স্টাফ রিপোর্টার : গত ২১মে বৃহস্পতিবার গাজীপুর গোয়েন্দা বিভাগের ওরা তিন তারকা শীর্ষক একটি সংবাদ প্রথম পাতায় বেশ গুরুত্ব সহকারে ছাপা হয়। সংবাদটি গাজীপুরবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন মহল থেকে সাধুবাদ জানানোসহ আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে এ প্রতিবেদককে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। গাজীপুর গোয়েন্দা বিভাগের তিন তারকা এস.আই.মোস্তাফিজ, এস.আই আলিম ও এস.আই মামুন। এই তিন তারকা শুধু গাজীপুর গোয়েন্দা বিভাগকেই নয় পুরো পুলিশ প্রশাসনকেই কলুষিত করেছে। গাজীপুর পুলিশ সুপার মহোদয়কে গাজীপুরের জনগণ অত্যান্ত আন্তরিকতার সঙ্গে গ্রহণ করেছিলেন। পুলিশ সুপার হারুন অর-রশিদ আমাদের গর্ব। তিনি মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত গাজীপুর গড়ে তুলতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। সফল হননি এটা বলা যাবে না। তিনি তাঁর পরিকল্পনা অনেকাংশে সফল করে ফেলেছিলেন। কিন্তু কতিপয় দুুষ্ট প্রকৃতির কর্মকর্তা তাঁর সফলতার মাঝে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন উল্লেখিত তিন তারকা। যারা মাদক ব্যবসায়ী ধরে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে আবার তাদের ছেঁড়ে দেন। এতে করে মাদক নির্র্মূল তো দূরের কথা বরং মাদক বিক্রেতারা উৎসায়িত হচ্ছে। মাদকের করাল গ্রাসে আজ আমাদের যুব সমাজ ধ্বংসের মুখে পতিত। যত্রতত্র মাদকের বেঁচাকেনা আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। মাদক নির্মূলে যাদের ওপর নির্ভর করবো তাঁরাই যদি ঘুষের বিনিময়ে মাদক বিক্রেতাদের সহযোগীতা করে তবে আমাদের বলতেই হয় সর্ষের মধ্যে ভূত। ভূত তাড়াতে যে সর্ষে আনা হলো সেই সর্ষেতেই যদি ভূত থাকে তবে ভূত যাবে কি করে। বাস্তবতা হচ্ছে এস.আই মোস্তাফিজ এ জেলায় পূর্বে দীর্ঘদিন চাকুরী করেছেন। সেই সুবাধে মাদকের নারী-নক্ষত্র সব তাঁর চেনা জানা। এখন ডিবি’র ভয় দেখিয়ে ষোলকলা পূর্ন্য করছেন তিনি। গাজীপুরের মরকুন, কেরানীর টেক, গোপালপুর মরকুন, মাজুখান, মিলগেইট, পুবাইলসহ বিভিন্ন এলাকার মাদক স্পট থেকে ওই তিন তারকা মোটা দাগের মাসোহারা আদায় করে থাকেন। দেলোয়ার হোসেন দেলু, খালেক, সাহেদা, জাহাঙ্গীর, পারুলী। এরা প্রত্যেকেই বড় মাদক ব্যবসায়ী। এদের মধ্যে কেউ ফেন্সীডিলের পাইকারী বিক্রেতা আবার কেউ ইয়াবার বড় ব্যবসায়ী। একটি সূত্র জানায়, কুখ্যাত এই মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে ওই তিন তারকা মাসে ১০/১২ লাখ টাকা মাসোহারা পেয়ে থাকেন। তাছাড়া পূবাইল এলাকার হোসনা ও নিপা ওই তিন তারকাকে মোটা অংকের মাসোহারা দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত মাদকের ব্যবসা করে আসছে। কাশিমপুর এলাকার রাইস মিল (সারাপাড়া) এলাকার জাহানারার ছেলের বউ বিশিষ্ট গাজা ব্যবসায়ীকে গত ২২মে ৫ কেজি গাজাসহ এস.আই মোস্তাফিজ আটক করে। পরবর্তীতে ৫০ হাজার টাকা আপোষ রফা করে তাকে ছেঁড়ে দেন এস.আই মোস্তাফিজ। মানুষ এখন মনে করছে পুলিশ সুপার যদি এ সব অপকর্মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন তবে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।
শিরোনাম
Home » All posts
কালীগঞ্জে পিকাপভর্র্তি গরুসহ আন্তঃজেলা চোরের সদস্য আটক
- on 10:02:00 AM
কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালীয়া ইউনিয়নের নরুন এলাকায় পিকাবভর্তি ৫টি গরুসহ আন্তঃজেলা চোরের সদস্য ও চালককে আটক করার খবর পাওয়া গেছে। কালীগঞ্জ ও কাপাসিয়ার সীমান্ত এলাকা থেকে গরু চুরি হওয়ার খবর পাওয়া যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার ভোরে কালীগঞ্জ উপজেলার নরুন বাজার এলাকায় একটি পিকাব গাড়ী (যশোর মেট্টো ড ১১-০৩৬২) রেখে আন্তঃজেলা চোরের সদস্য নরুন (বুন্দাবাড়ী) গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে মাসুদ (৩৫) সহ কয়েকজন লোক বিভিন্ন দিক থেকে ৫টি গরু জড়ো করে। গরুগুলো পিকাব ভ্যানে উঠানোর সময় নরুন বাজারের নৈশ্য প্রহরীদের তাদেরকে চোর বলে সন্দেহ হয়। এ সময় তারা রাস্তায় গাছ ফেলে পিকাব ভ্যানটি আটক করে। এদিকে গ্রামে গরু চোর ঢুকেছে শুনে গরুর মালিকরা তাদের গোঁয়াল ঘরে খুঁজ নেয়। পরে গরু চুরি হওয়ায় তারা খুঁজতে খুঁজতে নরুন বাজার এসে পিকাব ভ্যানভর্তি ৫টি গরুসহ চালক মামুন (২৫) ও আন্তঃজেলা গরু চোর মাসুদকে আটক করেন। এ সময় দু’জনকে আটক করেলও বাকী চোরেরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। চালক মামুন রায়পুরা জেলার লক্ষ্মীপুর উপজেলার কাচ্চাচর গ্রামের আমির আলী সরদারের ছেলে। আটককৃতদেরকে স্থানীয়রা গণধোলাই দিয়ে থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর শুনে কালীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান এবং কাপাসিয়া থানার উপ-পরিদর্শক মো. আজাহার হোসেন ঘটনাস্থলে যান। পরে দুই থানার কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনার ভিত্তিতে চোর মাসুদ ও পিকাব ভ্যানসহ চালক মামুনকে কাপাসিয়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। চুরি হওয়া ৫টি গরু ঘটনাস্থলেই দুই পুলিশ কর্মকর্তা গরুর মালিকদের কাছে হস্থান্তর করেন। গরুর মালিকরা হচ্ছে- কালীগঞ্জ উপজেলার নুরুন গ্রামের কফিল উদ্দিন ও পাশ্ববর্তী কাপাসিয়ার জোরেরটেকের জামান ও খোরশেদ এবং পাপলা চামুরখি গ্রামের ফজলুল হক।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মুস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, চুরি যাওয়া ৫টি গরু মালিকদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার ভোরে কালীগঞ্জ উপজেলার নরুন বাজার এলাকায় একটি পিকাব গাড়ী (যশোর মেট্টো ড ১১-০৩৬২) রেখে আন্তঃজেলা চোরের সদস্য নরুন (বুন্দাবাড়ী) গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে মাসুদ (৩৫) সহ কয়েকজন লোক বিভিন্ন দিক থেকে ৫টি গরু জড়ো করে। গরুগুলো পিকাব ভ্যানে উঠানোর সময় নরুন বাজারের নৈশ্য প্রহরীদের তাদেরকে চোর বলে সন্দেহ হয়। এ সময় তারা রাস্তায় গাছ ফেলে পিকাব ভ্যানটি আটক করে। এদিকে গ্রামে গরু চোর ঢুকেছে শুনে গরুর মালিকরা তাদের গোঁয়াল ঘরে খুঁজ নেয়। পরে গরু চুরি হওয়ায় তারা খুঁজতে খুঁজতে নরুন বাজার এসে পিকাব ভ্যানভর্তি ৫টি গরুসহ চালক মামুন (২৫) ও আন্তঃজেলা গরু চোর মাসুদকে আটক করেন। এ সময় দু’জনকে আটক করেলও বাকী চোরেরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। চালক মামুন রায়পুরা জেলার লক্ষ্মীপুর উপজেলার কাচ্চাচর গ্রামের আমির আলী সরদারের ছেলে। আটককৃতদেরকে স্থানীয়রা গণধোলাই দিয়ে থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর শুনে কালীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান এবং কাপাসিয়া থানার উপ-পরিদর্শক মো. আজাহার হোসেন ঘটনাস্থলে যান। পরে দুই থানার কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনার ভিত্তিতে চোর মাসুদ ও পিকাব ভ্যানসহ চালক মামুনকে কাপাসিয়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। চুরি হওয়া ৫টি গরু ঘটনাস্থলেই দুই পুলিশ কর্মকর্তা গরুর মালিকদের কাছে হস্থান্তর করেন। গরুর মালিকরা হচ্ছে- কালীগঞ্জ উপজেলার নুরুন গ্রামের কফিল উদ্দিন ও পাশ্ববর্তী কাপাসিয়ার জোরেরটেকের জামান ও খোরশেদ এবং পাপলা চামুরখি গ্রামের ফজলুল হক।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মুস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, চুরি যাওয়া ৫টি গরু মালিকদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
কাপাসিয়ায় বিদ্যুৎ পৃষ্ঠে যুবলীগ নেতার মৃত্যু
- on 9:59:00 AM
