শিরোনাম

সাংবাদিকতার পরিচয়ে চৌরাস্তায় একটি চক্র নানা অপরাধে সক্রিয় : নেতৃত্বে শামীম ও হালিম ক্লিনিকের গেইটে তালা লাগিয়ে পালিয়েছে কর্তৃপক্ষ টঙ্গী পাইলট স্কুল এন্ড গার্লস কলেজ বৃক্ষরোপন, নামাজের ঘর ও কমনরুম উদ্বোধন গাজীপুরে একজনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড উন্মোচিত হয়নি কালীগঞ্জে সাবেক এমপি পুত্র হত্যা রহস্য গাজীপুরে পুত্র হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা তাজউদ্দীন পুত্র সোহেল তাজের মনের শক্তি অনেক

২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

গাজীপুরে বাবা-মেয়ে খুন

দুর্বৃত্তদের হামলায় গাজীপুরে নিজ ঘরে বাবা ও মেয়ে হত্যার
বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও মৌনমিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা
স্টাফ রিপোর্টার : প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় দুর্বৃত্তদের হামলায় গাজীপুরে নিজ ঘরে বাবা ও মেয়ে হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও মৌনমিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা। এ সময় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়। পোড়াবাড়ি থেকে নগপাড়া পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উভয়পাশে দাঁড়িয়ে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মানববন্ধন করেন স্থানীয় কয়েকটি স্কুলের শিক্ষার্থীরা। এ সময় এলাকাবাসীও তাদের সঙ্গে যোগ দেন। পোড়াবাড়ি বাসস্ট্যান্ডে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কও অবরোধ করে রাখা হয়।
পোড়াবাড়ি শাহ সুফি ফসিউদ্দিন স্কুলের প্রধান শিক্ষক সানাউল্লাহ সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট আঞ্জুমান আরা বেগম, খালেক আকন্দ, সিরাজ উদ্দিন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গাজীপুর মহানগরের উত্তর সালনায় গত বৃহস্পতিবার প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় রাতে ঘরে ঢুকে নবম শে্িরণর ছাত্রী আঁখি আক্তারকে (১৫) কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তার বাবা সাইফুল ইসলামকেও কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই দিন সকাল ১১টার দিকে তিনিও মারা যান। এদিকে মঙ্গলবার ভোরে আঁখির দাদা আলাউদ্দিন (৭৫) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

গাজীপুর স্পুটিং ক্লাব ধরাশায়ী ৭-০ গোলে ঃ পশ্চিম জয়দেবপুর বিজয়ী

শেখ কামাল নিটল টাটা গাজীপুর প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগ

মানিক সরকার : গাজীপুর জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের ব্যবস্থাপনায় গাজীপুর শহীদ বরকত স্টেডিয়ামে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে পশ্চিম জয়দেবপুর একাদশ বনাম গাজীপুর একাদশ এর খেলায় ৭-০ গোলে গাজীপুর স্পেটিং ক্লাব পশ্চিম জয়দেবপুর একাদশের নিকট ধরাশায়ী হয়েছে। মাঠে রেফারি হিসেবে খেলা পরিচালনা করেন-হুমায়ুন কবির-১।  তাকে সহযোগিতা করেন- নজরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির-২ ও আমির হোসেন। বিপুল সংখ্যক দর্শকের সাথে গাজীপুর জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি এড. মোঃ ওয়াজ উদ্দিন মিয়া, সাবেক ফুটবলার মোঃ আজমত আলী, ডিএফএর সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধ মোঃ হাতেম আলী, ডিএফএ’র কোষাধ্যক্ষ মোঃ জামাল হোসেন প্রমুখ। আজকের খেলায় অংশ নিচ্ছেন ব্রাদার্স ইউনিয়ন বনাম টঙ্গী ক্রীড়া সংস্থা। 

টঙ্গীতে বিএনপি নেতাকর্মীরা লাপাত্তা!

অবরোধে নেই কোন তৎপরতা

স্টাফ রিপোর্টার, টঙ্গী : বিএনপি’র টানা ১৫দিন যাবত অবরোধ-হরতালে বিএনপির দুই কেন্দ্রীয় নেতাসহ সকল নেতাকর্মী টঙ্গী থেকে লাপাত্তা হয়ে গেছেন। এতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনসমূহের তৃর্ণমূল কর্মীরা নেতৃত্ব সংঙ্কটে পড়ে হতাশায় রাজনৈতিক কর্মকান্ড থেকে দূরে সরে রয়েছেন। রাজধানীর প্রবেশ মুখ টঙ্গী শিল্পাঞ্চল একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা।  রাজধানী ঢাকায় আন্দোলন সংগ্রামে টঙ্গী থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সবসময়ই রেখে থাকেন। সে দিক থেকে টঙ্গীর স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা তেমন একটা ভূমিকাও রাখতে পারছেন না তাদের স্থানীয় নেতৃত্বস্থানীয় নেতাদের এলাকা থেকে লাপাত্তা হয়ে থাকার কারণে। কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য হাসান উদ্দিন সরকার ও জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের কার্যকরি সভাপতি সালাহ্ উদ্দিন সরকারের বাড়ি টঙ্গীতে। টঙ্গী শিল্পাঞ্চলের ও থানা বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মীই দুই নেতার সমর্থক। টঙ্গীর স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী থেকে তারা দু’জনই লাপাত্তা হয়ে রয়েছেন। টঙ্গীর তৃর্ণমূলের কয়েক হাজার নেতাকর্মী বর্তমান বিএনপির ডাকা টানা অবরোধ-হরতালে কোন কর্মসূচীতেই তাদের কাছে না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন।
এদিকে টানা হরতাল-অবরোধে স্থানীয় বিএনপি-জামায়াত নেতাদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা মাঝে মধ্যে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলাচলরত দু’একটি গাড়ি ভাংচুর ও দু’একটি ককটেল ফাটিয়ে তারা টঙ্গীতে আন্দোলন সংগ্রামে জড়িত আছেন এমন প্রমাণ করার কাজে জড়িত বলে বিএনপির তৃর্ণমূল নেতাকর্মীরা ক্ষোভের সাথে জানান। বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনসমূহ এবং জামায়াতের তৃর্ণমূল পর্যায়ের কর্মীদের সাথে বর্তমান অবরোধ-হরতাল কর্মসূচীর বিষয়ে টঙ্গীতে তাদের কর্মসূচী নেই কেন-এমন প্রশ্নের উত্তরে তারা জানান, টঙ্গীর স্থানীয় জামায়াত কর্মীরা আন্দোলন সংগ্রামে তেমন একটা ভূমিকা রাখতে পারছেন না। কারণ টঙ্গী আওয়ামী ঘরণার রাজনৈতিক এলাকা। সে তুলায় তাদের নেতাকর্মীর সংখ্যা টঙ্গীতে একমাত্র থানা কমিটির উপরই নির্ভরশীল। অন্যদিকে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনসমূহের নেতৃস্থানীয় নেতারা কয়েকটি ধারায় বিভক্ত হয়ে নিজেদের মধ্যেই অন্তর কলহে লিপ্ত। বিএনপির দু’জন কেন্দ্রীয় নেতার বাড়ি টঙ্গীতে হলেও তারা নিজেদের মধ্যে দলীয় নেতাকর্মীদের বিভাজন করে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করে রেখেছেন। কি করে তারা বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকবেন? এমন প্রশ্ন খোদ বিএনপির কর্মীদের মাঝে বিরাজ করছে। তাছাড়া মধ্যম সারির অনেক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধেই মামলা থাকার কারণেও তারা এলাকা ছেড়ে গা-ঢাকা দিয়ে রয়েছেন।
এসব বিষয়ে কথা বলতে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান উদ্দিন সরকারের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। অন্যদিকে জাতীয়তাবাদী কেন্দ্রীয় শ্রমিকদলের কার্যকরি সভাপতি সালাহ্ উদ্দিন সরকারের মোবাইল ফোনে কয়েকবার যোগাযোগ করলেও একটি রিংটোন বাজলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

