিটি ওয়ার্ল্ডওয়াইড প্রমুখ।
সভায় আরো আলোচনা করেন, আহবায়ক এডভোকেট হাসান শহীদ কামরুজ্জামান দুর্বার, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, ডক্টর মুহম্মদ ইউনুছ আলী আকন্দ, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট,  সদস্য সচিব এডভোকেট এস. এম শফিকুল ইসলাম কাজল- বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, মুফতি মাসুম বিল্লাহ, সভাপতি-বঙ্গবন্ধু ওলামা ফাউন্ডেশন, হাফিয মাওলানা আবদুস সাত্তার, সহ-সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামালীগ, এডভোকেট মেসবাহ উদ্দিন সুমন, সাংবাদিক মুহম্মদ আরিফুর রহমান প্রমুখ।

কাপাসিয়ায় প্রবীনদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরামর্শ সভা

শাকিল হাসান : গাজীপুরের কাপাসিয়ায়  ক্রিয়েটিভ মিডিয়া সেন্টারের সহযোগিতায় স¦াস্থ্য অধিদপ্তরের উপজেলা স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর আয়োজনে ২২ মার্চ সকালে কাপাসিয়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে প্রবীনদের স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন শীর্ষক সচেতনতামুলক প্রচারনা বিষয়ক পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দৈনিক সমকালের কাপাসিয়া প্রতিনিধি সঞ্জীব কুমার দাসের সভাপতিত্বে এবং দৈনিক আমাদের অর্থনীতির কাপাসিয়া প্রতিনিধি বেলায়েত হোসেন শামীমের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা: মাসুদ রেজা কবির, মেডিকেল অফিসার ডা: মো: সামসুল হুদা। উপস্থিত ছিলেন দৈনিক যায়যায়দিনের উপজেলা সংবাদদাতা শাকিল হাসান, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের নিজস্ব প্রতিনিধি শেখ শফিউদ্দিন জিন্নাহ, দৈনিক আমাদের সময়য়ের জাকির হোসেন কামাল, দৈনিক সংবাদের সমির বনিক, দৈনিক আজকের জনতার হাজী সাইফুল ইসলাম, দৈনিক সকালের খবরের তপন বিশ্বাস, দৈনিক মানব কন্ঠের মঞ্জুরুল হক, গাজীপুর দর্পনের স্টাফ রিপোর্টার আবদুল কাইয়ুম, বিজ্ঞাপন চ্যানেল সম্পাদক মো: সাইফুল ইসলাম মোল্লা প্রমুখ।

পূবাইল আদর্শ কলেজে যুব সমাবেশ

স্টাফ রিপোর্টার : মঙ্গলবার বাঁচতে শেখার আয়োজনে এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় পুবাইল আদর্শ কলেজ গাজীপুর এ মর্যাদায় গড়ি সমতা প্রচারাভিযান বিষয়ক যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বাঁচতে শেখার  প্রজেক্ট অফিসার মৌলুদা পারভীন এর সভাপতিত্বে উক্ত যুব সমাবেশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পুবাইল আদর্শ কলেজ গাজীপুর এর সম্মানিত অধ্যক্ষ জনাব মো: কইয়ুম খান এছাড়া বিশেষ অতিথি  হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মো: আবুল হাসনাত, উপধ্যক্ষ, সাবিনা হক, বিভাগীয় প্রধান ইসলামের ইতিহাস। পুবাইল আদর্শ কলেজ গাজীপুর। এছাড়া বাঁচতে শেখার ফাইজুল ইসলাম, সহকারী হিসাব রক্ষক ডলি বাড়ৈ, মো: নজরুল ইসলাম প্রজেক্ট ফেসিলিটেটর উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যুবকদের নিজ পরিবার থেকে শুরু করে সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক অংঙ্গনে তাদের ভূমিকা কি এসকল কাজে তারা কিভাবে অবদান রাখতে পারে সেই সকল বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের সচেতন করা হয়। এবং এই বিষয়ে বক্তারা বলেন মাঠ পর্যায়ের সকল শ্রেনীর নারী পুরুষের অধিকার রক্ষায় বিশেষ করে নারীর মানবাধিকার সুরক্ষায় মর্যাদায় গড়ি সমতা বিষয়ক জেন্ডার ভিত্তিক  বিষয় গুলো সর্ব সাধারনের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য জোর দাবী জানান।

কালিয়াকৈরে এক পরিবারকে উচ্ছেদ ও নির্যাতনের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার : গত মঙ্গলবার গাজীপুর রাজবাড়ী সড়কে গাজীপুর জেলাধীন কালিয়াকৈর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের বিশ্বনাথ শীল ও তার স্ত্রী চম্পা রাণী শীলকে বসতভিটা হতে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে শারীরিক নির্যাতন করায় এলাকাবাসীর উদ্যোগে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি সুশীল কোচ এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন গাজীপুর জেলা জজ কোর্ট এর আইনজীবী অ্যাড. আসাদুল্লাহ বাদল, গাজীপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান, বাংলাদেশ আদিবাসী জোট কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী রুবেল মন্ডল, আদিবাসী জোট নেতা রূপচান বর্মন, ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামলী লীগ সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম (আজিজ), যুবলীগ সভাপতি মো: ইব্রাহিম সিকদার প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন গাজীপুর জেলা আদিবাসী জোট নেতা পাভেল সরকার। বক্তারা অনতিবিলম্বে বিশ্বনাথ শীলের দায়েরকৃত এজাহারটি নথিভূক্ত এবং আসামীদের গ্রেফতার পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবি জানান। পরে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, গাজীপুর জেলা শাখার সভাপতি অ্যাড. নির্মল মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক ঠাকুর দাস মন্ডল ও আদিবাসী নেতা দীনেশ কিশোর বর্মন এর নেতৃত্বে গাজীপুর জেলা প্রশাসক মহোদয়ের অনুউপস্থিতিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মহোদয়ের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। 
উক্ত মানববন্ধনে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক এবং স্থানীয় এলাকার প্রায় দুইশতাধিক নেতৃবৃন্দ ও জনসাধারণ অংশগ্রহণ করেন।

গাজীপুরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের র‌্যালী ও আলোচনা

স্টাফ রিপোর্টার :  ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৪১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুরে বর্ণাঢ্য র‌্যালী , পুরষ্কার বিতরন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে গাজীপুর ইসলামিক ফাউন্ডেশনে র‌্যালীত্তোর আলোচনা সভায় প্রধান মেহমান হিসাবে গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: মাহমুদ হাসান উপস্থিত ছিলেন।
গাজীপুর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আলোচক ছিলেন সাংবাদিক মুহা: বেলাল হোসেন, গাজীপুর আনছার ভি.ডি.পি‘র সাবেক উপ-পরিচালক মো: দেলোয়ার হোসেন, এস.ডি.পি’র নির্বাহীর পরিচালক আফসানা ইয়াসমিন, স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা প্রমূখ।
সভায় বক্তাগণ শিশুদের ধর্ম নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৪১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে নেয়া সকল কর্মসূচি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আলোচনা শেষে ২০১৫ শিক্ষাবর্ষে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের মাঝে পবিত্র কোরআন শরিফ পুরষ্কার প্রদান করা হয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশণ গাজীপুরের উদ্যোগে সারা জেলায়  সভা ও র‌্যালীতে জেলার প্রায় সকল মসজিদ ভিত্তিক মক্তব সমূহে অধ্যয়নরত কোমলমতি ছাত্র/ছাত্রী, শিক্ষক ও সূধী সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশ নেন।

ব্যাংক কর্মকর্তা হত্যার বিচার দাবীতে বিক্ষোভ মানববন্ধন

ফজলুল হক বাদল : গাজীপুরে সদ্য অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন হত্যাকান্ডে জড়িতদের শা
ন্তি দাবিতে মঙ্গলবার গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এলাকাবাসী।
নিহত গিয়াস উদ্দিন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের শরীফপুর সোন্ডা এলাকার মৃত সিরাজ উদ্দিন খানের ছেলে। স্ত্রী সন্তান নিয়ে গিয়াস উদ্দিন শহরের বরুদা এলাকায় নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন। তিনি সোনালী ব্যাংকের মুখ্য আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রিন্সিপাল অফিসার ছিলেন। 
গত ১৮ মার্চ রাত ১১টার দিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বরুদার বাড়িতে ব্যাংক কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিনকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় তার স্ত্রী জাহানারা বেগম (৫০), ছেলে শাহরিয়ার মানিক (৩০) ও শ্যালিকা পারভিন আক্তারকে (৪০) আটক করেছে পুলিশ।