স্টাফ রির্পোরটা : গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার টোক ইউনিয়নের আলহাজ্ব শফিকুল রহমান (সফি)র ছেলে আহম্মদ আলী রনি গতকাল দুপুরে তার গৃহে বিদ্যুৎতের তার সংযোগ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎতের তারে জরিয়ে পরে। আশংঙ্কা জনক অবস্থায় বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। রনি টোক ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী জানায় গতকাল দুপুরে তার বাড়িতে বিদ্যুতের তার বিচ্ছিন্ন থাকায় সে নিজেই লাইনটি সংযোগ দিতে গিয়ে বিদ্যুতের তারে জরিয়ে পরে। রনির দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী জানায় গতকাল দুপুরে তার বাড়িতে বিদ্যুতের তার বিচ্ছিন্ন থাকায় সে নিজেই লাইনটি সংযোগ দিতে গিয়ে বিদ্যুতের তারে জরিয়ে পরে। রনির দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
টঙ্গীতে মাদকের ভয়ংকর ছোবল থেকে রেহাই পাচ্ছেনা স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা
- on 9:33:00 AM
মাদক ব্যবসা প্রতিবাদ করায় যুবক লাঞ্জিত
স্টাফ রিপোর্টার, টঙ্গী : টঙ্গীতে মাদক ব্যবসায়ীদের মাদক ব্যবসায় প্রতিবাদ করায় মাদকসেবীদের হাতে লাঞ্জিত হয়ে এলাকা ছাড়তে হয়েছে এক যুবককে। জানা যায়, টঙ্গী এলাকা মাদক ব্যবসায়ী আল-আমিন অরফে ফেন্সি আল আমিন, সাহিদা, তাজুল ইসলাম (ইনটেক), রাজিয়া অরফে ফেন্সি রাজিয়া, রফিক অরফে ফেন্সি রফিক, বাদশা, সুমন, ছালাম অরফে সামু, কামরুল হাসান, টিটু , মিরাশ পাড়া এলাকার বিপ্লব, গাজা ব্যবসায়ী লিটন, ফেন্সি রুবেল, ইয়াবা বিপ্লব, সুমন, ইসমাইল, আলেরটেক এলাকার আল আমিন, নদীবন্দর কালা বিল্লাল, দক্ষিন পাড়া এলাকার খেউরার পোলা, ব্যাংকের মাঠের ময়না, সুজন, ইদ্রিস, কেরানিরটেকের দেলোয়ার, রনি অরফে বেস্তি রনি, শাহিন অরফে কাউয়া শাহিন, পিলু এরা দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এমন কোন এলাকা বা বস্তি নাই যে, যেখানে কোন মাদক বিক্রি না হচ্ছে। এসব বস্তির অলিতে গলিতে সর্বত্রই পাওয়া যাচ্ছে ইয়াবা, ফেনসিডেল, মদ, গাজা, হিরোইন, পেথেডিন ইনজেকশিনসহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্য। এসব মাদক ব্যবসায়ীরা টঙ্গী থানা এলাকাকে যেন মাদকের হাটে পরিনত করছে, দেখার কি কেউ নেই এমনই জনসাধারনের? টঙ্গী প্রতিটিই বস্তি এখন মাদকের সর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত, টঙ্গীতে ছোট বড় সব মিলে ১৯টি বস্তি রয়েছে। এসব বস্তির প্রায় ৮০ ভাগ লোকই কোন কোন অবৈধ ব্যবসা অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। এসব বস্তির বাসীর অপকর্মের ফলে টঙ্গীর সুশিল সমাজ অনেক জায়গায় বিব্রত ও লজ্জাবোধ করে আসছেন। পাশাপাশি আশেপাশের থানার লোকজন মনে করেন বস্তি বাসীর মতই টঙ্গী বাসী। এজন্য বস্তির ৮০ ভাগ লোকদের জন্য টঙ্গী বাসী কলঙ্গিত। টঙ্গী থানার মাদকের হাট হিসেবে পরিচিত ভয়ঙ্গকর বস্তিগুলো হচ্ছে টঙ্গী বাজার এলাকার গোহাটা বস্তি, হাজী মাজার বস্তি, এরশাদ নগর বাস্তুহারা বস্তি, নতুন বাজার এলাকার ব্যাংকের মাঠ বস্তি, আমতলি এলাকার কেরানীরটেক বস্তি, রেলওয়ে বস্তি, মাছিমপুর এলাকার জিন্নাতের পিছনের বস্তি, নিশাতনগর এলাকার পিছনের বস্তি, চুড়ি ফ্যাক্টরির বস্তি, তেতুলতলা বস্তি, সিপাই পাড়া বস্তি, নামা বাজার বস্তি, কলাবাগান বস্তি, বেক্সিমকোর পিছনের বস্তি, টঙ্গী মেডিকেলের পিছনের বস্তি, পরানমন্ডলের টেক কাঠালদিয়া বস্তি, আউচপাড়া এলাকার মোল্লা বাজার বালুর মাঠ বস্তি, নোয়াগাও এলাকার বাহার আলীর টেক বস্তি, নেকার বাড়ী বস্তি, বেলতলা বস্তি, সান্ডারপাড়া বস্তি, সাতইশ এলাকার নাজিম ফ্যাশনের পিছনের বস্তি, গুটিয়া বস্তি, ইন্টান্যাশনাল মেডিকেলের পিছনের বস্তি, খৈরতুলের ব্যাংকপাড়া বস্তিসহ নাম না জানা আরও অনেক বস্তি ও এর অলি গলি মাদকের মোকাম হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় একটি সচেতন মহল জানান সরকার দলীয় এক শ্রেনীর প্রভাবশালী কিছু নেতাদের ছত্র ছায়ায় এবং স্থানীয় প্রশাসনের কতিপয় কিছু অসাধু অফিসারের সহযোগিতায় দেদার্চে চালিয়ে যাচ্ছে ফেনসিডেল, হেরোইন, মদ, গাজা, ইয়াবা, পেথোডিনসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক ব্যবসা। আর এ মাদক দ্রব্য রিক্সা চালক থেকে শুরু করে স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা হাবুডুবু খাচ্ছে মাদকের এই ভয়ংকর নীল নেশায় জড়িয়ে পড়ে। এতে করে মাদকের মরণ থাবায় ছাত্র ছাত্রী ও বেকার যুব সমাজ ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে। তা অভিভাবক এবং সচেতন মহলকে উদ্বীগ্ন করে তুলছে । এমনকি সমাজের গরবী – ধনী, নি¤œ আয়ের পেশা জীবীরাও দিন দিন মাদকের আসক্ত হয়ে পড়ছেন। খোজ নিয়ে জানা গেছে দেশের বিভিন্ন রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন অবৈধভাবে ঢুকছে এই ফেনসিডেল, হেরোইন, মদ, গাজা, ইয়াবা, পেথোডিনসহ কোটি কোটি টাকার বিভিন্ন ধরনের মাদক দ্রব্য। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত শতাধিক ব্যক্তিতে নিয়ন্ত্রন করছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ, তৃনমূল পর্যায়ের ব্যক্তিরা। ইদানিং এসব অবৈধ মাদক বিক্রেতারা নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাসহ থানা পুলিশ, জিআরপি পুলিশের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাসহারা (মাসিক ঘুষ) নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। মাঝে মধ্যে টঙ্গী থানা পুলিশ ও জিআরপি পুলিশ অভিযান চালিয়ে ছোট ছোট দুএকটি মাদকের চালান আটক করলেও মূল হোতারা থেকে যায় ধরা ছোয়ার বাইরে। আবার অনেক মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেও আইনের ফাক ফোকরে বেরিয়ে এসে তারা পুনরায় এই অবৈধ মাদক ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়ে। এতে করে আইনের কঠোর প্রয়োগ না থাকায় দিন দিন এ অবৈধ মাদক ব্যবসা মহামারি আকার ধারন করছে। এতে এলাকা নিরীহ যুবক, স্কুল-কলেজগামী ছাত্র ও অভিভাবকরা দিশেহারা হয়ে পড়ছে। তাদের ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মোঃ রবিউল ইসলাম চঞ্চল মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবৎ প্রতিবাদ করে আসছে। মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় মাদক ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন মোবাইল ফোনে তাকে জীবননাশের হুমকি দিয়ে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় মাদক ব্যবসায়ীদের হামলার স্বীকার হয়ে তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে মানবেতর জীবন যাপন করছে। ইতিপূর্বে টঙ্গী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলীর সহযোগীতায় টঙ্গী এলাকার মিরাশপাড়া, টঙ্গী বাজার, মধুমিতা, আরিচপুর, বউবাজার, হাজীর মাজার বস্তি, টঙ্গী নতুন বাজার, ব্যাংকের মাঠ বস্তি, মেঘনা রোড এলাকার প্রায় ৩০/৪০ জন মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের পুলিশের সহযোগিতায় আটক করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীরা আদালত থেকে জামিনে এসে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এতে এলাকার সাধারণ মানুষ তাকে অভিনন্দন জানালেও মাদকসেবীদের ভয়ে সে দিশেহারা হয়ে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে বেড়াচ্ছে। টঙ্গী বিভিন্ন এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে সে মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে। টঙ্গী বিভিন্ন এলাকার সমাজের সমাজপ্রতিদের সহযোগীতায় বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসা টঙ্গী বিভিন্ন এলাকার মাদক ব্যবসা বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
গাজীপুর গোয়েন্দা বিভাগে ওরা তিন তারকা !