গাজীপুরে শিক্ষা উপকরণ মেলা ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ -১৫ উপলক্ষে - গাজীপুরে-জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে জয়দেবপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দুইদিন ব্যাপী শিক্ষা  উপকরণ মেলা ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয় । সোমবার বিকালে এ অনুষ্ঠানের উদ্বোদন করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক  মো:আলমগীর হোসেন । মঙ্গলবার দুপুরে শিক্ষা উপকরন মেলা ও পিঠা উৎসব পরিদর্শন করেন গাজীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: মোফাজ্জল হোসেন । শিক্ষা উপকরণ মেলা ও পিঠা উৎসবের তত্বাবধানে ছিলেন পূবাইল স:প্রা: বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নিলুফা ইয়াসমিন ও শিক্ষিকা মাহবুবা আক্তার ।অনুষ্ঠান  শিক্ষক -শিক্ষিকা মা ও শিশু শিক্ষার্থীদের মিলন মেলায় পরিণত হয়।বিকালে জয়দেবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বদরুন্নেছার সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ।এতে বক্তব্য রাখেন -জেলা প্রা:শিক্ষা অফিসার মো: জাহাঙ্গীর হোসেন ,মো: কামরুল হাসান,আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

গাজীপুরে জি.কে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় আনুষ্ঠান


ইমন খান : গাজীপুর মহানগরে ৩১ নং ওয়ার্ডে জি কে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, ধীরাশ্রম এর বার্ষিক মিলাদ ও এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল সকাল ১০ টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ কমিটি। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক এম পি-গাজীপুর-১, এতে আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ মজিবুর রহমান, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সহ-সম্পাদক কেন্দ্রীয় যুবলীগ, মোঃ রফিক উজ্জামান, কাউন্সিলর ৩১ নং ওয়ার্ড, গাজীপুর মহানগর, বিশিষ্ঠ শিক্ষাবিদ ও ভাওয়াল রতœ নূরুল ইসলাম, মোঃ ইকবাল হোসেন, সহ-সভাপতি ধীরাশ্রম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সদস্য জি কে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, মোঃ আক্কাস আলী, ও মোঃ আমজাদ হোসেন, মোঃ আমান উল্লা আমান, অভিভাবক সদস্য জি কে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেন, এ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ আলী আহম্মেদ, সভাপতি ধীরাশ্রম স্পোর্টস ও সমাজ কল্যাণ সংস্থা। প্রধান অতিথির বক্তব্য মন্ত্রী বলেন- বর্তমান সরকার শিক্ষার মান উন্নয়ন করার জন্য বদ্ধপরিকর, তাই প্রাথমিক শিক্ষাকে ১ম শ্রেণি থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাকে ৯ম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। গ্যাস সংকটের কথা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন- অচিরেই আমরা গ্যাস সংকটের সমাধান নিরষণ করব। উক্ত বিদায় অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক,জি কে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়।

গাজীপুরে হরতাল-অবরোধের প্রতিবাদে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার : রাষ্ট্রীয় ও জনসাধারণের সম্পদে অগ্নিসংযোগ, দেশের উন্নয়ন ও অর্থনীতি ধ্বংসকারী হরতাল-অবরোধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও পেশাজীবী সমাবেশ মঙ্গলবার গাজীপুর শহরের রাজবাড়ি রোডে অনুষ্ঠিত হয়। পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ গাজীপুর জেলা শাখার উদ্যোগে সকাল ১১ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত এ মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউিটের মহাপরিচালক ড. জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস, পরিচালক (প্রশাসন) ড. শাহজাহান কবীর, ডা: আমির হোসাইন রাহাত, ডা: আলী হায়দার, ড. ইসমাইল হোসেন, অ্যাডভোকেট আব্দুল হাদী শামীম, মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী, অনিল মন্ডল, অ্যাডভোকেট আমজাদ হোসেন বাবুল, অ্যাডভোকেট শাহজাহান, অ্যাডভোকেট শাহ আলম, অ্যাডভোকেট আনোয়ার সাদাত সরকার, অধ্যাপক মোহসীন মোহাম্মদ আলী, ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, মাসুদ রানা এরশাদ প্রমুখ।