গাজীপুরের অনন্ত গ্রুপের ওয়াশিং কারখানায় এসি বিস্ফোরণে দগ্ধ-৩

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুর  মহানগরীতে অনন্ত  গ্রুপের একটি ওয়াশিং কারখানায় এসি মেরামতের সময় বিস্ফোরিত হয়ে তিনজন দগ্ধ হয়েছে। এরা হলেন, রফিকুল ইসলাম (৩৫), তানভির আহমেদ রুমন (২৬) ও আব্দুর রউফ (৩০)। তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 
কারখানার সিনিয়র অ্যাডমিন অফিসার নুরুন্নবী জানান, জয়দেবপুরের তারগাছা এলাকায় অনন্ত গ্রুপের ওয়াশিং কারখানায় এসি মেরামত করতে আসেন ইলেক্ট্রমার্ট কো¤পানির রফিকুল ও তানভির নামের দুজন ইঞ্জিনিয়ার। তাদের সাথে কারখানার সিনিয়র ইলেট্রিশিয়ান রউফও ছিলেন। মেরামতকালে হঠাৎ বিকট শব্দে  এসিটি বিস্ফোরিত হয়। আগুনের কুলিতে তারা তিনজনই দগ্ধ হন। পরে তাদের কো¤পানির গাড়িতে করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে নিয়ে আসা হয়। তাদের দুই হাত, গলার নিচে ও মুখ মন্ডল পুড়ে গেছে। তিন জনেরই শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ করে পুড়ে গেছে। তবে তারা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।

গাজীপুর শহরে মহানগর ছাত্রদলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত

 আজ গাজীপুর শহরে মহানগর ছাত্রদলের উদ্যোগে বি.এন.পি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এর সকল মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এবং গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এর জননন্দিত মেয়র আলহাজ্ব অধ্যাপক এম. এ মান্নান এর মুক্তির দাবীতে গাজীপুর মহানগর  ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সদস্য মাহমুদ হাসান রাজুর নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি গাজীপুর শহরের রাজবাড়ী রোড হয়ে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে দিয়ে জয়দেবপুর বাজার প্রদক্ষিণ করে গাজীপুর বাসষ্ট্যান্ডে এসে শেষ হয়। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন মাহমুদ হাসান রাজু, এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদল নেতা শিপলু বকশী, ছাত্রনেতা রোহানুজ্জামান শুক্কুর, সাইফুল ইসলাম শামীম, জাফর ইকবাল জনি, রানা নাসের শিবলী, রাজু আহম্মেদ জয়, ইকবাল খান, মাসুদ রানা, নজরুল ইসলাম, ইমরান হোসেন টুটুল, মামুন শেখ, শফিক, ইউসুফ, সুজন, ইকবাল, নিয়ান, জাহিদ, ইব্রাহিম, মাসুম, সাগর, ফুয়াদ হাসান শরীফ প্রমুখ।

ইংলিশ বিতর্ক ও উপস্থাপনা প্রতিযোগীতায় চেম্পিয়ান গাজীপুর বিজ্ঞান কলেজ

স্টাফ রিপোটার্স: টেলেন্টহাট এর আয়োজনে ইংলিশ বিতর্ক ও উপস্থাপনা প্রতিযোগীতায় - ২০১৫ গত কাল গাজীপুরের সোনারতরি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগীতায় গাজীপুর জেলার বিভিন্ন কলেজ অংশগ্রহন করে। ফাইনাল রাউন্ডে আংশ গ্্রহনের গৌরব অর্জন করে ‘গাজীপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড কলেজ’ এবং ‘গাজীপুর বিজ্ঞান কলেজ’। ফাইনাল রাইন্ডে গাজীপুর বিজ্ঞান কলেজ জেলা চেম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করে। গাজীপুর বিজ্ঞান কলেজ থেকে ইংলিশ বিতর্ক ও উপস্থাপনা প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহণ করে একাদশ শ্রেনির ছাত্র সোহেল রানা (বিজ্ঞান বিভাগ) মো: সাজ্জাত হোসাইন (বিজ্ঞান বিভাগ) এবং জুলেখা আক্তার জুই (ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ)। অনুষ্ঠানে ‘গাজীপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড কলেজ’, ‘গাজীপুর বিজ্ঞান কলেজ’ এবং টেলেন্টহাট এর প্্রভাষক, কর্মকতা ও কর্মচারি উপস্থিত ছিলেন।

আত্মঘাতী সংঘাত যেন আর না হয় : বিজিবিকে প্রধান মন্ত্রী

বিজিবি দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা .
মনির শিকদার : 
বিজিবি বিদ্রোহের মতো আত্মঘাতী সংঘাতের পুনরাবৃত্তি এড়াতে ও সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সদস্যদেও ও সতর্ক  থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পিলখানা বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডের বিচার কওে বর্ডারগার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বাহিনীতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এই বাহিনী কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। তিনি আশা করেন, বিজিবির অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে কখনো এ ধরনের আত্মঘাতী  সংঘাত যেন সৃষ্টি না হয় সেজন্য বিজিবির সদস্যদেও ও সদাসতকর্ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
আজ রোববার বিজিবি দিবস উপলক্ষে পিলখানায় বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বিজিবিকে দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশ যাতে বিশ্বে মর্যাদার সঙ্গে চলতে পারে, সেভাবে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান।
বক্তব্যেও শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালীন ইপিআরের দুঃসাহসী ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। সে সময় নিহতদে ও প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানার বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডকে ইতিহাসের কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত কওে শেখ হাসিনা বলেন,  তাঁকে সেই ন্যক্কারজনক পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয়েছিল। সবার সহযোগিতায় সেদিনের সেই সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছিল। পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি। তিনি বলেন, সেই বিদ্রোহে জড়িত বিজিবির উচ্ছৃঙ্খল সদস্যদের শাস্তি   দেওয়া হয়েছে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার করে বিজিবিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বাহিনী কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। ভবিষ্যতে এ রকম আত্মঘাতী সংঘাত যেন না হয়, সে জন্য বিজিবির সদস্যদের সদা সতর্ক থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
সীমান্তে দায়িত্ব পালনে বিজিবি আগের চেয়ে অনেক বেশি সফলতা অর্জন করেছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, চোরাচালান, নারী ও শিশু পাচার কমেছে। ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সঙ্গে বন্ধুত্বপূণর্ সম্পর্ক হয়েছে।
 বিজিবিকে আধুনিক করতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন,  প্রথমবারের মতো ১০০ নারী সদস্যকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিজিবিতে আর ও সদস্য নিয়োগ, বেতন-ভাতা বাড়ানো, ভিডিও কনফারেন্স, বিওপি, সোলার প্যানেল,  বিএসএফ ও বিজিবির সম্পর্ক উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ,  বিশেষ কওে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বিনিময় সহ সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ নিজের পায়ে দাঁড়াবে, মর্যাদার সঙ্গে চলবে। সেভাবেই সরকার কাজ কওে যাচ্ছে। তিনি দৃঢ়কণ্ঠে বলেন, বিজয় অর্জনকারী জাত কারও কাছে মাথানত করবে না। ২০২১ সালে দেশ মধ্যম আয়ের দেশ হবে। ২০৪১ সালেবাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ায় উন্নত সমৃদ্ধ দেশ।

স্বাধীনতার ৪৪ বছর পরও জামায়াতের রাজনীতি করার অধিকার কতটা যুক্তি সঙ্গত

কি অদ্ভুত আমরা! কি অদ্ভুত আমাদের রাষ্ট্রযন্ত্র!