- on 9:32:00 AM
স্টাফ রিপোর্টার : শুধু চলচ্চিত্র জগতেই তারকা সৃষ্টি হয় না। অন্যান্য ক্ষেত্রেও তারকার সৃষ্টি হতে পারে। যেমনটি দেখা যায় গাজীপুর গোয়েন্দা বিভাগে। এস.আই মুস্তাফিজ, এস.আই আলিম ও এস.আই মামুন। ওরা তিনজন গাজীপুুর গোয়েন্দা বিভাগের তিন তারকা। ওই তিন পুলিশ কর্মকর্তা ইতোমধ্যে তাদের কর্মকান্ডে ভালো নাম করে ফেলেছেন। বিশেষ করে মাদক নির্মুলের পরিবর্তে মাদক ব্যবসায়ীদের সহযোগীতা করার নানা তথ্য সংবাদ মাধ্যমগুলোতে আসতে শুরু করেছে। গাজীপুরের সুযোগ্য পুলিশ সুপার মাদকের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করেছেন। এ ব্যাপারে তাঁর আন্তরিকতার কোনো ফাঁক ফোঁকড় সাংবাদিকদের নিকট ধরা পড়ে নাই। সুযোগ্য পুলিশ সুপারের কারণে গাজীপুর এখনও মাদকে সয়লাব হতে পারেনি। কিন্তু এস.আই মোস্তাফিজ, আলিম ও মামুনদের মতো অফিসার যদি আরও দু-চার জন এ জেলায় থাকেন তবে সম্মানিত পুলিশ সুপার মহোদয় মাদক নির্মূলে কতটা সফল হবেন তা নিয়ে যতেষ্ট সন্দেহ দেখা দিয়েছে সাধারণ মানুষের মনের মধ্যে। ব্যাপক তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, গত ১ মাসে এস.আই মোস্তাফিজের নেতৃত্বে ওই তিন তারকারা মরকুন এলাকার মৃত আমিনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন দেলুর নিকট থেকে ৪ লাখ টাকা উৎকোচ গ্রহণ করে। গোয়েন্দা পুলিশ তাকে একবার ইয়ারাসহ আটক করলেও মোটা অংকের টাকার আপোস রফার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়। কেরানীর টেক মৃত: ইসমাইলের ছেলে ইয়ারা ব্যবসায়ী খালেক ৩ লাখ টাকা, গোপালপুরের তাজুলের স্ত্রী সাহেদা ২ লাখ টাকা, মাজুখান এলাকার জাহাঙ্গীর ৩ লাখ টাকা, মিলগেইট এলাকার পারুলী ৭০ হাজার টাকা, পূবাইল এলাকার বেদনের স্ত্রী হোসনা ১ লাখ টাকা ও নিপা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ওই তিন তারকাকে দিয়ে ইয়াবা, ফেন্সী, গাজার ব্যবসা চালিয়ে আসছে। একটি সূত্র জানায়, এস আই মোস্তাফিজ মাদক ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এ সব বিষয়ে পুলিশ সুপার কিছুই জানেন না বলে সূত্রটি নিশ্চিত করেছেন। ওই তিন তারকাদের বিরুদ্ধে তদন্ত পুর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি গাজীপুরবাসীর।
গাজীপুরে জনপ্রতিনিধিদের সাথে অবহিতকরণ সভা
- on 9:32:00 AM
স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সাউথ এশিয়া ওয়াশ রেজাল্ট প্রোগ্রামের উদ্যোগে ডাব্লিউ এসইউপি বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় ডিএফআইডি’র অর্থায়নে থানা শিক্ষা অফিসার ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে অবহিতকরণ মতবিনিময় সভা গতকাল বুধবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে (ইউ.এস) উন্নয়ন সংঘের জেলা হাইজিং অফিসারের সভাপতিত্বে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফৌজিয়া রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, গাজীপুর সদর থানা শিক্ষা অফিসার কামরুল হাসান, সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হাসিনা সরকার, উন্নয়ন সংঘের প্রজেক্ট কো-অডিনেটর আফজাল হোসেন দেওয়ান, ভাওয়াল ঘর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সালাহ্ উদ্দিন সরকার, এলজিইডি প্রকৌশলী আব্দুর রহমান, প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান, থানা সহকারী শিক্ষা অফিসার সন্দা রানী সরকার, উম্মে কুলছুম ফেরদৌসি, নূর নাহার বেগম, ইকবাল উদ্দিন, সুমাইয়া আক্তার, মরজিনা পারভিন, লুতফুন নেছা, শিল্পী নাগ, ফারজানা আক্তার প্রমুখ।
গাজীপুরে বিপুল পরিমান মাদক উদ্ধার ঃ আটক ১২৫
- on 9:32:00 AM
স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে ছয় দিনের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক দ্রব্য উদ্ধার ও মাদক বিক্রয় ও সেবনের অভিযোগে ১২৫ আটক করা হয়েছে। এসবের মধ্যে রয়েছে ৬৭ হাজার ২৪৩ লিটার দেশি মদ, ১৩ কেজি গাঁজা, ৮৮৩টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ৬১৯ বোতল ফেনসিডিল, ৬৭৭ ক্যান বিয়ার ও ২৩ গ্রাম হেরোইন।
জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) পরিদর্শক মো. মোমিনুল ইসলাম জানান, গত শুক্রবার থেকে বুধবার পর্যন্ত বিশেষ এই অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারদের আদালতে হাজির করার পর কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ জানান, মাদকসহ আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কাজকর্মের বিরুদ্ধেও অভিযান চলছে এবং থাকবে।
জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) পরিদর্শক মো. মোমিনুল ইসলাম জানান, গত শুক্রবার থেকে বুধবার পর্যন্ত বিশেষ এই অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারদের আদালতে হাজির করার পর কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ জানান, মাদকসহ আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কাজকর্মের বিরুদ্ধেও অভিযান চলছে এবং থাকবে।
টঙ্গীতে মাদক ব্যবসায়ীদের মাদকসহ গ্রেফতারের পর ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ
- on 9:31:00 AM
স্টাফ রিপোর্টার, টঙ্গী : টঙ্গী মডেল থানার বেশ কয়েক জন এএসআই ও পুলিশের গাড়ী চালক কনষ্টেবলদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন টঙ্গীতে কর্মরত থাকার সুবাদে সরকারী ডিউটির বাইরের সাদা পোষাকে মটর বাইকযোগে পুলিশ র্সোসদের সাথে নিয়ে টঙ্গীর আমতলী, কেরানীরঠেক, কো-অপারেটিভ ব্যাংক মাঠ, মরকুন, মরকুন ঠেকপাড়া, টিএন্ডটি, টঙ্গী ভরান মাজার বস্তি, মেঘনা রোড বস্তিসহ বিভিন্ন এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের কখনো মাদকদ্রব্যসহ আবার কখনো মাদক ছাড়াই হাতে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে এবং মামলা দেয়ার ভয় দেখিয়ে থানায় না নিয়ে এবং উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের না জানিয়ে টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়ানোসহ ঘটনাস্থলে বসে স্থানীয় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা আদায়ের পর ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়, টঙ্গী মডেল থানায় এএসআই ফখরুল অতি চতুরতার সাথে সরকারী নিয়ম অনুযায়ী ডিউটি শেষে সাদা পোষাকে এবং থানার উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের বিনা অনুমতিতে টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীদের ধরে মোটা অংকের টাকা আদায়সহ মাদক উদ্ধারের নামে হোন্ডারোহীদের তল্লাশীসহ হয়রানী ও টাকার বিনিময়ে দফা রফা করার বিভিন্ন অভিযোগে তাকে ক্লোজ করা হয়। আরো জানা যায়, এএসআই ফখরুল সম্প্রতি গাজীপুরা এলাকায় সিনিয়র একজন এসআইয়ের নেমপ্লেড ব্যাবহার করে নিজেকে এসআই পরিচয় দিয়ে এক যুবককে গাঁজাসহ আটকের পর মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এবং মরকুন এলাকা থেকে অপর একজনকে আটকের পর ৩০ হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগও রয়েছে। এব্যাপারে এএসআই ফখরুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।
এদিকে থানার অপর এএসআই ফয়েজ গাজীপুর জেলায় বিগত দিনে দীর্ঘদিন চাকুরি করার সুবাদে টঙ্গী শীর্ষ এক পুলিশ সোর্স মোল্লা আবুলের সাথে পরিচয় আর সেই সুত্রে সোর্স মোল্লা আবুলের সহযোগীতায় এএসআই ফয়েজ টঙ্গীর বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন অপরাধীদের কাছ থেকে নিয়মিত বকরা আদায়সহ গত ১৯ মে বিকেলে উত্তরা থেকে টঙ্গী ভরান মাজার বস্তিতে গাঁজা সেবন করতে আসা এক যুবকে পথিক পাম্পের সামনে থেকে ১ পুইরা গাঁজাসহ আটক করে ৫০ হাজার টাকা উৎকোচ দাবী করে। টাকা দিতে না পারায় ঐ ছেলে ৫২ হাজার টাকা মূল্যের মোবাইল ফোন আটকে রেখে ১০ হাজার টাকা আনতে বলে, পরে টাকা নিয়ে এলে মোবাইল ফেরৎ দেন। এছাড়াও এএসআই ফয়েজ টঙ্গীর আমতলী, কেরানীরঠেক, কো-অপারেটিভ ব্যাংক মাঠ, মরকুন, মরকুন ঠেকপাড়া, টিএন্ডটি, টঙ্গী ভরান মাজার বস্তি, মেঘনা রোড বস্তিসহ বিভিন্ন এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সপ্তাহ ও মাসিক ভিত্তিক উৎকোচ আদায় করে থাকেন বলেও একাধিক সুত্রে জানা গেছে। এব্যাপারে এএসআই ফয়েজের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং এধরনের কোন ঘটনার সাথে তিনি জড়িত নন বলে দাবী করেন।