ক্যান্সারে আক্রান্ত মাহরুফকে বাঁচান

শাকিল হাসান, কাপাসিয়া : গাজীপুরের কাপাসিয়া বরুন গ্রামের মোঃ বিল্লাল হোসেনের পুত্র ৪র্থ শ্রেণির মেধাবী ছাত্র মোঃ মেহেদী হাসান মাহরুফ(১২) মরণ ব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন ঢাকার একটি হাসপালে।
তার পারিবারিক সুত্রে জানা যায় মোঃ মেহেদী হাসান মাহরুফ বর্তমানে ঢাকা আহছানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় আছে। শিশুটির চিকিৎসার জন্য বিপুল পরিমান অর্থের প্রয়োজন, যা বহন করা পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়। শিশুর বাবা মোঃ বিলাল হোসেন তার পুত্রের চিকিৎসার খরচ জোগার করতে মানুষের ধারে ধারে ঘুরছেন। তাই বিত্তবানদের প্রতি তার পরিবারের আকুল আবেদন শিশুটির চিকিৎসার জন্য এগিয়ে আসার। সহযোগিতা পাঠানোর ঠিকানা-সঞ্চয় হিসাব নং-৬৭৬,মোঃ হালিম উদ্দিন,বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক,চর্নগদী বাজার শাখা, পলাশ, নরসিংদী। বিকাশ মোবাইল-০১৭১৬৩২৩৮৬৪,মোঃ বিল্লাল হোসেন বিকাশ মোবাইল-০১৭৯৩৩৮২৩৭৪।

কলাম

এই পথ যদি শেষ না নয়, তবে কেমন হবে বলতো ? 

 ॥ এম.এ. ফরিদ ॥

বর্তমানে দেশে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের একটি সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। যারা ৭১ এ মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিল। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পতাকাতলে সবাই এক হয়ে দাঁড়িয়েছিল প্রিয় মাতৃভূমিকে শত্রুমুক্ত করার জন্য। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু সেদিন দিশেহারা এ জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছিলেন। ৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর আমরা চুড়ান্ত বিজয় অর্জন করি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বাঙালী জাতির কাছে বীরের বেশে ফিরে আসেন। তিনি প্লেন থেকে নেমে চুমু খান এ দেশের পবিত্র মাটিকে। সেই দিনই আমরা প্রকৃতভাবে স্বাধীনতার স্বাদ গ্রহণ করি। স্বাধীন বাংলায় বঙ্গবন্ধুকে বাঙালী জাতি ফিরে পেয়ে উদ্বেলিত ও অভিভূত হয়ে পড়েছিল। বিমান বন্দর থেকে রেসক্রস ময়দান পর্যন্ত মানুষের সমুদ্রে পরিণত হয়েছিল। সব হারানো মানুষগুলো সকল দুঃখ ভুলে গিয়েছিল শুধু বঙ্গবন্ধুকে কাছে পেয়ে। বঙ্গবন্ধু তাঁর প্রথম বক্তব্যে বলেছিলেন তিনি বাংলাদেশকে ক্ষুদা ও দারিদ্র মুক্ত দেশ গড়বেন এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিয়ে আসবেন। এ জন্য তিনি সকলের সহযোগীতা কামনা করেন। সত্যি বঙ্গবন্ধু মাত্র তিন বছরে যুদ্ধ বিধস্ত এ দেশকে আমুল পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হয়েছিলেন। কৃষি ও শিল্পায়নে তিনি বিরাট বিপ্লব ঘটান। ফলে আমরা দ্রুতই উন্নতির দিকে অগ্রসর হতে থাকি। আমরা সে সময়ে মনে করেছিলাম আমাদের হয়তো আর কোন খারাপ সময়ে ফিরে যেতে হবে না। সামনে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে সুখের দিন। কিন্তু বিধিবাম। আমাদের সে আশা এক মূহুর্তেই ধুলোয় মিশে গেল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করা হলো। বাঙালী জাতির জীবনে নেমে এল গভীর অমানিষা ও ঘোর অন্ধকার। আমরা আবার স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত শত্রুদের হাতে জিম্মি হয়ে গেলাম। রাষ্ট্র ক্ষমতায় রাজাকার শিরোমণি শাহ্ আজিজকে প্রধানমন্ত্রী করে কলংঙ্কিত করা হলো পবিত্র পতাকাকে। শহীদদের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারী করে সামরিক জান্তা জিয়াউর রহমান পূনর্বাসিত করলেন যুদ্ধাপরাধীদের। তিনি যা যা করেছেন তা আর ঘেটে মূল্যবান সময়কে অবমূল্যায়ন করতে চাই না। পরবর্তী ঘটনা সচেতন দেশবাসীর সকলেরই জানা রয়েছে। জেনারেল জিয়ার পদাংঙ্ক অনুসরণ করলেন আর এক জেনারেল এরশাদ। তিনিও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে জারী করলেন সামরিক আইন। হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের হত্যা করে অবশেষে স্বৈরশাসক নাম ললাটে ধারণ করে ৯০ এর গণঅভ্যুথানের মাধ্যমে ক্ষমতা থেকে বিদায় নেন। তিনি তো ছিলেন মহাপন্ডিত। সামরিক শাসক হয়েও কবিতা, গান, লিখে দেশের মানুষের মন জয় করার চেষ্টা করেছিলেন ধূর্ত প্রকৃতির এই ব্যক্তিটি। শেষ রক্ষা হলো না গান কিংবা কবিতা লিখেও। ৯০ এর পর ক্ষমতায় আসে আমাদের প্রিয় নেত্রী, আপোষহীন নেত্রী, বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি। বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণ করার পর দেশে শুরু হয়ে যায় জঙ্গিবাদের উত্থান। বাংলা ভাই, উদু ভাইরা সারা দেশে জেএমবি সংগঠন নামের একটি