॥ এম.এ ফরিদ ॥
স্বাধীনতার ৪৪ বছর অতিক্রান্ত হলেও এখনো পরাজিত শক্তি আমাদের পিছু ছাড়েনি। ত্রিশ লাখ শহিদের রক্ত ও ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানীর বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের প্রিয় স্বাধীনতা। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ি যুদ্ধের মাধ্যমে ৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিকাল ৪.৩১ মিনিটে হানাদার বাহিনী আমাদের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। ঐতিহাসিক সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানে ঘাতকরা বাধ্য হয় মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করতে। এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ ৪৪টি বছর। অনেক আশা-ভরসা নিয়ে বাঙ্গালী জাতী পশ্চিমা হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছিল। দীর্ঘ ৪৪ বছর পরও বাঙ্গালী জাতী মুক্তি পেয়েছে কি না তা নিয়ে এখনও হিসেব কষতে হচ্ছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করার মধ্য দিয়ে এদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় সামরিক শাসকরা অধিষ্ঠিত হয়। জেনারেল জিয়া অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের মধ্য দিয়ে এদেশে সামরিক শাসনের গোড়াপত্তন শুরু করে। জেনারেল জিয়া ক্ষমতা গ্রহনের পর রাজাকারদের পূনর্বাসন করার মধ্য দিয়ে এদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করে গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছিলেন। জেনারেল জিয়া রাজাকারদের শুধু পূনর্বাসনই করেননি, তিনি রাজাকারের দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে এদেশে রাজনীতি করার পূর্ণ স্বাধীণতা দিয়েছিলেন। ফলশ্রুতিতে স্বাধীনতা বিরোধী চক্রটি রাজনীতি করার সুযোগ পেয়ে আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদেরকে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে বক্তব্য দিত। এর পরবর্তীতে বেগম জিয়া ও সাবেক সামরীক শাসক জেনারেল এরশাদও রাজাকারদের পূনর্বাসন কাজে নিজেদেরকে উৎসর্গ করেছিলেন। একটা সময়ে বিএনপির সহযোগীতায় কুখ্যাত রাজাকাররা মন্ত্রিত্ব লাভ করে এবং পবিত্র জাতীয় পতাকাকে তাদের গাড়ীতে ব্যবহার করার মাধ্যমে লাখ শহিদের আত্মার সঙ্গে তামাশা করে। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে রাজাকার, আল বদর, আল শামস্দের বিচারের ব্যবস্থা করেন। সরকার, যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধীর অভিযোগ রয়েছে তাদের জন্য আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল আদালত গঠন করেন। ইতোমধ্যে জামায়াতের প্রথম সারির নেতাদের বিরুদ্ধে মহামান্য ট্রাইব্যুনাল সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করেছেন এবং জামায়াত যে একটি সন্ত্রাসী দল সে বিষয়েও মহামান্য আদালত ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। জামায়াত একটি সন্ত্রাসী দল এ বিষয়ে কারো কোন দ্বিমত থাকার কথা নয়। তাহলে কেন এখনো যুদ্ধাপরাধীর দল জামায়াতের বিচার করা হচ্ছে না। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে জামাতের কর্মকান্ড সম্পর্কে কি আমরা তাহলে ভুলে যেতে বসেছি। জাতীর জনকের সু-যোগ্য কণ্যা দেশ রতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার যদি জামায়াতের বিচারের ব্যবস্থা না করতেন তাহলে আর কোন সরকার এদের বিচার করবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। লাখো শহিদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা নিয়ে বলতে চাই এদেশে জামায়াতের রাজনীতি করার কোন অধিকার নেই। ওরা হয়তো এখন রাজনৈতিক ভাবে কোনঠাসা অবস্থায় রয়েছে কিন্তু সময় সুযোগ বুঝে আবার ওরা মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে না এমনটা ভাবা বোকামী ছাড়া আর কিছুই নয়। গত ১৬ই ডিসেম্বরে চট্রগ্রাম কলেজে শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে আসার পর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে এমনটিই আভাস দিল জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবির। কত বড় ধৃষ্টতা সম্পন্ন কাজ করেছে ওই ছাত্র শিবিরের কর্মীরা। এত বড় সাহস ওরা কি করে পেল। এদের পিছনে কোন অদৃশ্য শক্তি রয়েছে কি না সে বিষয়ে খতিয়ে দেখা জরুরী বলে মনে করেন এদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি গুলো। হানাদার পাকিস্থানীদের দোসর হিসেবে খ্যাত এই রাজাকারের বাচ্ছাদের কারনেই স্বাধীনতার যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হয়েছিল। ওদের কারনেই এত রক্ত, এত ইজ্জত আমাদের খোয়াতে হয়েছিল। আজকে আমরা অনেক পরিপক্ক। আজ আমাদের হারানোর কিছু নেই। আমরা ওই সকল নরপিশাচদের দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছি। মাঠে-ময়দানে যেখানেই ওদের পাওয়া যাক না কেন আমরা ওদের গণধোলাই এবং দিগম্বর করে ছেড়ে দিব। সরকারের কাছে একটাই প্রত্যাশা নরপিশাচদের বিচারের পাশাপাশি সন্ত্রাসী দল হিসেবে জামায়াতের বিচারও করতে হবে। আইন করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে হবে। এদেশে জামাতের রাজনীতি করার কোন অধিকার নেই। সরকার যদি জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে ব্যর্থ হয় তবে আমরা নতুন প্রজন্মের একজন  যোদ্ধা হিসেবে আমরাই ওদের এদেশে নিষিদ্ধ ঘোষনা করব এবং তলপি-তলপা সহ পাকিস্থানে পাঠিয়ে দিতে বাধ্য হব। জয় বাংলা। 

গাজীপুরে স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুরের কালিয়াকৈরে রোববার বিকেলে স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতরা হলো- নির্মাণ শ্রমিক  বিল্লাল হোসেন (৩০) ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী মর্জিনা আক্তার (২৫)। 
নিহত বিল্লাল রংপুর জেলার কতোয়ালী থানার ভালুয়াপাড়া গ্রামের নাজির হোসেনের ছেলে। মর্জিনার ঠিকানা জানা যায়নি। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির মালিক কাদনী বেগম, তার ভাই মজনু মিয়া, নিহত বিল্লালের প্রথম স্ত্রী আসমা বেগম ও তার ভাবি আনিছা বেগমকে থানায় আনা হয়েছে।
কালিয়াকৈর থানা সূত্র জানায়, বিল্লাল প্রথম স্ত্রী আসমা খাতুনের অনুমতি না নিয়ে ১৭ ডিসেম্বর মর্জিনা আক্তারকে বিয়ে করে। বিল্লাল তার প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে স্থানীয় বাদশা মিয়ার ভাড়া বাড়িতে পাশাপাশি ঘরে থাকতো। এ নিয়ে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। 
রোববার বিকেলে বাড়ির লোকজন বিল্লালের শোবার ঘরের ধর্নার সঙ্গে গলায় মাফলার প্যাচানো অবস্থায় স্বামী এবং ওড়না প্যাচানো অবস্থায় স্ত্রীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে লোকজন তাদের উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষনা করেন। খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ রোববার রাত পৌণে ৮টার দিকে ওই দুইজনের লাশ উদ্ধার করে। 
নিহত বিল্লালের প্রথম স্ত্রী আসমা খাতুন জানান, আমি বাপের বাড়ি বেড়াতে গেলে স্বামী তার অনুমতি ছাড়াই গত ১৭ ডিসেম্বর মর্জিনা আক্তারকে বিয়ে করে বাদশা মিয়ার বাড়িতে উঠেন। তার দাবি তারা দুইজনেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

শ্রীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু নিহত

সুশীল চন্দ্র পাল : গাজীপুরের শ্রীপুরস্থ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ২নং সিএন্ডবি বাজারে রাস্তা পাড় হতে গিয়ে রুবেল (৮) নামের এক শিশু মৃত্যু বরণ করেছে। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিহত রুবেল সিলেটের দুয়ারাবাজার উপজেলার আছির নগর এলাকার কবিরখালি গ্রামের এনামুল হকের ছেলে। 
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান- ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক পারাপার হওয়ার সময় দ্রুতগামী একটি কাভার্ড ভ্যান শিশুটিকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। 
এ ঘটনায় স্থানীয় জনতা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক এক ঘণ্টা অবরোধ করে রাখে। অবরোধে মহাসড়কের উভয় পাশে দুই কিলোমিটার এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে মাওনা হাইওয়ে থানা পুলিশ তাদের সরিয়ে দিলে  যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। 
মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলালুল ইসলাম জানান, ঢাকাগামী কাভার্ড ভ্যান চাপায় শিশু নিহতের ঘটনায় স্থানীয় জনতা ঘাতক কাভার্ড ভ্যান ও চালককে আটক করেছে।
আটককৃত চালক নোয়াখালীর শ্যামবাগ উপজেলার মনির আহমেদের ছেলে সাখাওয়াত হোসেনকে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।

শ্রীপর পৌরসভায় জাপার মেয়র প্রার্থী নেই

কামাল হোসেন বাবুল : গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর নির্বাচনে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির প্রার্থী চুড়ান্ত হলেও মেয়র পদে প্রার্থী নেই জাতীয়
পার্টির। ৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার শ্রীপুর পৌর নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ তারিখ হলেও জাতীয় পার্টি মেয়র পদে কোন মনোনয়ন পত্র জমা দেননি।
এ বিষয়ে গাজীপুর জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি নুরুল ইসলাম জানান- কেন্দ্র থেকে কয়েকদিন আগে জাতীয় পার্টির মেয়র পদে প্রার্থীর তালিকা চাওয়া হয়েছিলো। আমি আগামীতে সংসদ নির্বাচন করবো। তাই পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হবো না। আমাদের শ্রীপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. আফতাব উদ্দিন শারীরিকভাবে অসুস্থ ও আর্থিক সংকটের কারণে মেয়র পদে প্রার্থী হবেন না বলে জানিয়েছেন।
এদিকে, শ্রীপুর পৌর নির্বাচনে জাতীয় পার্টিতে কোনো প্রার্থী না থাকায় সাধারণ নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দলীয় প্রার্থী না থাকায় তৃণমূলে রয়েছে ধোঁয়াশা।