অন্যদিকে টঙ্গী মডেল থানার এএসআই লালন ফকির গত গত ১৬ মে রাতে স্পেশাল ডবল টু ডিউটি ও এএসআই মাহবুব স্পেশাল টু ডিউটিতে থাকা অবস্থায় শিলমুল এলাকা থেকে ঐ এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী পুটকি কাটা বাবুকে ২ বস্তা ভারতীয় আমদানী নিষিদ্ধ প্রায় ৫০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক করে ১ লাখ টাকার বিনিময়ে ফেন্সিডিলসহ ছেড়ে দেয়। পরে এনিয়ে টঙ্গী মডেল থানার উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের মধ্যে জানা-জানি হলেও দুই এএসআইয়ের কেউ তা স্বীকার করছে না। একটি বিশেষ সূত্র জানায় পুলিশ সোর্স শাহীন ও কুতুবের মাধ্যমে এএসআই লালন ফকির ঐ ফেন্সিডিল গুলো ধরে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেন। এছাড়াও এএসআই লালন ফকিরের নেতৃত্বে টঙ্গী মডেল থানার গাড়ী চালক কনষ্টেবল বাকী, মামুন ও বদরুলসহ অজ্ঞাত নামা আরো জ্জ জন ৩ টি মোটর বাইক যোগে টঙ্গীর দেওড়া, আউচপাড়া, শিংবাড়ী, তিলারগাতী, সাতাইশ, গাজীপুরা, দত্তপাড়া, মরকুন, শিলমুন, পাগাড়, পাগাড় ফকির মার্কেট, আরিচপুর, টঙ্গী মাজার এলাকায় সাদা পোষাকে ঘুরে বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীসহ অপরাধীদের ধরে মোটা অংকের টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়ার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। উল্লেখ্য গত ১৮ মে রাত ৯ টায় উক্ত টিমের টিম লিডার হিসেবে পরিচিত এএসআই লালন ফকিরের নেতৃত্বে উপরোক্ত ব্যক্তিরা পাগাড় এলাকা থেকে ৪ জনকে ৪০ পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতারের পর ১ লাখ টাকার বিনিময়ে ৩ জনকে ৩৪ ধারায় ও বাকি ১ জনকে ৪০ পিচ দিয়ে মাদক মামলা রজু করত আদালতে প্রেরণ করা হয় বলে একটি বিশেষ সুত্র জানায়। এব্যাপারে লালন ফকিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি আমি এসবের সাথে জড়িত নই বলে দাবী করেন এবং এ প্রতিনিধিকে চ্যালেঞ্জ করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে এধরনের কোন অভিযোগ বা তথ্য প্রমান পেলে আমি চাকুরি ছেড়ে চলে যাবো।
জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হারুন-উর-রশিদ এ জেলায় যোগদানের পর থেকে জেলায় মাদকদ্রব্য বেচা-কেনা ও মাদক ব্যবসায়ীদের নিমূলে অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়ে জেলায় বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন এবং আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রনের লক্ষ্যে জেলাব্যাপী পুলিশী বিশেষ অভিযান পরিচালনাসহ কমিনিউটি পুলিশ গঠনের মতো মহৎ কাজটি হাতে নেয়ার পর জেলা অতিঃ পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, টঙ্গী মডেল থানার সিনিঃ এএসপি (সাকেল) মোঃ গোলাম সবুর, বর্তমান অফির্সাস ইনচার্জ মোহাম্মদ আলী, অফির্সাস তদন্ত মোঃ আমিনূল ইসলাম, সেকেন্ড অফিসার এসআই মোঃ হাসানূজ্জামানের বলিষ্ট নেতৃত্বে মাদকদ্রব্যসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্তণে বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী থেকে সেবনকারীরা যখন আতংকে দিন কাটাচ্ছে, জেলা পুলিশ সুপার বা থানার র্উদ্ধতন কর্মকর্তাদের ভয়ে টঙ্গীতে মাদকদ্রব্য ব্যবসায়ী বা সেবনকারী এবং বিভিন্ন অপরাধীদের টঙ্গীতে আনা-গোনা বা মাদকদ্রব্য ব্যাবসা যখন অনেকাংশে শিথিল তখন এধরনের অর্থলোভী টঙ্গী মডেল থানার কয়েকজন এএসআইসহ উপরোক্ত গাড়ী চালক কনষ্টেবলগনের কারনে স্থানীয় পুলিশ প্রসাশনের ভাবমুর্ত্তিকে প্রশ্ন বিদ্ধ করছে বলেই টঙ্গী ও গাজীপুরবাসী মনে করছে।
এব্যাপারে টঙ্গী মডেল থানার অফির্সাস ইনচার্জ মোহাম্মদ আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসব বিষয়ে কিছু জানে না বলে জানান। তবে এধরনের কোন ঘটনা কেউ ঘটিয়ে থাকলে তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়, টঙ্গী মডেল থানায় এএসআই ফখরুল অতি চতুরতার সাথে সরকারী নিয়ম অনুযায়ী ডিউটি শেষে সাদা পোষাকে এবং থানার উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের বিনা অনুমতিতে টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীদের ধরে মোটা অংকের টাকা আদায়সহ মাদক উদ্ধারের নামে হোন্ডারোহীদের তল্লাশীসহ হয়রানী ও টাকার বিনিময়ে দফা রফা করার বিভিন্ন অভিযোগে তাকে ক্লোজ করা হয়। আরো জানা যায়, এএসআই ফখরুল সম্প্রতি গাজীপুরা এলাকায় সিনিয়র একজন এসআইয়ের নেমপ্লেড ব্যাবহার করে নিজেকে এসআই পরিচয় দিয়ে এক যুবককে গাঁজাসহ আটকের পর মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এবং মরকুন এলাকা থেকে অপর একজনকে আটকের পর ৩০ হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগও রয়েছে। এব্যাপারে এএসআই ফখরুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।
এদিকে থানার অপর এএসআই ফয়েজ গাজীপুর জেলায় বিগত দিনে দীর্ঘদিন চাকুরি করার সুবাদে টঙ্গী শীর্ষ এক পুলিশ সোর্স মোল্লা আবুলের সাথে পরিচয় আর সেই সুত্রে সোর্স মোল্লা আবুলের সহযোগীতায় এএসআই ফয়েজ টঙ্গীর বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন অপরাধীদের কাছ থেকে নিয়মিত বকরা আদায়সহ গত ১৯ মে বিকেলে উত্তরা থেকে টঙ্গী ভরান মাজার বস্তিতে গাঁজা সেবন করতে আসা এক যুবকে পথিক পাম্পের সামনে থেকে ১ পুইরা গাঁজাসহ আটক করে ৫০ হাজার টাকা উৎকোচ দাবী করে। টাকা দিতে না পারায় ঐ ছেলে ৫২ হাজার টাকা মূল্যের মোবাইল ফোন আটকে রেখে ১০ হাজার টাকা আনতে বলে, পরে টাকা নিয়ে এলে মোবাইল ফেরৎ দেন। এছাড়াও এএসআই ফয়েজ টঙ্গীর আমতলী, কেরানীরঠেক, কো-অপারেটিভ ব্যাংক মাঠ, মরকুন, মরকুন ঠেকপাড়া, টিএন্ডটি, টঙ্গী ভরান মাজার বস্তি, মেঘনা রোড বস্তিসহ বিভিন্ন এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সপ্তাহ ও মাসিক ভিত্তিক উৎকোচ আদায় করে থাকেন বলেও একাধিক সুত্রে জানা গেছে। এব্যাপারে এএসআই ফয়েজের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং এধরনের কোন ঘটনার সাথে তিনি জড়িত নন বলে দাবী করেন।
অন্যদিকে টঙ্গী মডেল থানার এএসআই লালন ফকির গত গত ১৬ মে রাতে স্পেশাল ডবল টু ডিউটি ও এএসআই মাহবুব স্পেশাল টু ডিউটিতে থাকা অবস্থায় শিলমুল এলাকা থেকে ঐ এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী পুটকি কাটা বাবুকে ২ বস্তা ভারতীয় আমদানী নিষিদ্ধ প্রায় ৫০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক করে ১ লাখ টাকার বিনিময়ে ফেন্সিডিলসহ ছেড়ে দেয়। পরে এনিয়ে টঙ্গী মডেল থানার উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের মধ্যে জানা-জানি হলেও দুই এএসআইয়ের কেউ তা স্বীকার করছে না। একটি বিশেষ সূত্র জানায় পুলিশ সোর্স শাহীন ও কুতুবের মাধ্যমে এএসআই লালন ফকির ঐ ফেন্সিডিল গুলো ধরে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেন। এছাড়াও এএসআই লালন ফকিরের নেতৃত্বে টঙ্গী মডেল থানার গাড়ী চালক কনষ্টেবল বাকী, মামুন ও বদরুলসহ অজ্ঞাত নামা আরো জ্জ জন ৩ টি মোটর বাইক যোগে টঙ্গীর দেওড়া, আউচপাড়া, শিংবাড়ী, তিলারগাতী, সাতাইশ, গাজীপুরা, দত্তপাড়া, মরকুন, শিলমুন, পাগাড়, পাগাড় ফকির মার্কেট, আরিচপুর, টঙ্গী মাজার এলাকায় সাদা পোষাকে ঘুরে বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীসহ অপরাধীদের ধরে মোটা অংকের টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়ার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। উল্লেখ্য গত ১৮ মে রাত ৯ টায় উক্ত টিমের টিম লিডার হিসেবে পরিচিত এএসআই লালন ফকিরের নেতৃত্বে উপরোক্ত ব্যক্তিরা পাগাড় এলাকা থেকে ৪ জনকে ৪০ পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতারের পর ১ লাখ টাকার বিনিময়ে ৩ জনকে ৩৪ ধারায় ও বাকি ১ জনকে ৪০ পিচ দিয়ে মাদক মামলা রজু করত আদালতে প্রেরণ করা হয় বলে একটি বিশেষ সুত্র জানায়। এব্যাপারে লালন ফকিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি আমি এসবের সাথে জড়িত নই বলে দাবী করেন এবং এ প্রতিনিধিকে চ্যালেঞ্জ করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে এধরনের কোন অভিযোগ বা তথ্য প্রমান পেলে আমি চাকুরি ছেড়ে চলে যাবো।
জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হারুন-উর-রশিদ এ জেলায় যোগদানের পর থেকে জেলায় মাদকদ্রব্য বেচা-কেনা ও মাদক ব্যবসায়ীদের নিমূলে অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়ে জেলায় বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন এবং আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রনের লক্ষ্যে জেলাব্যাপী পুলিশী বিশেষ অভিযান পরিচালনাসহ কমিনিউটি পুলিশ গঠনের মতো মহৎ কাজটি হাতে নেয়ার পর জেলা অতিঃ পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, টঙ্গী মডেল থানার সিনিঃ এএসপি (সাকেল) মোঃ গোলাম সবুর, বর্তমান অফির্সাস ইনচার্জ মোহাম্মদ আলী, অফির্সাস তদন্ত মোঃ আমিনূল ইসলাম, সেকেন্ড অফিসার এসআই মোঃ হাসানূজ্জামানের বলিষ্ট নেতৃত্বে মাদকদ্রব্যসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্তণে বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী থেকে সেবনকারীরা যখন আতংকে দিন কাটাচ্ছে, জেলা পুলিশ সুপার বা থানার র্উদ্ধতন কর্মকর্তাদের ভয়ে টঙ্গীতে মাদকদ্রব্য ব্যবসায়ী বা সেবনকারী এবং বিভিন্ন অপরাধীদের টঙ্গীতে আনা-গোনা বা মাদকদ্রব্য ব্যাবসা যখন অনেকাংশে শিথিল তখন এধরনের অর্থলোভী টঙ্গী মডেল থানার কয়েকজন এএসআইসহ উপরোক্ত গাড়ী চালক কনষ্টেবলগনের কারনে স্থানীয় পুলিশ প্রসাশনের ভাবমুর্ত্তিকে প্রশ্ন বিদ্ধ করছে বলেই টঙ্গী ও গাজীপুরবাসী মনে করছে।
এব্যাপারে টঙ্গী মডেল থানার অফির্সাস ইনচার্জ মোহাম্মদ আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসব বিষয়ে কিছু জানে না বলে জানান। তবে এধরনের কোন ঘটনা কেউ ঘটিয়ে থাকলে তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
গাজীপুর মহানগর জাতীয় শ্রমিকলীগের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত
- on 9:31:00 AM
মোঃ ইমন খান : গাজীপুর মহানগর জাতীয় শ্রমিকলীগের আহবায়ক কমিটি অনুমোদন হওয়ার পর এক আলোচনা সভা ও পরিচিতি সভার আয়োজন করেন। উক্ত আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন- গাজীপুর মহানগর জাতীয় শ্রমিকলীগের আহবায়ক- আলহাজ্ব মোঃ আঃ মজিদ বিএসসি। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- গাজীপুর ২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল, সভাপতি- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। উক্ত আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- নতুন কমিটির ১ নং যুগ্ম আহবায়ক- মোঃ কবির আহম্মেদ মন্ডল, যুগ্ম আহবায়ক- মোঃ ইব্রাহীম খলিল, মোঃ মজিবর রহমান, মোঃ আঃ জলিল, মোঃ মাহফুজুর রহমান মাহফুজ, মোঃ মেহেদী হাসান সুমন, গাজীপুর জেলা শ্রমিকলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি- মোঃ মতিউর রহমান মতি, সহ-সভাপতি মমিন উদ্দিন সহ প্রায় অর্ধশতাধিক নেতা কর্মী।
টঙ্গী থানা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা ॥ আনন্দ মিছিল
- on 9:30:00 AM
টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি : টঙ্গী থানা ছাত্রলীগের নতুন কমিটিতে মেহেদি হাসান কানন মোল্লাকে সভাপতি, মশিউর রহমান সরকার বাবুকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করায় টঙ্গী থানা ছাত্রলীগের উদ্যোগে গতকাল বুধবার বাদ আছর গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাহিদ আহসান রাসেলকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলটি টঙ্গী সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে শুরু করে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে টঙ্গী নতুন বাজার আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে গিয়ে আলোচনায় মিলিত হয়। আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নবনির্বাচিত কমিটির সহ-সভাপতি জুয়েল রানা, আশরাফুল আলম, মোঃ সাত্তার হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামীম, মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া, এহসানুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রানা, মোঃ রাসেল বেপারী। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, রেজাউল করিম, হুমায়ুন কবির বাপ্পি, মোক্তার হোসেন প্রমুখ।
টঙ্গীতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ
- on 9:29:00 AM
স্টাফ রিপোর্টার : টঙ্গী থানা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করার পর পূর্ব শত্র“তার জের ধরে ছাত্রলীগের দুই গ্র“পের নয়ন ও জুয়েলের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে জুয়েল নয়নকে কিল ঘুষি ও লাথি মেরে রক্তাক্ত করে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে রিকসায় তুলে নিঝুম এলাকায় নিয়ে যায়।
জানা যায়, পূর্ব শত্র“তার জের ধরে স্থানীয় দেওড়া এলাকার ৫৩নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী নয়ন ও এরশাদনগর এলাকার ৪৯নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী জুয়েলের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। থানা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির উদ্যোগে টঙ্গী কলেজ গেইট এলাকা থেকে হবে মিছিলের খবর পেয়ে নয়ন টঙ্গী কলেজ গেইট এলাকায় একা আসন। পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা জুয়েল নয়নকে একা পেয়ে তার লোকজন নিয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে নয়নের ওপর হামলা করে। এক পর্যায়ে তাকে কিল-ঘুষি ও লাথি দিয়ে রক্তাক্ত করে নয়নকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে টেনে হেচরে রিকশায় তুলে বনমালা দীঘির পাড় নিয়ে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা মুক্তার হোসেনের নেতৃত্বে একদল ছাত্রলীগ নেতা নিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এব্যাপারে নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি মেহেদী হাসান কানন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান সরকার বাবুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, তাদের আভ্যন্তরীক ব্যাপার। এখানে ছাত্রলীগের কোন ব্যাপার না। এব্যাপারে আমরা দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
জানা যায়, পূর্ব শত্র“তার জের ধরে স্থানীয় দেওড়া এলাকার ৫৩নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী নয়ন ও এরশাদনগর এলাকার ৪৯নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী জুয়েলের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। থানা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির উদ্যোগে টঙ্গী কলেজ গেইট এলাকা থেকে হবে মিছিলের খবর পেয়ে নয়ন টঙ্গী কলেজ গেইট এলাকায় একা আসন। পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা জুয়েল নয়নকে একা পেয়ে তার লোকজন নিয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে নয়নের ওপর হামলা করে। এক পর্যায়ে তাকে কিল-ঘুষি ও লাথি দিয়ে রক্তাক্ত করে নয়নকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে টেনে হেচরে রিকশায় তুলে বনমালা দীঘির পাড় নিয়ে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা মুক্তার হোসেনের নেতৃত্বে একদল ছাত্রলীগ নেতা নিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এব্যাপারে নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি মেহেদী হাসান কানন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান সরকার বাবুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, তাদের আভ্যন্তরীক ব্যাপার। এখানে ছাত্রলীগের কোন ব্যাপার না। এব্যাপারে আমরা দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