ভয়ংকর সংগঠনের জন্ম দেয়। তাঁরা ৬৩টি জেলায় বোমা বিস্ফোরনের মাধ্যমে তাদের আর্বিভাবের কথা জানান দেন। মাজার, সিনেমা হল, রমনা বটমূল, সভা-সমাবেশ ও বিরোধী দলের ওপর জেএমবির সদস্যরা বোমা হামলা চালিয়ে হত্যা করেছে প্রায় ১০ হাজার নীরিহ সাধারণ মানুষকে। এ যেন এক আতংঙ্কের দেশ। মানুষ সব সময় ভয়ে থাকতো। এই বুঝি বোমা কেড়ে নিতে যাচ্ছে কারও না কারও মূল্যবান জীবন। যেমনটি ঘটেছিল গাজীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির হল রুমে। সোনার বাংলার মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রা থমকে গিয়েছিল। মানুষ কিংকর্তব্য বিমুঢ় হয়ে পড়েছিল। ঘুমোট পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল। চাঁপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা মানুষকে শক্তি যুগিয়েছিল। অবশেষে বিদায় হল ধর্ম নিয়ে পুঁজি করে ক্ষমতায় টিকে থাকা দলটির। পুনরায় ক্ষমতায় আসে স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দলটি। আবার মানুষের মনে সুখ-শান্তি ফিরে আসে। দেশ আবার ঘুুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়। এগিয়ে যেতে থাকে বাংলাদেশ। দ্রুত পরিবর্তন আসে দেশের অর্থনীতিতে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সোনার বাংলা গড়তে নানা কর্মসূচী হাতে নেয়। কয়েক লাখ বেকার যুবককে চাকুরীর ব্যবস্থা করা হয়। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রদান করাসহ অসহায় ও দুঃস্থ নারীদের বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়। বঙ্গবন্ধু সেতুসহ অসংখ্য ব্রিজ ও কালভাট নির্মাণ করাসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটানো হয়। কৃষিতে ভর্তুকীসহ নানা কৃষি উপকরণ বিনামূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিতরণ এবং কৃষকদের মাঝে আধুনিক যন্ত্রপাতি বিতরণ করা আওয়ামী লীগ সরকারের বিরাট সাফল্য। এসব সাফল্য বলে কয়ে শেষ করা যাবে না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত করেছিল। মাঝখানে আবার উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হয়ে পড়ে। কারণ চার দলীয় জোট আবার ক্ষমতায় এসে লুটপাটের রাজনীতি শুরু করেছিল। রাজাকারদের নিয়ে সরকার গঠন করে দেশে পুনরায় জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটে। আমরা অসহায় হয়ে পড়ি। মহান সৃষ্টিকর্তা অবশেষে আমাদের দিকে মুখ তুলে তাকিয়েছেন। আওয়ামী লীগ এ দেশের মানুষের ম্যান্ডেট গ্রহণ করে রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। এসেই আবার উন্নয়ন আর উন্নয়ন। বর্তমান সরকারের সফলতায় ঈর্ষান্নিত হয়ে বিএনপি জামায়াত জোট বেপরোয়া হয়ে উঠে। তাঁরা উন্নয়নের ধারাবাহিকতাকে বাধা গ্রস্থ করতে সারা দেশে তান্ডব শুরু করে। যানবাহনে অগ্নি সংযোগ ও পেট্রোল বোমা মেরে মানুষকে হত্যা করার মহোউৎসবে মেতে উঠেছে স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত শক্তিরা। এদের সহিংসতা থেকে রেহাই পাচ্ছে না অবুঝ শিশুও। এ সব করে তাঁরা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে। বিএনপি জামায়াত একই সূত্রে গাঁথা। নাশকতা সৃষ্টি করে ওরা তৃতীয় শক্তিকে ক্ষমতায় বসাতে চায়। দেশের মানুষের মঙ্গল তাঁরা চায় না। তাঁরা চায় লাশের ওপর দাঁড়িয়ে ক্ষমতায় যেতে। বেগম খালেদা জিয়া অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত হলেও তিনি নাকি এখনও অফিসেই থাকবেন। তিনি গত ১৯ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলন করে অবরোধ চালিয়ে যাবার ঘোষণা দিলেন। নিজের দলের ও জামায়াত শিবিরের রগকাটা বাহিনী দিয়ে সাধারণ মানুষকে হত্যা করছেন অপর দিকে এর জন্য সরকারকে দায়ী করলেন তিনি। এখন আবার শোনা যাচ্ছে অবরোধের মধ্যেও মাঝে মাঝে হরতাল ডাকা হতে পারে। এতদিন বিএনপির নেতারা দাবি করে আসছিলেন তাদের নেত্রীকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। তার মুক্তির জন্যই এই অবরোধ কর্মসূচী ডাকা হয়েছে। এখন তো তিনি আর অবরুদ্ধ নন। তবে কার স্বার্থে অবরোধ চালিয়ে যাবার ঘোষণা দিলেন বেগম খালেদা জিয়া। তবে তিনি কি শান্তি চান না? দেশ শান্তিতে চলুক, দেশের মানুষ ভালো থাকুক, দেশ এগিয়ে যাক এটা কি তিনি চান না? না কি তিনি তার পেয়ারে পাকিস্তানকে খুশি করতে নিজেকে উৎস্বর্গ করতে চান। হয়তোবা তাই। এ জন্যই হয়তো তিনি চান সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে। তাইতো তাঁর মতে এই পথ যদি শেষ না হতো, তবে কেমন হতো বলোতো। কেমন হতো তা বিচার করার দায়িত্ব এ দেশের নীরিহ জনসাধারণের ওপর ছেড়ে দিলাম। তারাই বিচার করবে এই পথ শেষ হবে নাকি চলমান থাকবে।