গাজীপুরে মাদক বিরোধী গণসচেতনতা মূলক কর্মসূচী

মোঃ বায়েজীদ হোসেন : “মাদককে না বলুন” মাদক বিরোধী গনসচেতনতা মূলক কর্মসূচীতে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়, গাজীপুর এর উদ্যোগে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, অভিভাবক ও সাংবাদিকসহ মাদক বিরোধী আলোচনা সভা গত ২১ নভেম্বর শনিবার সকাল ১০টা গাজীপুর শহরের বি.আই.ডি.সি রোডে অবস্থিত গাজীপুর বিজ্ঞান কলেজে অনুষ্ঠিত হয়। কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল-মামুন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়, গাজীপুর এর সহকারী পরিচালক নাছির উল্লাহ ভূইয়া। এসময় তিনি মাদকের কুফল সম্পর্কে জনগনকে সচেতন করে তোলা এবং মাদক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সর্বস্তরের জনগনকে মাদক বিরোধী গনসচেতনতা মূলক কর্মসূচীতে অংশ গ্রহনের আহব্বান জানান। বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোঃ রোমান শাহ্ আলম, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ বায়েজীদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মোঃ মকবুল হোসেন, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন কার্যালয়, গাজীপুর এর পরিদর্শক মোঃ খোরশেদ আলম। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক নওরোজ পত্রিকার ফটো সাংবাদিক ইলিয়াস আপন, উপ-পরিদর্শ মোঃ মাহবুবুল আলম ভূইয়াসহ জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন, কার্যালয়ের সকল কর্মকর্তাবৃন্দগন। অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন, গাজীপুর বিজ্ঞান কলেজের ছাত্রী আদিবা বিনটে আলম (রোদ্রী) ও তাসিন।

কালীগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস-প্রাইভেটকার মুখোমুখি সংঘর্ষ আহত ৩০

কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রাইভেটকার-যাত্রীবাহী বাস মুখোমুখি সংঘর্ষে কমপেক্ষ ৩০ জন আহত হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুর আড়াইটায় উপজেলার শিমুলীয়া নামকস্থানে এ সড়ক দূর্ঘটনাটি ঘটে। আহতদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 
কালীগঞ্জ থানার পিএসআই মো. আশিকুজ্জামান স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার শিমুলীয়া এলাকা দিয়ে একটি প্রাইভেটকার (ঢাকা মোট্রা গ-১৭-০৫১২) গাড়ী টঙ্গী অভিমুখে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে রং সাইড হয়ে বেপরোয়া গতির ভৈরবগামী বাদশা পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো ব-১৪-১০৪৫) একটি যাত্রীবাহী বাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাদশা পরিবহনের গাড়ীটি উল্টে রাস্তার পার্শ্বের খাদে পড়ে যায় এবং প্রাইভেটকারের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ওই দু’টি গাড়ীর ৩০ জন যাত্রী আহত হয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ঢামেক হাসপাতাল, টঙ্গী ও গাজীপুরের বিভিন্ন ক্লিনিকে পাঠান। তিনি আরো জানান, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ৫ জনকে ঘটনাস্থল থেকে ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। এর মধ্যে ওই প্রাইভেটকার চালকও রয়েছে।   
কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত ডাক্তার মনিরা বেগম জানান, সড়ক দূর্ঘটনায় কমপ্লেক্সে মোট ১২ জন রোগী এসেছে। এদের মধ্যে বি-বাড়ীয়ার আলী নগর উপজেলার মারিয়া (১২) নামের এক শিশুর অবস্থা গুরুতর দেখে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যদিকে গাজীপুর সদর থানার পন্ডিত (৬৮) ও সালেমাকে (৭০) কমপ্লেক্সে ভর্তি রাখা হয়েছে। এছাড়া বাকী ৯ রোগী চিকিৎসা সেবা নিয়ে বাড়ী ফিরে গেছেন। 

আহতরা হচ্ছেন- চাঁদপুর ফরিদগঞ্জের রিয়াজ উদ্দিন (২৮), আমজদ হোসেন (১৮), নজরুল ইসলাম (১৮), মাইনুদ্দিন (২৬), গাজীপুর কালীগঞ্জের ঈশ্বরপুর গ্রামের প্রকাশ (১৮), একই উপজেলার জামালপুর গ্রামের মাসুম (১৮), কুমিল্লার গোপালপুরের রহিমা (৪০), নরসিংদী সদর থানার মুকুল (৩৫), রাইসুল (১০)। বাকীদের বিভিন্ন ক্লিনিকে পাঠিয়ে দেওয়ার কারণে পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।    
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মুস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, দুর্ঘটনার কবলিত গাড়ি দু’টি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। 

গাজীপুরের প্যারেড আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার প্যারেড ইন্টারন্যাশনাল আবাসিক হোটেল অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধে হোটেল স্থায়ীভাবে বন্ধ করার জন্য জেলা প্রসাশকের নিকট আবেদন জানিয়েছেন এলাকাবাসী। গত ১৯ নভেম্বর বিকেলে গাজীপুর মহানগর প্রেসক্লাবে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকাবাসীর পক্ষে মো. জয়নাল আবেদীন অভিযোগ করে বলেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পশ্চিম পার্শ্বে চান্দনা চৌরাস্তায় নূর প্লাজার ৩য় এবং ৪র্থ তলায় প্যারেড ইন্টারন্যাশনাল আবাসিক হোটেল খারাপ প্রকৃতির মেয়েদের দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছে। এই বিল্ডিংয়ের ২য় তলায় বেসিক ব্যাংক ও আন্ডারগ্রাউন্ডে এম.এ.টি হাসপাতাল এবং পাশেই রয়েছে ইম্পোএঞ্জেল স্কুল। হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত খদ্দের ও মেয়েদের আনাগোনার কারনে ব্যাংক, হাসপাতাল ও স্কুলে আগত অভিভাবক, কোমলমতি ছাত্রছাত্রী, রোগি এবং ব্যাংকে আগত গ্রাহকদের মারাত্মক ব্যাঘার সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ করেন। ইতিপূর্বে বেসিক ব্যাংক গাজীপুর চৌরাস্তা শাখা নিরাপত্তা চেয়ে গাজীপুর পুলিশ সুপারের নিকট আবেদন করে। পরবর্তিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর চিফ জ্যুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রেবেকা সুলতানা নিজে ২/৩বার হোটেলটি বন্ধ করে সিলগালা করে দেন। বন্ধের কিছুদিনের মধ্যেই হোটেল মালিক ইয়াছিন, ম্যানেজার অরুন, কর্মচারি বলাই চন্দ্র, মধু মিয়া পরস্পর যোগসাজসে পুনরায় হোটেলটি চালু করে আগের মতোই অসামাজিক কার্যকলাপ চালাতে থাকে। এ ব্যাপারে প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অভিযোগটি জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত অভিযোগ করার পরামর্শ দেন। এর প্রেক্ষিতে তারা জেলা প্রশাসকের নিকট অভিযোগটি দায়ের করেন। লিখিত অভিযোগে এলাকাবাসীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন জিসিসি ১৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মোছলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসা, গাজীপুর মহানগর প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন সরকার, বেসিক ব্যাংক গাজীপুর চৌরাস্তা শাখার ম্যানেজার খালেকুজ্জামান তালুকদার, গাজীপুর মহানগর প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি এম.আমজাদ খান,  ইম্পো এঞ্জেলস্ স্কুলের প্রধান শিক্ষক খন্দকার সোলায়মান, ইঞ্জি. নুরুল হক, আসকের উপ-পরিচালক মিলন সারোয়ার, গাজীপুর ডাইরেক্টরীর সহকারি সম্পাদক তারেক রহমান জাহাঙ্গীর, মহানগর প্রেসক্লাবের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমূখ।