কালিয়াকৈরে ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট ঘোষণা
- on 9:29:00 AM
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেট বুধবার ঘোষনা করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের হলরুমে আয়োজিত বাজেট ঘোষনা অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ,ন,ম খলিলুর রহমান ইব্রাহীম এর সভাপতিত্বে পরিষদের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন ১কোটি ৫২ লক্ষ ১০ হাজার ২শত ৫৪ টাকার বাজেট ঘোষনা করেন। বাজেট অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন কালিয়াকৈর উপজেলা আ’লীগ নেতা ও বোয়ালী এনএন উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ । অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ইউপি সদস্য মোঃ আলাল উদ্দিন , ইউপি সদস্য মোঃ সুরুজ মিয়া , এ্যাডভোকেট মোঃ মজিবর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।
কালিয়াকৈরে দুর্দশাময় ২০গজ রাস্তা দুর্ভোগে এলাকাবাসী
- on 9:29:00 AM
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চাপাইর ও ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী ধুলিগড়া এলাকার বাঙ্গলাবাজারে মাত্র ২০গজ রাস্তা কর্দমাক্ত হওয়ায় চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে হাজার হাজার জনগণ।
স্থানীয় একাধিক সুত্র জানায়,বাঙ্গলা বাজার এলাকায় মাত্র ২০গজ রাস্তায় গর্ত ও কাদা পানি মিলে একাকার হওয়ায় সকল ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে সাতকুড়া, বাঘবেড়চালা, ধুলীগড়া, তেলিনা ও ভাল্লুকবেড় চালা সহ পার্শ্ববর্তী কয়েকটি গ্রামের ছাত্রছাত্রী সহ হাজার হাজার জনতা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে চাপাইর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার আব্দুল মান্নান জানান, রাস্তাটি অতি গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু এলাকাটি ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের আওতাধীন হওয়াতে আমরা কাজ করতে পারিনি। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাজারের সভাপতি ডা,--বলেন আমরা বাজার তথা এলাকর পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান মেম্বারদের কাছে বার বার ধর্না দিয়েও রাস্তাটি মেরামত করাতে পারছিনা। বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করীম রাসেল এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং রাস্তা মেরামতের আশ্বাস দিয়েছেন।
স্থানীয় একাধিক সুত্র জানায়,বাঙ্গলা বাজার এলাকায় মাত্র ২০গজ রাস্তায় গর্ত ও কাদা পানি মিলে একাকার হওয়ায় সকল ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে সাতকুড়া, বাঘবেড়চালা, ধুলীগড়া, তেলিনা ও ভাল্লুকবেড় চালা সহ পার্শ্ববর্তী কয়েকটি গ্রামের ছাত্রছাত্রী সহ হাজার হাজার জনতা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে চাপাইর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার আব্দুল মান্নান জানান, রাস্তাটি অতি গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু এলাকাটি ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের আওতাধীন হওয়াতে আমরা কাজ করতে পারিনি। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাজারের সভাপতি ডা,--বলেন আমরা বাজার তথা এলাকর পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান মেম্বারদের কাছে বার বার ধর্না দিয়েও রাস্তাটি মেরামত করাতে পারছিনা। বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করীম রাসেল এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং রাস্তা মেরামতের আশ্বাস দিয়েছেন।
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় উদ্বোধন ও বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস পালন
- on 10:10:00 AM
সাংবাদিকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে
স্টাফ রিপোর্টার : জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগীয় অফিস উদ্বোধন ও বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস পালন অনুষ্ঠানে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মুহম্মদ আলতাফ হোসেন বলেন- সাংবাদিকরা জাতীর বিবেক। তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সরকারকে আরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। আজকে সাংবাদিকরা অনেকেই নানা হামলা-মামলার শিকার হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। তাদের সহযোগিতায় সরকারের পাশাপাশি আমাদেরকেও এগিয়ে আসতে হবে।
গতকাল শনিবার দুপুরে গাজীপুর মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তায় ঢাকা-ময়মনসিং মহাসড়কের ভোগড়াস্থ চৌধূরী সিটি টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য কালে তিনি আরো বলেন- আজকে সাংবাদিক নামের ধান্দাবাজ এ পেশার সুনাম ক্ষুন্ন করে চলেছে। তারা মোটর সাইকেলসহ প্রাইভেটকারে সাংবাদিক স্টিকার লাগিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা করে চাঁদাবাজি করে। সরকারকে এ বিষয়গুলোও কঠোর হস্তে দমন করা জরুরু।
গাজীপুর জেলা সাংবাদিক সংস্থার সভাপতি লায়ন মোঃ আব্দুল মজিদ খানের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন- দৈনিক মুক্ত বলাকা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আলমগীর হোসেন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন- সাংবাদিক সংস্থা দীর্ঘ ৩৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করে আসছে। সাংবাদিকদের অধিকার আদায়, প্রশিক্ষণ এবং সাংবাদিকতাকে একটি সুস্থ্য ধারার ফ্রেমে সাজিয়ে রাখতে সংগঠটি অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছে।
অনুষ্ঠানে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, গাজীপুর জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা এবং আজিজ চৌধূরী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সালাউদ্দিন চৌধুরী জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন করেন।
তাছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- রানী বিলাসমনি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ আবুল হোসেন, সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব এড. লুৎফুর রশীদ রানা, যুগ্ম মহাসচিব কাজী সিরাজুল ইসলাম, সাপ্তাহিক ঘটনার আড়ালে পত্রিকার সম্পাদক মোঃ জানে এ আলম, সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবু হানিফ, ডেইলী ইনডিপেনডেন্ট পত্রিকার গাজীপুর প্রতিনিধি মোঃ হাজীনুর রহমান শাহীন, বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এস.কে ইসলাম, গাজীপুর জেলা সাংবাদিক সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবিদ হোসেন বুলবুল, দৈনিক ভোরের সময় পত্রিকার গাজীপুর প্রতিনিধি মোঃ চাঁন মিয়া মুন্সী, ডেইলী সানের গাজীপুর প্রতিনিধি মাসুম বিল্লাহ মাজেদসহ সাংবাদিক মোঃ জসিম উদ্দিন ও জিহাদ হোসেন।
তাছাড়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- গাজীপুর মহানগর প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব মোসাঃ শিমু আক্তারসহ সাংবাদিক ইমন খান, সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন, সাংবাদিক ইব্রাহীম খান, সাংবাদিক মোঃ রফিকুল ইসলাম রুবেল, আব্দুল মান্নান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষ প্রান্তে দোয় পরিচালনা করেন- স্থানীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম ক্কারী মোঃ ওবায়দুল্লাহ।
কাপাসিয়ায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও দুস্থদের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ
- on 10:09:00 AM
শাকিল হাসান, কাপাসিয়া : গাজীপুরের কাপাসিয়ায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের সহায়তায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গরিব অসহায় দুস্থদের মাঝে ১৬ মে শনিবার সকালে ১১০ বান্ডেল ঢেউটিন বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ণ অফিসের উদ্যোগে পরিষদ চত্বরে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঢেউ টিন বিতরণ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনিসুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সাবেক এমপি মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড. রেজাউর রহমান লস্কর, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ণ কর্মকর্তা জাকির হোসেন সরকার প্রমূখ। উল্লেখ, সম্প্রতি কাল বৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে উপজেলা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গরিব অসহায়দের ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের তৎপরতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয় প্রথম কিস্তিতে ১১০ বান্ডেল ঢেউ টিন বরাদ্দ দিয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ণ অফিসের উদ্যোগে পরিষদ চত্বরে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঢেউ টিন বিতরণ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনিসুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সাবেক এমপি মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড. রেজাউর রহমান লস্কর, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ণ কর্মকর্তা জাকির হোসেন সরকার প্রমূখ। উল্লেখ, সম্প্রতি কাল বৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে উপজেলা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গরিব অসহায়দের ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের তৎপরতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয় প্রথম কিস্তিতে ১১০ বান্ডেল ঢেউ টিন বরাদ্দ দিয়েছে।
কালিয়াকৈরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
- on 10:09:00 AM
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শওকত হোসেন (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। উপজেলার কামারিয়া গ্রামে একটি পোল্ট্রি ফার্মে রোববার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শওকত কামারিয়া গ্রামের মোঃ আতর আলীর ছেলে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মরিয়ম বেগম জানান, ৭-৮ মাস ধরে মোঃ ইদ্রিস বেপারীর পোল্টি ফার্মে কাজ করতেন। রোবাবার সকালে ওই বাড়িতে পোল্টী খামারের নিচে কাজ করার সময় অসর্তকতা বসত বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে সে মারা যায়। পরে নিহতের লাশ পারিবারিক ভাবে দাফন করা হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মরিয়ম বেগম জানান, ৭-৮ মাস ধরে মোঃ ইদ্রিস বেপারীর পোল্টি ফার্মে কাজ করতেন। রোবাবার সকালে ওই বাড়িতে পোল্টী খামারের নিচে কাজ করার সময় অসর্তকতা বসত বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে সে মারা যায়। পরে নিহতের লাশ পারিবারিক ভাবে দাফন করা হয়।
কালিয়াকৈরে শালিশে চোর না পেয়ে চোরের বাবার জরিমানা
- on 10:08:00 AM
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার গোসাত্রা এলাকায় মোটর সাইকেল চোর কে গ্রাম্য শালিশে না পেয়ে চোরের বাবাকে জড়িমানা করল স্থানীয় মাতাব্বরেরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকার উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডাক্তার মোঃ নাজিম উদ্দিনের মোটর সাইকেল চুরি নিয়ে এলাকায় জনগনের মধ্যে তুলপার শুরু হয়। স্থানীয় বিচক্ষণ মাতাব্বরেরা বিভিন্ন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে চোরদের ঠিকানা। পরে রোবাবার স্থানীয় শালিশে চোরদের অভিবাবকসহ উপস্থিত করা হয়। শালিশে অনুপস্থিত চোর সোলাইমানের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয় সকল দায় ভার। পরে অনুপস্থিত চোর সোলাইমানের পিতা ফজল মিয়াকে ৬০ হাজার টাকা জড়িমানা করে শালিশের মাতাব্বররা।
ডা. নাজিম উদ্দিন জানান, শানবার রাত সারে ৯টার দিকে ওই এলাকার উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের তাকে রোগি পরিচয়ে মঠোফোনে ওই এলাকার কিসমত আলীর বাড়ীতে যেতে বলে। সে ওখানে গিয়ে একটি মোটর সাইকেলে ওই এলাকার আঃ লতিফের ছেলে রাকিব (৩০), ফজলের ছেলে সোলাইমান ও অজ্ঞাত পরিচয়ে একজনকে দেখতে পায়। সেখানে মোটরসাইকেল রেখে ডাক্তার কিসমতের বাড়িতে যায়। সেখানে গিয়ে জানতে পারে তাকে ওই বাড়ির কেউ ডাকেনি। সে বারবার ওই নাম্বারে ফোন করলেও আর রিসিভ করেনা। পরে সে ৫ মিনিটের মধ্যে ফিরে এসে দেখে তার মোটরসাইকেলটি ও ওই ছেলে গুলো নেই। পরে তিনি রোবাবার সকালে কালিয়াকৈর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকার উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডাক্তার মোঃ নাজিম উদ্দিনের মোটর সাইকেল চুরি নিয়ে এলাকায় জনগনের মধ্যে তুলপার শুরু হয়। স্থানীয় বিচক্ষণ মাতাব্বরেরা বিভিন্ন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে চোরদের ঠিকানা। পরে রোবাবার স্থানীয় শালিশে চোরদের অভিবাবকসহ উপস্থিত করা হয়। শালিশে অনুপস্থিত চোর সোলাইমানের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয় সকল দায় ভার। পরে অনুপস্থিত চোর সোলাইমানের পিতা ফজল মিয়াকে ৬০ হাজার টাকা জড়িমানা করে শালিশের মাতাব্বররা।
ডা. নাজিম উদ্দিন জানান, শানবার রাত সারে ৯টার দিকে ওই এলাকার উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের তাকে রোগি পরিচয়ে মঠোফোনে ওই এলাকার কিসমত আলীর বাড়ীতে যেতে বলে। সে ওখানে গিয়ে একটি মোটর সাইকেলে ওই এলাকার আঃ লতিফের ছেলে রাকিব (৩০), ফজলের ছেলে সোলাইমান ও অজ্ঞাত পরিচয়ে একজনকে দেখতে পায়। সেখানে মোটরসাইকেল রেখে ডাক্তার কিসমতের বাড়িতে যায়। সেখানে গিয়ে জানতে পারে তাকে ওই বাড়ির কেউ ডাকেনি। সে বারবার ওই নাম্বারে ফোন করলেও আর রিসিভ করেনা। পরে সে ৫ মিনিটের মধ্যে ফিরে এসে দেখে তার মোটরসাইকেলটি ও ওই ছেলে গুলো নেই। পরে তিনি রোবাবার সকালে কালিয়াকৈর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন।
কালীগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলায় আহত-২
- on 10:07:00 AM
বাদীকে হত্যার হুমকি
কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রবাসীর বাড়ীতে সন্ত্রাসী হামলায় দুইজন আহত হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। ৯ দিনেও মামলা নেয়নি থানা পুলিশ। অভিযোগ প্রত্যাহার করতে বাদীকে হত্যার হুমকি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকালে উপজেলার চৌড়া দর্গা এলাকার সৌদী আরব প্রবাসী ইকবাল শিকদারের সাথে পূর্বশত্রুতার জের ধরে আহাম্মদ শিকদার ও আবু সাইদ শিকদার বাড়ীতে প্রবেশ করে অশালীন ভাষায় গালমন্দ করিতে থাকে। এ সময় প্রবাসীর স্ত্রী মোসাঃ রাবেয়া বেগম(২৬) ও তার মা মোসাঃ শিরিনা আক্তার (৪৬) তাদের প্রতিবাদ করলে আবু সাইদ শিকদার শিরিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাটিতে ফেলে গলায় চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। এ সময় প্রবাসীর স্ত্রী রাবেয়া বেগম তাকে উদ্ধার করতে গেলে সন্ত্রাসীরা তাকেও আহত করে তাদের গলা থেকে স্বর্নের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কালীগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে। স্থানীয়রা জানায়, আবু সাইদ ও আহাম্মদ শিকদার খারাপ প্রকৃতির লোক। দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের মধ্যে বিরোধ চলছে। তাদের পূর্বশত্রুতার জের ধরে এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী মো. শরীফ হোসেন জানান, সন্ত্রাসীরা আমার