গাজীপুরে এম.এল.এম ব্যবসার আড়ালে এম.তাস বিডি লিঃ এর ম্যানেজার জুয়েলের প্রতারণা

প্রয়োজন প্রশাসনিক ব্যবস্থা

মোঃ শাহজাহান খান : গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ির কাশিমপুর রোডস্থ হকার্স মার্কেটে অবৈধ এম তাস বিডি লি:’র (মাল্টিলেভেল মার্কেটিং পদ্ধতি বা এম এল এম পদ্ধতির মাধ্যমে) কোম্পানির ম্যানেজার জুয়েলের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন ওই ম্যানেজার জুয়েল।
প্রকাশ- জুয়েল এম তাস বিডি লিঃএর মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা ঢুকিয়ে, লোভ দেখিয়ে, জালের মতো ছড়িয়ে দিচ্ছে তাদের হুজুগী কার্যক্রম। তারা কমদামী পণ্য অধিক মূল্যে খুব অল্প সময়ে মানুষের মাঝে বিক্রি করে এবং গাজীপুর জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের অধিকাংশ দরিদ্র ও সাধারণ মানুষকে মিথ্যে প্রলোভনে অপ্রয়োজনীয় পণ্য গছিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করে আসছে। 
সচেতন মহল মনে করছেন- এসব টাকা আত্মসাৎ করে যে কোন সময় কোম্পানি পালিয়ে যেতে পারে। সেই সাথে লা পাত্তা হবেন এম তাস বিডি লি:’র ম্যানেজার জুয়েল। সরকার কিছু কিছু এমএলএম কোম্পানির বিরুদ্ধে শাস্তি ও সর্তকতার নির্দেশ দিলেও ওই সবের মধ্যে থেকে এম তাস বিডি লি:’র কোনাবাড়ি শাখা অফিসটিতে নতুন কৌশলে নতুন কর্মকান্ড চালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। আর উচ্চ বেতনে চাকুরী ও বেশী মুনাফার লোভ দেখিয়ে সাধারন মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এতে করে প্রতারনা শিকার হচেছ হাজার হাজার গ্রাহক।
খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায়: এম তাস বিডি লি:’র শাখা অফিস গুলোর মধ্যে অন্যতম গাজীপুর সদরের কোনাবাড়িস্থ কাশিমপুর রোড হকার্স মার্কেট অবস্থিত এই এম এল এম কোম্পানিটি। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য মতে জানা যায়, এম.এল.এম ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য সরকারে কোন অনুমোদন বর্তমানে কারো নেই। কিন্তু কাশিমপুর রোডে হকার্স মার্কেটে অবস্থিত এম তাস বিডি লি:এর চাকুরি দেওয়ার কথা বলে কু-চক্রী ও প্রতারক স্বভাবের লোক ম্যানেজার জুয়েল নির্দ্বিধায় চালিয়ে যাচ্ছে এম তাস বিডি লি: এম এল এম এর নামে চরম প্রতারণা। এম তাস বিডি লি: এর একজন সদস্যর সাথে কথা বলে জানা যায়, এম তাস বিডি লি: এর যত গুলো সদস্য রয়েছে তাদের দূর্দশার কথা জানান। এখানে তাদের জীবনের কোন মূল্য নেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সদস্য জানান, আমাদের জুয়েল স্যার ঊচ্চ বেতনে চাকুরি দেওয়ার কথা বলে আমাদেরকে এখানে নিয়ে আসেন। জামানত হিসেবে আমাদের কাছ থেকে জন প্রতি প্রথমে ১২ হাজার এবং কিছু দিন পর ৪০ হাজার টাকা করে নেয় আমাদের ম্যানেজার জুয়েল স্যার। আপনারা এর কোন প্রতিবাদ করেননি জানতে চাইলে, তারা বলে প্রতিবাদ করলে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়। যার কারনে ভয়ে কেউ কিছু বলতে সাহস পায়না। এ ধরনের হায় হায় কোম্পানির ফাঁদে পড়ে তাদের মতো অনেকে অপরাধী হয়েছে, অনেকে আত্মহনন করতে বাধ্য হয়েছে। এ ধরনের এম তাস বিডি লি: মত এমএলএম কোম্পানিগুলোর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতারনার শিকার হয়ে কেউ আত্মহত্যা করতে, কেউ অপরাধে জড়িয়ে পড়তে বাধ্য হয়েছে। এমএলএম (মাল্টি লেভেল মার্কেটিং) কোম্পানিগুলোর প্রতারণার ফাঁদ থেকে সাধারণ মানুষের মুক্তি মিলছে না। ১৯৯৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত শত শত এমএলএম কোম্পানি সাধারণ মানুষের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে গা ঢাকা দিয়েছে। তবে সাধারন মানুষের দাবী এম তাস বিডি লি: কোম্পানিটির কোণাবাড়ি শাখার এই অসাধু ম্যানেজার জুয়েলসহ অন্যান্য কর্মকর্তা/কর্মচারীগন যে কোন সময় গ্রাহকদের জমানো কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ পালিয়ে যেতে পারে। কে এই জুয়েল : আমাদের গোপন অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে প্রতারক জুয়েলের লোমহর্ষক বর্ণনার চিত্র। সে কখনো চট্টগ্রাম, বর্তমান গাজীপুর, কখনো কোনাবাড়ি ,কখনো সালনা, আবার কখনো গোপালগঞ্জের লোক পরিচয় দিচ্ছে। ছিপ ছিপে গড়ন, গায়ের রং ফর্সা, ঊচ্চতা ৫ফিট ৫ ইঞ্চি , চোখ দুটো শিকারি হায়েনার মত দেখলে মনে হয় জামাতের একজন সক্রিয় কর্মী। তার প্রধান কাজ প্রতারনার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়া। গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে তার একটি বিশাল সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক। এই সন্ত্রাসীদের তার সব অপকর্মের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে। ভুক্তভোগিরা জানান, এখানে উচ্চ বেতনে চাকুরি দেয়ার কথা বলে এম তাস বিডি লি:’র ম্যানেজার জুয়েল স্যার জন প্রতি করে প্রথমে ১২,০০০/টাকা নেয়। পরবর্তী ১মাস পর আরো  ৪০,০০০ হাজার টাকা আনতে চাপ দেয়। লোভে পরে গ্রামের জমিজমা বিক্রি করে টাকা এনে তাদেও হাতে তুলে দিতে হয়। কিন্তু যখন বুঝতে পারি চাকুরি দেয়ার নামে প্রতারনা করা হয়েছে তখন আর ফিরে যাওয়ার পথ থাকেনা। ছলচাতুরি করে সাদা ষ্ট্যাম্পে সাক্ষর রাখে ম্যানেজার জুয়েল। ভুক্তভোগিদের কাছ থেকে আরো জানা যায়, প্রতারনার এসব ঘটনা কাউকে বললে জুয়েল চালায় তাদের উপর নির্মম অত্যাচার এবং সাদা ষ্ট্যাম্পে সাক্ষর রেখে সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন রেখে দিয়ে তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয়। এব্যাপারে কোনাবাড়িরস্থ কাশিমপুর রোড হকার্স মার্কেটে কথিত এম তাস বিডি লি:’র (মাল্টিলেভেল মার্কেটিং পদ্ধতি বা এম এল এম পদ্ধতির মাধ্যমে) উক্ত কোম্পানির ম্যানেজার জুয়েলের প্রতারনা মুলক ব্যবসা বন্ধ করতে গাজীপুর জেলা প্রশাসন,পুলিশ সুপার ও ভ্রাম্যমান আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীসহ এলাকার সচেতন মহল।