কাপাসিয়ায় যৌতুকের দাবীতে স্ত্রী নির্যাতনের শিকার

কাপাসিয়া ব্যুরো অফিস : গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার কড়িহাতা গ্রামের কৃষক আলফাজ উদ্দিনের কন্যা ২ সন্তানের জননী  তাহ্মিনা (৩০) যৌতুকের দাবীতে স্বামী ফারুক হোসেন কর্তৃক অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। 
কাপাসিয়া থানায় দায়েরকৃত লিখিত অভিযোগে জানা যায়, গত প্রায় ১০/১২ বছর আগে উপজেলার রায়েদ ইউনিয়নের দেওনা উত্তর পাড়া আব্দুস ছাত্তারের পুত্র ফারুকের (৪৬) সাথে তাহমিনার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই নানা ভাবে যৌতুকের জন্য চাপ সৃষ্টি করে এবং শারিরিক ও মানষিক ভাবে নির্যাতন করে। পিতা তার কন্যার সুখের কথা চিন্তা করে একাধিক বার ফারুককে কিছু টাকা দেয়। সম্প্রতি বিদেশ যাবার নাম করে ২ লাখ টাকা পিতার নিকট থেকে এনে দেবার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। এতে তাহমিনা অপারগতা প্রকাশ করলে গত ৯ নভেম্বর তার স্বামী ফারুক, তার পিতা- আঃ ছাত্তার (৭০), দোলেনা বেগম (৫০), আবুল কালাম (৩২), ছালমা (২৫) তাকে চুলের মুঠি ধরে লাঠি দিয়ে পিটাইয়া ও কিল ঘুষি, লাথি মেরে মারাত্বক ভাবে আহত করে। পরে খবর পেয়ে পিতার বাড়ির লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। এ ব্যাপারে তাহমিনা বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে কাপাসিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। এ ব্যাপারে ফারুকের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি। 

গাজীপুরে বিএনপি-জামায়াতের পাঁচ শতাধীক নেতা-কর্মী আটক

পুলিশের বিশেষ অভিযান

স্টাফ রিপোর্টার : নাশকতার আশঙ্কায় গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিএনপি ও জামায়াতের পাঁচ শতাধীক নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। 
রোববার দুপুরে গাজীপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পুলিশ সুপার মোঃ হারুন অর রশীদ পিপিএম (বার) এ তথ্য জানান। 
পুলিশ সুপার বলেন- দেশের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নাশকতা রোধে পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনী যৌথ অভিযান পরিচালনা করে গত কয়েকদিনে প্রায় ৫ শতাধিক বিএনপি ও জামায়াত নেতা-কর্মীকে আটক করে। তিনি আরো বলেন- এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। 
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সুলাইমান, মিজানুর রহমান, সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ সবুর, টঙ্গী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ তালুকদার, কাপাসিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আহসান উল্লাহ, ডিবি ইন্সপেক্টর আলম চাঁদ, ডিএসবি ইন্সপেক্টর মমিনুল ইসলাম সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। 

গাজীপুরে মাদক ব্যবসায়ী ইসমাইলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সুশীল চন্দ্র পাল : গাজীপুর মহানগরের উত্তর খাইলকুরের আব্দুল আলীর ছেলে ইসমাইল হোসেন (৫০) কে মাদক ব্যবসার অপরাধে রোববার সকালে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ ফজলে এলাহী ভূঁইয়া ওই রায় প্রদান করেন। 
আদালত সূত্রে জানাযায়- ২০১১ সালের ২৯ জানুয়ারি ইসমাইল হোসেনের ঘর থেকে ঢাকার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বস্তায় ভর্তি ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে। ওই সময় তারা মাদক ব্যবসায়ী ইসমাইলকেও হাতেনাতে আটক করে।
পরে ঢাকা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক একেএম কামরুল ইসলাম বাদী হয়ে ইসমাইল হোসেনকে আসামি করে জয়দেবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শহিদুল কবীর ওই বছরের ৪ মার্চ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত রোববার ইসমাইল হেসেনকে 

টঙ্গীতে পিস্তলসহ যুবক আটক

স্টাফ রিপোর্টার : শনিবার রাতে গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী থেকে বিদেশী পিস্তলসহ এক যুবকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। 
টঙ্গীর এরশাদ নগর এলাকার নান্নু মিয়ার ছেলে ফারুক মিয়া (২৫) অস্ত্রের ব্যবসা করে, এমন গোপন খবর পেয়ে শনিবার রাত অনুমান ১০টার দিকে ক্রেতা সেজে পুলিশ আউচ পাড়ায় যায়। তারা সাড়ে ৩ লাখ টাকা দরদাম ঠিক করে অস্ত্রটি হাত বদলের সময় ১ রাউন্ড গুলি ভর্তি বিদেশী পিস্তলসহ ফারুক মিয়াকে আটক করে।
থানা পুলিশ জানায়- ফারুক স্থানীয় তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী সুমনের সহযোগী হিসেবে কাজ করতো। শনিবার রাতে তার তিনটি পিস্তল ও গুলি বিনিময় করার কথা ছিলো। রাতেই টঙ্গী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কোনাবাড়ীতে আমবাগ রাস্তা ড্রেনে পরিনত

এম.এম মান্নান, গাজীপুর সিটি পশ্চিম : গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এর (৮নং ওয়ার্ড হইতে ১০নং ওয়ার্ড) নতুন বাজার হইতে আমবাগ রাস্তা চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। রাস্তার মাঝে বড় বড় গর্ত হওয়ায় পানি জমে বিশাল ড্রেনের রুপ ধারন করেছে। যার ফলে দুর্ভোগে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। স্কুলে যেতে পারছেনা ছাত্র-ছাত্রীরা, রাস্তার দুই পাশে শতশত গোডাউন আর মার্কেটের ব্যবসায়ীরা কোটি কোটি টাকার লোকশান গুনছে। প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনা, বিঘœ হচ্ছে গাড়ী চলাচলে। যার ব্যাপক প্রভাব ব্যবসায়ীদের উপর পড়ায় স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ রাস্তা সংস্কারের আবেদন করার জন্য মুন্সি এম. এইচ লিংকন, মকবুল হোসেন (অপু), আজীজুল হাকিম মোল্লা, ফারুক সরকার, রাসেল চৌধুরী, নুর ইসলাম চৌধুরী, মোঃ কাশেম মিয়া, মোঃ রাজ্জাক মিয়া, আনোয়ার পারভেজ, আওয়ামীলীগ নেতা ১০নং ওয়ার্ড, সহ মার্কেটের বিভিন্ন দোকানদার, জুট ব্যবসায়ী সহ নেতৃবৃন্দ ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব মোঃ সেলিম রহমান এবং ১০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ খলিলুর রহমান এম.এ এর সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা করেন। ইউনিটি ফর ইউনিভার্স হিউম্যান রাইটস্ নামক মানবাধিকার সংস্থার গাজীপুর মহানগর কমিটির চেয়াম্যান জনাব সৈয়দ আশরাফুজ্জামান ঠান্ডু, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নুর ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান এফ এম সিফাত হোসেন বাচ্চু, সচিব মোঃ নজরুল ইসলাম, সহঃ সচিব মোঃ সালাউদ্দিন, কোষাদক্ষ আঃ রশিদ, প্রচার সম্পাদক মোঃ কামরুল ইসলাম সহ নেতৃবৃন্দ রাস্তাটি পরিদর্শ করেন। এবং তারা উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট উক্ত রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের আহ্বান জানান।  সুত্র জানায়, কাউন্সিলরগণ উক্ত বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করেও কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি। 
এলাকাবাসীর দাবি চরম দুর্ভোগের মাঝে তাদের এই অপুরনীয় ক্ষতি এবং অবর্ণনীয় ভোগান্তি থেকে নিস্তার লাভের জন্য রোডস এন্ড হাইওয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে জনজীবনে শান্তি ফিরিয়ে দিবে।

সিনিয়র সাংবাদিক বাদামী অসুস্থ্য

দোয়া কামনা

স্টাফ রিপোর্টার : ডেইলী নিউনেশন এর গাজীপুর প্রতিনিধি এবং গাজীপুর প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম বাদামী (বাদামী ভাই) গুরুতর অসুস্থ্য। তিনি বুধবার ভোরে ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে, দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা প্রদান শেষে বিকেলে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দিন আহম্মেদ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নিকটবর্তী ভাড়া বাসায় তাকে আনা হয়েছে। তিনি কথা বলতে পারছেন না। তার পরিবার এবং দৈনিক মুক্ত বলাকা পরিবারের পক্ষ থেকে তার সুস্থ্যতা কামনায় সকলের নিকট দোয়া কামনা করা হচ্ছে।