মা ও বোনকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলঅ করে। স্থানীয়দের সহযোগীতায় তারা বেচে যায়। তার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাদের আটক করেনি। থানায় মামলাও নেয়নি। প্রতিনিয়ত তারা আমাকে মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকালে উপজেলার চৌড়া দর্গা এলাকার সৌদী আরব প্রবাসী ইকবাল শিকদারের সাথে পূর্বশত্রুতার জের ধরে আহাম্মদ শিকদার ও আবু সাইদ শিকদার বাড়ীতে প্রবেশ করে অশালীন ভাষায় গালমন্দ করিতে থাকে। এ সময় প্রবাসীর স্ত্রী মোসাঃ রাবেয়া বেগম(২৬) ও তার মা মোসাঃ শিরিনা আক্তার (৪৬) তাদের প্রতিবাদ করলে আবু সাইদ শিকদার শিরিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাটিতে ফেলে গলায় চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। এ সময় প্রবাসীর স্ত্রী রাবেয়া বেগম তাকে উদ্ধার করতে গেলে সন্ত্রাসীরা তাকেও আহত করে তাদের গলা থেকে স্বর্নের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কালীগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে। স্থানীয়রা জানায়, আবু সাইদ ও আহাম্মদ শিকদার খারাপ প্রকৃতির লোক। দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের মধ্যে বিরোধ চলছে। তাদের পূর্বশত্রুতার জের ধরে এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী মো. শরীফ হোসেন জানান, সন্ত্রাসীরা আমার মা ও বোনকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলঅ করে। স্থানীয়দের সহযোগীতায় তারা বেচে যায়। তার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাদের আটক করেনি। থানায় মামলাও নেয়নি। প্রতিনিয়ত তারা আমাকে মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে।
গাজীপুরের মনিপুরে আলমাছ কাজ্বীর মাদ্রাসায় ছাত্রকে বেধুম প্রহার ঃ শিক্ষক বহিস্কার
- on 9:19:00 AM
স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুর সদর উপজেলা ভাওয়াল গড় ইউনিয়নে মনিপুর গ্রামে “হাজ্বি আলমাছ কাজ¦ী কারিমিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা” মাদ্রাসা। মাদ্রাসাটি অল্প সময়ের মধ্যেই দশ জনের সহযোগীতায় বিশেষ করে পাশে ইউটা গ্রোপের অনুদানের কথা অসিকার করার মতো নয়। সেখান থেকে প্রতিমাসে বেতন হলেই সুপার ফাইজারের মাধ্যমে টাকা কালেকশন করে সহযোগীতা করে আসছে। এছাড়া প্রত্যেক ফসল উৎপাদন মওসুমে গ্রামে গ্রামে শিক্ষক ও এতিম ছাত্রদের দিয়ে ধান, কাঁঠাল ও বাঁশ পর্যন্ত কালেকশন করাচ্ছে। এমন কি প্রতি বছর ২/৩টি ইসলামী ওয়াজ মাহফিল দিয়ে হাজার হাজার টাকা আয় করছে। এছাড়াও মাদ্রাসার সোনার এতিম ছেলেদের কাছ থেকে বেতন হিসেবে নিচ্ছে ৩৫০ টাকা। লোক মুখে শুনেছি, বাহিরের কোন মাদ্রাসার ছাত্র অথবা শিক্ষক বা কোন মাদ্রাসার সওয়ালকারী আশেপাশে আসলে তাকে অপমান অপদস্ত করে। এই মাদ্রসার কমিটি ও শিক্ষকগণ মাদ্রাসার জন্য এত কঠুর পরিশ্রম করেছেন যা বর্ণণাতীত। কোন কোন কেজি স্কুলের বেতন যখন ১০০ টাকা তখন “আলমাছ কাজী কারিমাতুল কারীম মাদ্রাসার ছাত্রদের বেতন ৩০০ টাকা বর্তমান বেতন ৩৫০ টাকা। অথচ এতিম খানার নামে ছাত্রদের দিয়ে চলছে আলমাছ কাজির মাদ্রাসার ব্যবসা।
সূত্রে জানা যায় যে ছাত্ররা রাতদিন পড়ার মধ্যে থেকে কোরআন শরীফকে মুখস্ত করে তাদের দিয়ে বিভিন্ন ভাবে টাকা কালেকশন করে মাদ্রাসার উন্নয়ন করে আসছে। কিন্তু আজ সেই ছাত্র মোঃ এমদাদুল (১১) মারবেল খেলার অপরাধে গত ২৮ শে এপ্রিল রোজ সমঙ্গলবার সকাল ৮ ঘটিকায় অত্র মাদ্রসার শিক্ষক মোঃ মোজাম্মেল হক তাকে বেধম প্রহার করে অজ্ঞান করে ফেলে। এমনকি কাউকে বললে আগামীকাল আরও বেত্রাঘাত করা হবে বলে তাকে শাসায়। বেত্রাঘাতের পর এমদাদুলকে কোন শিক্ষক বা কমিটির কেউ চিকিৎসা দেয়াতো দুরের কথা, কোন ছাত্রকে এ বিষয়ে মুখ খুলতে দেয়নি শিশু নির্যযাতন কারী শিক্ষক মোজাম্মেল হক। এদিকে ওস্তাদের পিটুনীর ব্যথা সহ্য করতে পারছিলনা ছেলেটি। ব্যথায় যন্ত্রনায় জ¦রে কাতরাচ্ছিল। বড় ভাই মোঃ জাহিদুল ইসলাম তার অবস্থা দেখে গায়ে হাত বুলালে বড় ভাইকে বলে- ভাইয়া তোমার হাতটা সরাও, আমার কিছুই হয়নি। বড় ভাই দেখতে পায় তার হাতে বেত্রাঘাতের চিহ্ন। তার গায়ের কাপড় খোলার পর সারা শরীরে ২০/৩০ টি বেতের আঘাত দেখতে পেয়ে বড় ভাই কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে এবং জড়িয়ে ধরে ছোট ভাইকে। জিজ্ঞেস করে কে তোকে মারছে? অনেকক্ষণ কান্নার পর ছোট ভাই এমদাদুল হক বলে- আমি বসে আছি, আমার বন্ধুরা সেখানে ওরা মারবেল খেলতেছিল। আমার দিকে একটি মারবেল ছুড়ে মারলে এমনি হুজুরে তা দেখে ফেলে। পরে আমাকে হাতে, পিঠে ও পাছায় খুব জোড়ে পিটিয়ে সারা শরীর জখম করে। আরও বলেন বাসায় কারো কাছে যদি বলিস তাহলে কাল আবার পেটাব। আমি হজুরের ভয়ে তুমাকে বলিনি ভাইয়া। বড় ভাই বিষয়টি জানার পর খুব মর্মাহত হন এবং কমিটির কাছে বিচার দাবী করেন। আরও জনা যায় এরকম প্রহার করে অনেকের হাত পর্যন্ত ভেঙ্গে দিয়েছে যারা পিটির ভয়ে পি/মাতাকে কিছুই বলেনি। পড়ালেখা বন্ধ করে হয়তো মা-বাবার গালী খাচ্ছে অথবা কোথাও সিএনজি /লেগুনা গাড়ির হেলপার গিরি করতেছে। তাদের জীবন হচ্ছে ধবংস। এরকম অমানষিক নির্যাতনের ফলে ছাত্রদের ব্রেনে আঘাত পাচ্ছে। ফলে আশানুরুপ ফল পাচ্ছেনা পিতা-মাতা বা গার্জেন। বিষয়টি জানা জানি হলে এলাকার সচেতন ব্যক্তিবর্গগণ ক্ষিপ্ত হয়ে র্নিযাতিত ছাত্রদের অভিভাবকসহ মাদ্রাসার আঙ্গিনায় তারা অবস্থান গ্রহণ করে। বাধ্য হয়ে শিক্ষককে গত ২৯ শে এপ্রিল মাদ্রাসার কমিটি ও জনসাধারণকে সান্তনা মূলক আশ্বাস দিয়ে শিক্ষক মোজাম্মেল হককে চাকুরী থেকে বরখাস্ত করেন।
“হাজ্বি আলমাছ কাজ¦ী কারিমিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা” কারীম মাদ্রাসা” ছাত্রদের সহিত এই রকম অমানবিক, পাশবিক, মানুষিক প্রেশার, লোম হর্ষক ও সরকারী নিয়ম বহির্ভূত এ রকম ঘটনা চালিয়ে আসছে মাদ্রাসার শুরু লগ্ন থেকেই। এই শিক্ষক (মােঃ মোজাম্মেল হক) আয়শা সিদ্দিকা মহিলা মাদ্রাসা নামে আরও একটি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল। জনগনের মনে প্রশ্ন ? সেপুরুষ হয়ে মহিলা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হয় কি ভাবে? বিস্তারিত আসছে পরর্বতী চলমান পাতায়।
গাজীপুরের মনিপুর বাজার থেকে সন্ত্রাসী গ্রেফতার
- on 9:10:00 AM
শওকত হোসাইন : গাজীপুর সদর উপজেলা, ভাওয়াল গড় ইউনিয়নে মনিপুর বাজারে নিখিল চন্দ্র ঘোস এর দোকানের উপরের চালের টিন খোলে দোকানের ভিতরে প্রবেশ করে এক সন্ত্রসী। ঘটনা সূত্রে জানা যায়-গত ৪ই মে রোজ সোমবার ডিউটিরত বাজার পাহারাদার জানান রাত তখন প্রায় ৩টা ৩০ মিনিট। হঠাৎ শব্দ শুনতে পাই। শব্দ শুনে আস্তে আস্তে সামনের দিকে আগাইতে থাকি যাতে কেউ আমাকে না দেখে। নিখিল চন্দ্র ঘোসের দোকানের দিকে শব্দ আন্দাজ করলাম। উপর থেকে লাফ দিয়ে ভিতরে নামার শব্দ পেলাম। বাহিরের শার্টার বন্ধছিল। আমরা বাঁশি ফুক দিতে থাকি সকলে জড়ো হলে বেচারা সন্ত্রাসী আর পালানোর রাস্তা পাচ্ছিলনা। পরে তাকে হাতে নাতে ধরে ফেলে। হোতা পাড়া পুলিশ ফাঁড়ীর এ টি এ.এস.আই হারুনুর রশিদ জানান- আমি ডিউটি অবস্থায় ছিলাম। এই সন্ত্রসী মোঃ শামীম শেক(২১), পিতা -আবু তহের শেক, সাং- বলই গুনিয়া, থানা - মুড়ল গঞ্জ, জেলা : বাগের হাট তাকে আমরা শ্রী নিখিল চন্দ্র ঘোষ এর দোকানে টিনের চাল কেটে দোকানের ভিতরে ডুকলে তৎখনাত হাতে নাতে ধরি। এলাকাবাসি জানান- যদি এ টি এ.এস.আই হারুনুর রশিদ এর মত দায়িত্ব পালন কারী একজন পুলিশ কর্মকর্তার মত সকল পুলিশ কর্মকর্তাগণ কাজ করত, তাহলে বাংলাদেশ হতো একটি সন্ত্রাস মুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ।
ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে সন্ত্রাসীকে ধরে গ্রেফতার করার জন্য মনিপুর এলাকার জনগণ এ টি এ. এস .আই হারুনুর রশিদকে ধন্যবাদ জানান।
ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে সন্ত্রাসীকে ধরে গ্রেফতার করার জন্য মনিপুর এলাকার জনগণ এ টি এ. এস .আই হারুনুর রশিদকে ধন্যবাদ জানান।