কাপাসিয়ায় ২০ কিলোমিটারে গতিরোধক ২৩টি

স্টাফ রিপোর্টার :  গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ঢাকা-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের কাপাসিয়া থেকে টোক পর্যন্ত দূরত্ব হলো ২০কিলোমিটার এই ২০কিলোমিটারের মধ্যে ২৩টি গতিরোধক রয়েছে। যার একটির সামনেও নেই কোন মারকিং এবং স্পীটবেকারগুলোর আধাভাঙ্গা হয়ে আজ মৃত্যুর ফাঁদে পরিণত হয়েছে।
টোক থেকে কাপাসিয়ার এ রাস্তায় প্রতিদিনই ঘটছে সড়ক দূর্ঘটনা। সরেজমিনে দেখা যায়- তরগাঁও মেডিকেল গেইটের উভয় পাশে রয়েছে দুটি, নবীপুর ব্রীজে একটি, লতাপাতা বাজারে ২টি, দলাঘর বাজাওে ২টি, দলাঘর বীজের উত্তরপাশে পরপর তিনটি, মিয়ার বাজার ২টি,বড়হর নতুন বাজার ২টি,বড়হর মসজিদ মোড় ২টি,বড়হর বাজার ১টি,আমরাই বাজার ১টি,দরগা বাজার১টি জলফইতলা ১টি,বীরউজুলী স্কুলের সামনে ১টি,দীঘির পার পর পর তিনটি করে ২টি,এই গতিরোধকগুলোর কোনটিই এলজিআরডি বা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন এর নিয়মনীতি কে তোয়াক্কা না করে স্থানীয় লোকজনেই এগুলো তৈরী করেছে। এই সমস্ত গতিরোধক স্থানে প্রতিরাত্রেই ঘটছে  চুরি –ছিনতাইসহ নানা অপনরাধমূলক কর্মকান্ড,এলাকাবাসীর অভিমত হলো প্রয়োজনীয় গতিরোধক গুলো রেখে বাকী গুলো ভেঙ্গে ফেলাই ভাল । এব্যাপারে স্থানী প্রসাশনকে বার বার অবহিত করলেও এ ব্যাপারে তারা কোন প্রকার ব্যাবস্থা গ্রহণ করেননি।

কালিয়াকৈরে শিশু অপহরণের ৫ দিনেও উদ্ধার হয়নি, ২ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবী

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক ইউনিয়নের আন্দার মানিক গ্রাম থেকে শিশু নিরব(৪বছর ৯মাস) অপহরন হওয়ার ৫ দিন অতিবাহিত হলেও অদ্যবধি তাকে উদ্ধার করা সন্বভ হয়নি। এ দিকে অপহরনকারীরা অপহৃত শিশু নিরবের বাবার মোবাইলে ২লাখ টাকা মুক্তিপন দাবী করছে। পুলিশ র‌্যাবকে জানিয়ে কোন কাজ হচ্ছেনা বলে ওই পরিবারের অভিযোগ। নিরব কুষ্টিয়ার কুমারখালি থানার হোগলা গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে। সে তার মা বাবার সাথে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের আন্দারমানিক এলাকার আজিম বেপারীর বাড়ীতে ভাড়া বাসায় থাকতো।
অপহৃত শিশুর পরিবার সুত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানার হোগলা গ্রামের মৃত সের আলীর ছেলে সাহেব আলী দীর্ঘদিন ধরে কালিয়াকৈরের আন্দারমানিক এলাকার আজিম বেপারীর বাড়ীতে স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা ছেলে নিরকে নিয়ে ভাড়া থেকে স্থানীয় কারখানায় চাকুরি করে আসছে। গত ১৪ জানুয়ারী বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাসা থেকে শিশু নিরব নিখোঁজ হয়। অনেক খুঁজাখুজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে নিরবের সন্ধান পেতে এলাকায় মাইকিং করা হয় পরিবারের পক্ষ থেকে। এঘটনায় ওই দিনই অপহৃত শিশুর বাবা সাহেব আলী বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেন।পরে একটি জাতীয় দৈনিকে নিখোজ সংবাদ প্রকাশ করা হয়।  অপরদিকে গত ১৬ জানুয়ারী  রাত ৩ টার দিকে ০১৮৬৭৮৩৮০৪২ মোবাইল নাম্বার থেকে অহৃত শিশুর বাবা সাহেব আলীর মোবাইলে ফোন করে বলা হয় তোর ছেলে আমাদের কাছে আছে। তাকে অপহরণ করা হয়েছে। ছেলেকে পেতে হলে দুই ঘন্টার মধ্যে দুই লাখ টাকা দিতে হবে। নইলে তোর ছেলের লাশ পাঠিয়ে দিব। আগামীকাল সকাল ৫টার মধ্যে টাকা পাঠিয়ে দিবি। ১ মিনিট দেরি হলে ছেলেকে জীবিত রাখবনা। পুলিশ সাংবাদিকদের কাছে বার বার যাইতাছস কেন। কোন লাভ হবে না। তোর ছেলেকে ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে ঘুম পারিয়ে রাখা হয়েছে। মনে রাখিস টাকা দিতে দেরি হলে ঘুমের মধেই তোর ছেলেকে মেরে ফেলা হবে। কথামত কাজ করলে আধাঘন্টার মধ্যে তোর ছেলে তোদের ঘরের দরজার সামনে দেখতে পাবি। এখনই বিকাশ করে ফেল।  মুক্তিপনের টাকার জন্য এভাবেই মোবাইলে হুমকি দিচ্ছে অপহরণকারীরা।
 পরে মুক্তিপনের বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হলে থানার ওসি(তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বিষয়টি তদন্তের জন্য মৌচাক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাইফুল ইসলামকে নির্দেশ দিলেও  তিনি না গিয়ে ফাঁড়ির এ এসআই নায়েবুলেেক বিষয়টি দেখতে বলেন। গত শনিবার এ এস আই নায়েবুল কয়েকজন পুলিশ নিয়ে  অপহৃত শিশুর বাড়ীতে গিয়ে অপহরণকারীদের মোবাইলের রেকর্ড শুনেন এবং আশপাশের বাড়ীর লোকজনের সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। পরে তিনি অপহৃত শিশুর পরিবারকে পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাবের কাছে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দেন। পুলিশের কথামত ওই দিনই উত্তরা র‌্যাব-১ কার্যালয়ে গেলে বলা হয় পুলিশের পক্ষ থেকে মামলাটি আমাদের কাছে হস্তান্তর না করলে  এ বিষয়ে কোন ব্যবস্থা নেওয়া যাবেনা। পরে ব্যর্থ হয়ে চলে আসেন তারা।
অপহৃত শিশুর বাবা সাহেব আলী  বলেন, অপহণকারীদের দাবিকৃত টাকা সময়মত দিতে না পারলে ওরা আমার ছেলেকে মেরে ফেলবে। তাদের দাবিকৃত টাকা জোগার করা আমার পক্ষে একেবারেই অসম্ভব। তার পরও ছেলেকে জীবিত ফিরে পাওয়ার জন্য সাধ্যমত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।  থানায় জিডি করেছি,পত্রিকায় নিখোজ সংবাদ দিয়েছি। উওরা র‌্যাব কার্যালয়ে গিয়েছি। বারবার থানার সাথে যোগাযোগ রাখছি।
কালিয়াকৈর থানার ওসি(তদন্ত) মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন,  বিষয়টি জানার পর অপহৃত শিশুর পরিবারকে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করা হচ্ছে। এছাড়া অপহরনকারীদের মোবাইলের সুত্র ধরে শিশুটিকে উদ্ধারে জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