আজ জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ও জাহানারা কাঞ্চনের ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : আজ ২২ অক্টোবর ২০১৫ বৃহস্পতিবার জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস এবং মরহুমা জাহানারা কাঞ্চনের ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী। যাঁর অকাল মৃত্যুতে সড়ককে নিরাপদ করার এই সামাজিক আন্দোলনের জন্ম। নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) দীর্ঘ ২২ বছর ধরে সড়ককে নিরাপদ করার লক্ষ্যে আন্দোলন করে আসছে। সড়ককে নিরাপদ করার আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় প্রতি বছর ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস হিসেবে পালিত হয়।  
উল্লেখ্য আগামীকাল থেকে ২২ বছর আগে চট্টগ্রামের অদূরে চন্দনাইশে বান্দরবানে স্বামী ইলিয়াস কাঞ্চনের কাছে যাবার পথে মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় জাহানারা কাঞ্চন নিহত হন। রেখে যান অবুঝ দুটি শিশু সন্তান জয় ও ইমাকে। ইলিয়াস কাঞ্চন সে সময় ছবির স্যুটিংয়ে বান্দরবান অবস্থান করছিলেন। স্ত্রীর অকাল মৃত্যুতে দুটি অবুঝ সন্তানকে বুকে নিয়ে শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে ইলিয়াস কাঞ্চন নেমে আসেন পথে। পথ যেন হয় শান্তির, মৃত্যুর নয়- এই শ্লোগান নিয়ে গড়ে তুলেন একটি সামাজিক আন্দোলন ‘নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)’। সেই পথচলায় ক্লান্তি নেই, নেই কোন শংকা। বিরামহীন তিনি হেঁটে চলেছেন দেশের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে। স্বজন হারানোর বেদনায় আর যেন কাউকে নীল হতে না হয়, তার জন্য ইলিয়াস কাঞ্চন সড়কের মাঝে বেঁধেছেন বাসা। লক্ষ্য একটাই সড়ক দুর্ঘটনামুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০১৫ এবং জাহানারা কাঞ্চনের ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাহানারা কাঞ্চনকে নিয়ে ইলিয়াস কাঞ্চনের স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্যের আলোকে নিসচার সাংস্কৃতিক সম্পাদক জাফর ফিরোজ কর্তৃক নির্মিত ‘কেন নিরাপদ সড়ক চাই’ শিরোনামে ভিডিওচিত্রও প্রকাশিত হয়েছে। ২০ অক্টোবর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই ভিডিও চিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। ইউটিউর এবং নিসচার নিজস্ব ওয়েবসাইটে এই তথ্যচিত্রটি আপলোড করা হয়েছে।
‘চালক-মালিক, যাত্রী-পথচারী ভাই ভাই, সড়ক দুর্ঘটনামুক্ত বাংলাদেশ চাই’- এই শ্লোগানকে সামনে রেখে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) প্রতিবারের ন্যায় এবারেও ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এইসব কর্মসূচির মধ্যে, আগামীকাল ২২ অক্টোবর ২০১৫, বৃহস্পতিবার সকাল ১১.০০টায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর উদ্যোগে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি র‌্যালী অনুষ্ঠিত হবে। র‌্যালীটি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর সামনে (সেগুনবাগিচা) থেকে শুরু হয়ে মৎস ভবন, হাইকোর্ট, দোয়েল চত্ত্বর হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে সমাপনী সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হবে। র‌্যালীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন এমপি। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া বিপিএম, পিপিএম।
দুপুরে নিসচা নেতৃবৃন্দ বনানীতে মরহুমা জাহানার কাঞ্চনের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে কবর জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। বিকেলে বাদ মাগরিব নিসচা প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে মিলাদ মাহফিল। একইভাবে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর দেশব্যাপি বিদ্যমান ৮৭টি শাখার উদ্যোগে স্থানীয়ভাবে একই সময়ে র‌্যালী, মানববন্ধন ও সমাবেশ কর্মসূচি পালিত হবে।
নিসচা গৃহীত এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে আর বি গ্রুপ তথা ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। 
দেশে, বিদেশে, নিসচা'র সকল জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ইউনিট কমিটি, সকল বন্ধু-শুভানুধ্যায়ীদের, সমমনা সকল সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন, এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাক্তিবর্গ ও তাদের পরিবারের সদস্যবৃন্দসহ এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রতি ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের সকল কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে সড়ক দুর্ঘটনারোধে জনসচেতনতা তৈরিতে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। সেইসাথে তিনি চালক, মালিক, যাত্রী তথা সর্বস্তরের দেশবাসির প্রতি সচেতন হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে আরো বলেছেন, সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়ন সম্ভব। 

কালিয়াকৈরে বাসের ধাক্কায় ভারতীয় নাগরিক নিহত

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুরের কালিয়াকৈরে মঙ্গলবার যাত্রিবাহী বাসের ধাক্কায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত হাসান দেওয়ান (৫৫) ভারতের আসাম প্রদেশের বাসিন্দা।
গোড়াই হাইওয়ে থানার এসআই আব্দুল মোতালেব জানান, হাসান মঙ্গলবার দুপুরের দিকে অটোরিকশায় করে যাওয়ার সময় কালিয়াকৈরের  বোর্ডঘর এলাকায় ঢাকা থেকে জামালপুরগামী একটি বাস অটোরিকশাকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্বাধীনতার আগে আসামে পাড়ি জমান হাসানের বাবা ইনছাদ আলী দেওয়ান। চলতি মাসের ১৪ তারিখে কালিয়াকৈরের উত্তর দাড়িয়াপুর গ্রামে চাচা আমির হোসেন দেওয়ানের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন তিনি।

গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে আমবাগ রাস্তার বেহাল দশা

এম.এম মান্নান, গাজীপুর সিটি পশ্চিম : গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এর (৮নং ওয়ার্ড হইতে ১০নং ওয়ার্ড) নতুন বাজার হইতে আমবাগ রাস্তা চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। রাস্তার মাঝে বড় বড় গর্ত হওয়ায় পানি জমে এক ভয়ংকর চিত্রে পরিনত হয়েছে। যার ফলে দুর্ভোগে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। স্কুলে যেতে পারছেনা ছাত্র-ছাত্রীরা, রাস্তার দুই পাশে শতশত গোডাউন আর মার্কেটের ব্যবসায়ীরা কোটি কোটি টাকার লোকশান গুনছে। প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনা, বিঘœ হচ্ছে গাড়ী চলাচলে। যার ব্যাপক প্রভাব ব্যবয়ীদের উপর পড়ায় তারা উক্ত রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের দাবী জানায়। সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে এখনো কোন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় হতাশ এলাকাবাসী। তাদের দাবী শীগ্রই উক্ত রাস্তা সংস্কারের মাধ্যমে সাভাবিক জীবন যাত্রার গতি ফিরে আসুক। 

গাজীপুরে লেদার ও ওয়াশিং কারখানাকে ৮ লাখ টাকা জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার : দূষণবিরোধী অভিযানের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (মনিটরিং এন্ড এনফোর্সমেন্ট) এ.কে.এম. মিজানুর রহমান গাজীপুরের একটি জুতা ও একটি ডাইং-ওয়াশিং কারখানার মালিককে পরিবেশ অধিদফতরে তলব করে শুনানী গ্রহণ করেন। এসময় পরিবেশ ও প্রতিবেশগত ক্ষতিসাধনের জন্য ৮ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। 
সূত্রে জানা যায়, পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ ব্যতিত এবং ইটিপি স্থাপন ব্যতিত ডাইং কার্যক্রম পরিচালনা করে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতিসাধনের অপরাধে মহানগরীর ভোগড়া চৌধুরী বাড়ি এলাকার ওয়াশ হাউজকে তিন লাখ টাকা ও পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ ব্যতিত কারখানা  পরিচালনা করার অপরাধে কালিয়াকৈরের উলুসারা এলাকার ফুটবেড ফুটওয়্যার লিমিটেডকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। 

দৈনিক মুক্ত বলাকার প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : গতকাল মঙ্গলবার দৈনিক মুক্ত বলাকা পত্রিকার আয়োজনে আলোচনা, ঈদ পূণর্মিলনী ও প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেলা ১১টায় গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে ওই অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)’র গাজীপুর জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. লোকমান হোসেন। মুক্তবলাকার প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। পত্রিকার সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি এইচ এম শওকত ওসমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিশিষ্ট ব্যাংকার ও সমাজ সেবক মোঃ আক্তারুজ্জামান, ও সচিত্র পত্রিকার সহকারি সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম জিটু প্রমুখ। তা ছাড়া অনুষ্ঠানে মুক্ত বলাকার নির্বাহী সম্পাদক এম এ ফরিদের সঞ্চালনায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ফাইন ফেয়ার প্রপার্টিজ, গাজীপুরের পরিচালক (ক্রয়) ফজলুল হক বাদল, গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি রোমান শাহ আলম, বিশিষ্ট নকল নবিশ নেতা মোঃ লুৎফর রহমান, সাংবাদিক, সংগঠক ও সমাজ সেবক মোঃ আমজাদ হোসেন ও নকল নবীশ নেতা আহাম্মদ আলী প্রমুখ। তাছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- সাপ্তাহিক ভাওয়াল পত্রিকার প্রকাশক মোঃ মনিরুজ্জামান, সাপ্তাহিক ঘটনার আড়ালে পত্রিকার সম্পাদক মোঃ জানে এ আলম, সাপ্তাহিক সচিত্র ঘটনা পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কাজী মোঃ মকবুল হোসেন, দৈনিক ভোরের কাগজের কাপাসিয়া প্রতিনিধি মোঃ নুরুল আমিন সিকদার, ও মুক্ত বলাকা’র চীফ রিপোর্টার শিমু আক্তার। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন- অনুষ্ঠান উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক সুশীল চন্দ্র পাল। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহাযোগিতায় ছিলেন- অনুষ্ঠান উদ্যাপন কমিটির সদস্য সচিব মোঃ কামাল হোসেন বাবুল। প্রতিনিধি সম্মেনে উপস্থিত ছিলেন- দৈনিক মুক্ত বলাকার প্রতিনিধি যথাক্রমে- কাপাসিয়ার শাকিল হাসান, মানিক সরকার, ইমন খান, রাবেয়া খানম, মোঃ সেলিম মিয়া, মোঃ শফিকুল ইসলাম, মির্জাপুরের মোঃ আনোয়ার হোসেন, সারওয়ার আলম, রোকসানা পারভীন, শাহীনুর আক্তার শান্তা, মোঃ শাকিদুল ইসলাম, বাঘের বাজারের মিলন শেখ, মোঃ আতাউর রহমান সোহেল, এম আমজাদ খান, মাহাবুবুর রহমান শরীফ, ফটো সাংবাদিক মোঃ নজরুল ইসলাম, মোঃ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

কালিয়াকৈরে সড়ক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে দোকানে হামলা ভাংচুর

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার আন্দারমানিক এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে দোকানে হামলা ও ভাংচুর করেছে এ ঘটনায় বৃদ্ধ মেঘু মিয়া সহ ২জন আহত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার সফিপুর আদ্ধার মানিক এলাকায় নিয়ন্ত্রন হারিয়ে একটি অটোরিক্সা মেঘুমিয়ার দোকানের বাড়ান্দায় গিয়ে ধাক্কা লেগে বাড়ান্দার ২টি খুটি ভেঙ্গে যায়। এ সময় মেঘুমিয়া তার লোকজন নিয়ে ওই অটোরিক্সাসহ চালক হানিফ আলীকে মারধর করে আটক করে রাখে। মৃত মোস্তফার ছেলে হানিফ আলীকে আটকের সংবাদটি এলাকায় ছড়িয়ে পরলে হানিফ আলীর পরিবারের লোকজন মেঘু মিয়ার দোকানে এসে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। এসময় বৃদ্ধ মেঘু মিয়া আহত হয়। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাইলে মেঘুমিয়ার ছেলে আব্দুল আজিজ জানান, আমার পিতা একজন বৃদ্ধ মানুষ তার উপর হামলা ও দোকান ভাংচুর মুলত খাজা মাইনুদ্দিনের পরামর্শেই হয়েছে। আমরা এঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে হানিফের মা খোদেজা বেগম বলেন, আমরা কোন দোকান ভাংচুর করিনি, মেঘুমিয়ার ছেলে আব্দুল আজিজ আমার বাড়ি ঘর সহ জমি জবর দখল করে নিয়েছে, আমি তার বিরুদ্ধে কয়েকটি অভিযোগ দায়ের করায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে হয়রানী করার জন্য মিথ্যা ঘটনা প্রচার করছে।এব্যপারে মেঘুমিয়া বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

১২ হাজার দুই শ’ কেজি পলিথিন উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার : পরিবেশ অধিদপ্তরের এনফোর্সমেন্ট উইং এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাইজার মোহাম্মদ ফারাবী এর নেতৃত্বে সোমবার মহনগরীর চান্দনা চৌরাস্তার বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলি জেনারেল স্টোর এর গোডাউন থেকে ১২ টন  নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন শপিং ব্যাগ জব্দ এবং দোকানের মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এসময় বিসমিলল্লাহ জেনারেল স্টোর থেকে ২০০ কেজি নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন শপিং ব্যাগ জব্দ এবং দোকানের মালিককে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানকালে পরিবেশ অধিদপ্তরের গাজীপুর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মিসেস সোনিয়া সুলতানা এবং এনফোর্সমেন্ট উইং এর সহকারী পরিচালক মুহম্মদ হাফিজুর রহমান ও পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম। উক্ত অভিযানে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা করেন গাজীপুর জেলার রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) অনুযায়ী সর্বপ্রকার শপিং ব্যাগ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ব্যবহার নিষিদ্ধ। 

গাজীপুরে ভাদুন হতে বাড়ইবাড়ী গীন্নিরটেক র্পযন্ত সড়ক নির্মানে অনিয়ম

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুর মহানগর ৪১নং ওয়ার্ডের ভাদুন হতে বাড়ইবাড়ী গীন্নিরটেক পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার সড়ক নির্মানে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সড়কটি এল.জি.ই.ডি কর্তৃক প্রকল্পের কাজের নির্মানের জন্য ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মাহি এন্টারপ্রাইজ গত দুই বছর পূর্বে অনুমোদন পায়। কাজের অংশ হিসেবে পুরাতন ইটের সলিং সড়কটির দুই পাশে মাটি ভরাটসহ প্রায় দুই কিলোমিটার সড়ক নতুন র্কাপেটিং এর জন্য এ প্রকল্পের কাজ নিধারন হয়। কিন্তু দেখা যায়, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি দুই বছর পূর্বে কাজ ধরে তা দীর্ঘদিন যাবত ফেলে রাখে। সম্প্রতি গত ঈদ-উল আযহার দুইদিন পূর্বে তড়িগড়ি করে সড়কের দুই পাশে ও কালর্বাট ব্রীজের দুই পাশে নীচু জায়গায় মাটি ভরাট ও স্লীপার স্থাপন না করেই কোন রকম দায় সারা কাজ শেষ করে। সরেজমিনে দেখা যায়, বাশের খুঁটি ও বেড়া দিয়ে সড়কের দুই পাশে ঝুকিপূর্ণ খাড়া অবস্থায় সড়ক নির্মানের কাজ শেষ করে। ফলে কালবাটের দুই পাশে বর্ষা মৌসুমে পানিতে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভবনা এবং রাস্তাটি ভেঙ্গে যাওয়ার শত ভাগ সম্ভবনা রয়েছে। সড়কটি ভেঙ্গে বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকায় আতংকিত এলাকাবাসী। এলাকার সাধারন মানুষের অভিমত সড়কটি নির্মাণে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অবসান তো ঘটলইনা বরং স্বপ্নের এই সড়কটি আরো ঝুকিপূর্ণ হলো। 

কাশিমপুর কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে খুনের দায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। মৃত শাহজাহান মোল্লা (৪৫) গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউনাট গ্রামের মো. মমতাজ উদ্দিন মোল্লার ছেলে।  কাপাসিয়া থানার একটি খুনের মামলায় দণ্ডাদেশ হওয়ার পর ২০০৬ সালের ১৮ মার্চ থেকে তিনি কাশিমপুর কারাগার-১ এ ছিলেন।
জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা জানান, সোমবার সকালে বুকে ব্যাথা উঠলে শাহজাহান মোল্লাকে প্রথমে কারা হাসপাতালে নেয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।  হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক আবদুল সালাম সরকার জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শাহজাহানের মৃত্যু হয়েছিল।