হরতাল অবরোধে নাশকতার প্রতিবাদে কালিয়াকৈরে বিক্ষোভ

কালিয়াকৈর(গাজীপুর) প্রতিনিধি : হরতাল অবরোধের নামে  নাশকতার প্রতিবাদে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সোমবার দুপুরে উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্টিত হয়েছে। মিছিলটি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কসহ এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ  শেষে কালিয়াকের টার্মিনালে এক সমাবেশে মিলিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামীরীগের সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুর রশিদ। বক্তব্য রাখেন,মোঃ নজরুল ইসলাম. আরিফ হোসেন খোকন,মো তোফাজ্জল হোসেন রানা, মোঃ হারুন অর রশিদ, মোঃ আমিনুর রহমান আমিন, আতাউর রহমান সরকার, সাধন চন্দ্র রায়,মোঃ মাঈনুল ইসলাম ,মোঃ বাবুল মিয়া, মুশফিকুর রহমান নিকু, মোঃ নুরুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম সর্দার ,মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ বিশু মিয়া প্রমূখ।





নৈরাজ্যের হাত থেকে দেশে শান্তি আনতে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে অস্ত্র ফিরিয়ে দিতে হবে

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুরে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে গাজীপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মো. আয়েশ উদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার সাবেক সাংসদ কাজী মোজাম্মেল হক, ডেপুটি কমান্ডার মহর আলী, বিএমএ গাজীপুর জেলা শাখার সভাপতি ডা: আমির হোসাইন রাহাত, মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী, ইমানউদ্দিন, আব্দুল বাতেন, অ্যাডভোকেট সঞ্জিত কুমার , বদরুত আলম মনির, খায়রুল হুদা ফরহাদ, মো. আরিফ প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, বিএনপির নেতৃত্বে ৭১’র ঘাতক দালাল জামায়াতিরা যেভাবে দেশে মানুষ মেরে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে তার বিরুদ্ধে ৭১ এর মতো ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে অস্ত্র ফেরত দেয়ার দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, ’৭১ এ মুক্তিযোদ্ধারা যেভাবে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করেছে, সেভাবেই তারা অস্ত্র হাতে বিএনপি-জামায়াতের সৃষ্ট নৈরাজ্যের হাত থেকে দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনবে।

গাজীপুরের কোনাবাড়িতে আউয়াল মোল্লার চাঁদাবাজি !

স্টাফ রিপোর্টার : এলাকার প্রভাব বিস্তার,বিআরটিসি সরকারি বাসে থেকে মাসিক চাঁদা,মহানগরীর ৭নং ওয়ার্ড ব্যাপারি মার্কেট এলাকায় রাস্তার পাশে ফুটপাতে বিভিন্ন দোকানপাট বসিয়ে মাসে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করছেন স্থানীয় আওয়ামীলীগের নামধারী নেতা আব্দুল আউয়াল মোল্লা। বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভূক্তভোগীরা।

কাপাসিয়ায় হত-দরিদ্রের হাতে সেলাই মেশিন বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার,কাপাসিয়া : গাজীপুরের কাপাসিয়ায় ঢাকা আহছানিয়া মিশনের গার্ল পাওয়ার প্রজেক্টের উদ্যোগে ১৯ জানুয়ারি সোমবার বিকালে জাতীয় মহিলা সংস্থার কার্যালয়ে হতদরিদ্র অসহায় নারী তিথি শারমিনকে  সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়েছে।
উপজেলা সিএসও নেটওয়ার্ক কমিটির সহ সভাপতি মোহাম্মদ আইন উদ্দিনের সভাপতিত্বে মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকা আহছানিয়া মিশনের কো-অর্ডিনেটর মোঃ শরিফুল হক,উপজেলা টেকনিক্যাল অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম, উপজেলা  সিএসও নেটওয়ার্ক কমিটির সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন সিকদার, উপজেলা প্রতিবন্ধি উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি সঞ্জীবন চন্দ্র মল্লিক, জাতীয় মহিলা সংস্থার সংগঠক শাহ এমরান, লাভলী ইয়াসমীন, ফাতেমা জাহান রুজি প্রমুখ। এ সময় হতদরিদ্র স্বামী পরিত্যাক্তা অসহায় তিথি শারমীকে জীবন দক্ষতা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে একটি সেলাই মেশিন দেওয়া হয়।


আবাহনী ক্রীড়াচক্র ২-০ গোলে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে হারালো