গাজীপুরের কোনাবাড়ি ও কাশিমপুরে ভূয়া ক্লিনিক

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ি ও কাশিমপুর এলাকায় বেশ কিছু লাইসেন্স বিহীন ভূয়া ক্লিনিকের সন্ধ্যান পাওয়া গেছে। 
এসব ভূয়া ক্লিনিকের মধ্যে রয়েছে, কোনাবাড়ি কাশিমপুর রোডে অবস্থিত কোনাবাড়ি ডিজিটাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, আধুনিক জেনারেল হসপিটাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, সেন্ট্রারেল হসপিতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, যমুনা পোশাক কারখানা সংলগ্ন হক মেডিক্যাল সেন্টার, আমবাগ মা মেডিক্যাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, কাশিমপুরে অবস্থিত কাশিমপুর ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার। এসব ক্লিনিকে নেই কোনো লাইসেন্স। তার পরেও লাইসেন্স বিহীন র্দীঘ দিন ধরে অবাধে চলে আসছে এসব ক্লিনিক।
প্রশ্ন উঠেছে চিকিৎসক ও চিকিৎসা সেবা নিয়ে এসব চিকিৎসকেরা কোন বিষয় বিশেষজ্ঞ তার কোনো হদিস নেই। এক রোগের ওপর ডিগ্রি বা প্রশিক্ষণ থাকলেও তারা সর্বরোগের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। চিকিৎসা সেবা ভুল বা সঠিক না হওয়ায় অনেক রোগীর অকাল মৃত্যুও ঘটছে।ওই সব ক্লিনিকে নেই কোনো মানস্মত চিকিৎসা সেবা এমনকি বেশির ভাগ চিকিৎসকের বাংলাদেশ মেডিক্যাল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের সনদ ভূয়া। এ সকল ক্লিনিকের মালিকেরা চিকিৎসার নামে মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন করছেন রোগীদের সাথে প্রতারণা।
কোনাবাড়ি ডিজিটাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টি সেন্টারে গত ৭ এপ্রিল সুনামগঞ্জ জেলার বিশ^ম্ভবপুর থানার ধনপুর গ্রামের মোঃ শহিদুলের স্ত্রী রুমা আক্তার (২৮) কে ভুল চিকিৎসা দিলে প্রথমে জ্ঞান হারায় পরে তার চোখ অন্ধ হয়ে যায় এবং দিন শেষে রাত ৮ টার দিকে তিনি মারা যান। রুমা আক্তার কোনাবাড়ি তিতাস সুয়েটার কারখানার মহিলা শ্রমিক ছিলেন।
ভূক্তভোগী শামীম জানান, আমার স্ত্রীকে নিয়ে কোনাবাড়ি ডিজিটাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে চিকিৎসা সেবার জন্যে গেলে, ওই রোগীর অবস্থা আরো খারাপ হলে আমি বিপদে পড়ে যাই তিনি আরো বলেন, ভুল চিকিৎসায় একজন মানুষের অকাল মৃত্যু হলো তার পরেও ওই ক্লিনিক এখন পর্যন্ত চলে কি করে? 
একটি সূত্র বলছেন, গাজীপুরের সিভিল সার্জন আলী হায়দার খান কে মাসে মোটা অংকের উৎকোচ দিয়ে এসব লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিক চলছে। এব্যাপারে সিভিল সার্জন আলী হায়দার খানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। কোনাবাড়ি আধুনিক জেনারেল হসপিতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় ওই ক্লিনিকের মালিক লেলিন এবং সেলিম রোগীদের জন্যে তারা নিজেরই ঔষধ লিখেন। 

গাজীপুরে যুবকের গলা কাটা লাশ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুরে এক যুবককে জবাই করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার দুপুরে পুলিশ মহানগরীর ঝাঝর এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে ওই লাশ উদ্ধার করে। নিহতের নাম হাবিব মিয়া (১৮)। তিনি নগরীর ডেগেরচালা এলাকার কলিম উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও এলকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, হাবিব মিয়া ডেগেরচালাএলাকায় একটি মোবাইলফোন মেরামতের দোকান পরিচালনা করতেন। রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে সে নিখোঁজ হন। সোমবার দুপুরে পার্শ্ববর্তী ঝাঝর পশ্চিমপাড়া এলাকার একটি ধানক্ষেতে স্থানীয়রা তার গলা কাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেন।
জয়দেবপুর থানার ভোগড়া পুলিশ ক্যা¤েপর ইনচার্জ জাকির হোসেন জানান, নিহত  যুবককে পেটে ধারালো অস্ত্রের ক্ষত ছিল। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

গাজীপুরে শিশু হত্যা মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার

গাজীপুর প্রতিনিধি : গাজীপুরের কাপাসিয়া থানার শ্রীপুর গ্রাম থেকে  বহুল আলোচিত শিশু জয় হত্যার প্রধান দুই আসামীকে গ্রেফতারকরেছে র‌্যাব। গাজীপুরের পোড়াবাড়ী র‌্যাব-১ এর ক্যাম্প কোম্পানী কমান্ডার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) মো. মহিউল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. জিয়াউর রহমান এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় শিশু জয় হত্যার প্রধান আসামী জুমান মোল্লা ও হাসনা বেগমকে গ্রেফতার করা হয়। জানা যায়, নিহত শিশু তৌহিদুল ইসলাম জয় (০৪) তার ফুফুর কাছে থাকতো গত ১৫ সেপ্টেম্বর ভোর রাতে শিশু জয়কে ঘরে রেখে তার ফুফু প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে ঘরে ফিরে তার ভাতিজা জয়কে দেখেতে পায় না। অনেক খোজাখুজির এক পর্যায়ে পরদিন সকালে কাপাসিয়ার শ্রীপুর গ্রামের বিলের মধ্যে শিশু জয়কে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। এ বিষয়ে প্রথমে কাপাসিয়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রজু হয়। পরবর্তীতে পোষ্ট মর্টেম রিপোর্টের ভিত্তিতে নিয়মিত মামলা হয়। জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে শিশু জয়ের আপন চাচা আয়েস আলী মোল্লা, চাচী হাসনা বেগম এবং চাচাত ভাই জুমান মিলে শিশু জয়কে ঘর থেকে তুলে নিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে লাশ পাশের বিলের মধ্যে ফেলে রাখে। পুলিশ ১নং আসামীকে গ্রেফতার করলেও অপর ২ জন দীর্ঘদিন পলাতক ছিল। র‌্যাবের গোয়েন্দা দল দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর তাদের অবস্থান সনাক্ত করে রবিবার তাদের গ্রেফতার করে। 

আজ দৈনিক মুক্ত বলাকার প্রতিনিধি সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার : আজ মঙ্গলবার দৈনিক মুক্ত বলাকা পত্রিকার আয়োজনে আলোচনা, ঈদ পূণর্মিলনী ও প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টায় গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন গাজীপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শ্রীপুর উপজেলার চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল হোসেন সবুজ। 
মুক্তবলাকার প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। 
পত্রিকার সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি এইচ এম শওকত ওসমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পুষ্পদ্যামের স্বত্বাধিকারী মোঃ সামছুল আলম চৌধুরী বাবুল, গাজীপুর সদর সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের দলিল লেখক ও ভেন্ডার কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সিকান্দার হোসেন, বিশিষ্ট ব্যাংকার ও সমাজ সেবক মোঃ আক্তারুজ্জামান, সাংবাদিক, সংগঠক ও কলাম লেখক কে এস জোহা, সাংবাদিক ও সমাজ সেবক ও সংগঠক মোঃ আব্দুলল্লাহ আল মামুন সরকার ও সচিত্র পত্রিকার সহকারি সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম জিটু প্রমুখ। 
তা ছাড়া অনুষ্ঠানে মুক্ত বলাকার নির্বাহী সম্পাদক এম এ ফরিদের সঞ্চালনায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এড. মোঃ রফিকুল ইসলাম, বিশিষ্ট দলিল লিখক ফজলুল হক বাদল, গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি রোমান শাহ আলম, বিশিষ্ট দলিল খিলক আলহাজ্ব মোঃ জামাল মিয়া, আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বাবু, নকল নবীশ নেতা মোছাব্বির উদ্দিন আহাম্মদ কিরণ, সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান শিকদার, বিশিষ্ট নকল নবিশ নেতা মোঃ লুৎফর রহমান, সাংবাদিক, সংগঠক ও সমাজ সেবক মোঃ আমজাদ হোসেন ও নকল নবীশ নেতা আহাম্মদ আলী।
অনুষ্ঠানের সার্বিক সহাযোগিতায় থাকবেন- অনুষ্ঠান উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক ও সদস্য সচিব যথাক্রমে সুশীল চন্দ্র পাল ও কামাল হোসেন বাবুল। 

টঙ্গীতে ৮টি পূজামন্ডপে শারদীয় দূর্গাপূজা শুরু

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুরের টঙ্গীতে ৮টি মন্ডপে হিন্দু ধর্মের শারদীয় দূর্গাপূজা উৎসব গতকাল সোমবার থেকে শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হয়েছে। টঙ্গীতে টঙ্গী বাজার ১টি, মরকুন ১টি, সাতাইশ খরতৈল ২টি পাগাড় ১টি আমতলী ১টি, দত্তপাড়া ১টি, শিলমুন ১টি মোট ৮টি পুজা মন্ডপে এবার শারদীয় দুর্গা পূজা উদযাপন হচ্ছে। এসব পূজামন্ডপ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুলিশ ও আনসারসহ বিশেষ টিম কঠোর নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে। 
পূজা উদযাপন কমিটি সুত্রে জানা যায়, বাঙ্গালী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি বছরের ন্যায় এবার যথাযোগ্য ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সার্বজনিন দুর্গা পূজা উদযাপনের সকল ধরণের প্রস্তুতি নিয়ে শুরু হয়েছে। সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার সপ্তমী, মহাঅষ্টমী, মহানবমী ও বিজয়া দশমীর টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে বির্সজনের মাধ্যমে পুজার সমাপ্তি ঘটবে।
টঙ্গী থানার ওসি মোহাম্মদ আলী পিপিএম জানান, যে কোন ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় করতে আমরা সর্বাত্মক প্রস্তুত রয়েছি। এছাড়াও পূজামন্ডপ এলাকায় সিসি ক্যামেরা মাধ্যমে সকল কার্যক্রম মনিডরিং করা হচ্ছে।