শেখ কামাল নিটল টাটা গাজীপুর ১ম বিভাগ ফুটবল লীগ

মানিক সরকার : গাজীপুর জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের ব্যবস্থাপনায় গাজীপুর শহীদ বরকত স্টেডিয়ামে শেখ কামাল নিটল টাটা গাজীপুর প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগ খেলায় আবাহনী ক্রীড়া চক্র বনাম ব্রাদার্স ইউনিয়ন গাজীপুরের খেলায় আবাহনী ক্রীড়া চক্র ২-০ গোলে ব্রাদার্স ইউনিয়নেক হারায়। রেফারি হিসেবে খেলা পরিচালনা করেন- মোঃ আলমগীর হোসেন। তাকে সহযোগিতা করেন- আঃ ছামাদ, সোহরাব হোসেন ও হামিদুর রহমান। বিপুল সংখ্যক দর্শকসহ গাজীপুর জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি এড. মোঃ ওয়াজ উদ্দিন মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুন অর রশীদ, জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মোঃ আজমত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী, সাবেক ফুটবলার রউফ বাবুল, সন্তোষ কুমার মল্লিক, সুলতান উদ্দিন আকন প্রমুখ খেলা উপভোগ করেন।
আজ বিকেলে পশ্চিম জয়দেবপুর একাদশ বনাম গাজীপুর স্পুটিং ক্লাবের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। 




  


কেশরিতায় হতদরিদ্র জেলেদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুর জেলা প্রশাসনের অর্থায়নে গাজীপুর সদর উপজেলার অর্ন্তগত কেশরিতায় ১৯ জানুয়ারী সোমবার হতদরিদ্র  জেলেদের মধ্যে শীত বন্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। জেলা মৎস কর্মকর্তা ড. মোঃ আঃ মজিদ ওই শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।  ইতিপূর্বেও কেশরিতায় বেলাই বিল খালে অভয়শ্রাম প্রকল্পে স্থানীয় জেলেদেরকে মৎস ধরা থেকে বিরত রাখার জন্য শতাধিক শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। ইউ,পি মেন্বার মোঃ শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোঃ মজিবুর রহমান, মোঃ আঃ বাতেন, সুবল দাস, মরন চন্দ্র দাস, সৈলেশ চন্দ্র দাস কিরন প্রমুখ।  

কালীগঞ্জে কলেজ ছাত্রী অপহরণের পরে ধর্ষণ, গ্রেফতার-১

কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালীগঞ্জে কলেজ ছাত্রী অপহরনের পর ধষর্ণে শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে ।
উপজেলার মোক্তার গ্রামের কলেজ পড়–য়া মেয়ে সোনালী (১৬) (ছদ্ম নাম) শনিবার বিকেলে তার বান্ধুবীদের নিয়ে  বাড়ীর পার্শ্বে কবরস্থানে হাটতে ছিল। রাকিব হোসেন ও তার সহযোগী ৪/৫ জন বন্ধুরা মিলে অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে সিএনজিতে তুলে নিয়ে যায়। পরে তার বান্ধবীরা বিষয়টি ওই ছাত্রীর বাড়ীতে জানায়।  ছাত্রীর বাবা তাৎক্ষনিক বিষয়টি  থানায় অবগত করেলে, পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায় । পরে কালীগঞ্জ থানা পুলিশের এসআই শফিক সঙ্গীয় র্ফোস নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার গভীর রাতে  কাপাসিয়া উপজেলার  তারাগঞ্জ এলাকার বাড়ীগাও গ্রামের রফিকের বাড়ী থেকে অপহরণের ৩৬ ঘন্টা পর ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে  এবং ধর্ষণের অভিযোগে রাকিব হোসেনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। এবিষয়ে ধর্ষিতার পিতা দলিল লেখক আ;ছাত্তার বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্ষাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
গতকাল সোমবার দুপুরের পুলিশ অপহরণ ও ধর্ষণে অভিযুক্তকে গাজীপুর জেল হাজতে প্রেরণ করে।

কাপাসিয়ায় গাঁজা বিক্রেতা গ্রেফতার

শাকিল হাসান, কাপাসিয়া : গাজীপুরের কাপাসিয়া  চাঁদপুর বাজার থেকে গত ১৮ জানুয়ারি রোববার সন্ধ্যা ৭ টায় ফেরি করে গাঁজা  বিক্রির সময় একজনকে গ্রেফতার করেছে কাপাসিয়া থানা পুলিশ।
থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাপাসিয়া থানার এস আই আযহারুল ইসলাম ও এ এস আই মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে কাপাসিয়া চাঁদপুর বাজার থেকে অটো টেম্পোতে ফেরি করে গাঁজা বিক্রির সময় আক্তার হোসেন (২২) কে ১০০ গ্রাম গাঁজা সহ গ্রেফতার করেছে।
গাঁজা বিক্রির অপরাধে মাদক দ্রব্য আইনে মামলা (নং২১) দায়ের করে তাকে গাজীপুর কোর্টে পাঠানো হয়েছে। সে উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের আ: রবের ছেলে।

গাজীপুরে জাতীয় পাটির শান্তির মিছিল

স্টাফ রিপোর্টার : গতকাল রোববার বিকেলে গাজীপুর শহরে জাতীয় যুব সংহতি, গাজীপুর মহানগর শাখা শান্তির মিছিলসহ সমাবেশ করেছে।
শান্তির মিছিলটি জাতীয় মহানগর যুব সংহতি অফিস হতে শুরু হয়ে, জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক দক্ষিণ করে পুনরায় মহানগর অফিসে এসে সমাপ্ত হয়। পরে সমাবেশে বক্তারা বলেন- বিএনপি  নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ডাকা অবরোধে সাড়া দেশের সাধারন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মানুষ জান-মালের নিরাপত্তা হীনতার জন্য স্বাভাবিক ভাবে চলা ফিরা করতে পারছেনা। বিএনপি নেত্রীর প্রতি  আমাদের আহবান  হিংসা বিদ্বেষ ভুলে অবরোধ প্রত্যাহার করে মানুষের মঙ্গলে কাজ করুন। সাধারন খেটে খাওয়া রিকশা চালক, টেক্সি চালক পেট্রোল বোমায় মারা যাচ্ছে। অনেক মায়ের বুক খালি করেছেন। কেন্দ্রীয় জাতীয় যুব সংহতির সহ সভাপতি মোঃ শাজাহান মোল্লার সভাপতিত্বে শান্তি মিছিল অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন- জাতীয় পাটির নেতা মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, যুব সংহতি নেতা আশরাফুল ইসলাম (আলম), মোঃ জাকির হোসেন, আঃ আজিজ মিয়, হাসান সারোয়ার সুজন, পভন চন্দ্র,মোঃ আমান  উল্লাহ,মোঃ ইসমাইল হোসেন, মোঃ ইয়াজদ্দিন প্রমুখ।