শিরোনাম

সাংবাদিকতার পরিচয়ে চৌরাস্তায় একটি চক্র নানা অপরাধে সক্রিয় : নেতৃত্বে শামীম ও হালিম ক্লিনিকের গেইটে তালা লাগিয়ে পালিয়েছে কর্তৃপক্ষ টঙ্গী পাইলট স্কুল এন্ড গার্লস কলেজ বৃক্ষরোপন, নামাজের ঘর ও কমনরুম উদ্বোধন গাজীপুরে একজনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড উন্মোচিত হয়নি কালীগঞ্জে সাবেক এমপি পুত্র হত্যা রহস্য গাজীপুরে পুত্র হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা তাজউদ্দীন পুত্র সোহেল তাজের মনের শক্তি অনেক

কালিয়াকৈরে সড়ক দূর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী সহ নিহত ৭, আহত ১০

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি : ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার টানসূত্রাপুর সাইনবোর্ড নামক এলাকায় মঙ্গলবার সকালে যাত্রীবাহী বাস ও যাত্রীবাহী লেগুনার মধ্যে মুখোমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে স্বামী-স্ত্রী সহ ৭জন নিহত হয়েছে এঘটনায় আরো ১০জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
নিহতদের মধ্যে যাদের পরিচয় পাওয়া গেছে তারা হলেন,উপজেলার টালাবহ গ্রামের মৃত. খঞ্জন আলীর ছেলে নুর ইসলাম (৪৫) তার স্ত্রী সুফিয়া খাতুন (৪০) টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আছিম উদ্দিনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম (৩০), পাবনা জেলার সাইতলা গ্রামের  আনোয়ার হোসেনের ছেলে আলমঙ্গীর হোসেন (৩২) ফরিদপুর জেলার রাজবাড়ী এলাকার মোকলেছের মেয়ে সুমা আক্তার (২২) সে কালিয়াকৈর ডিগ্রি কলেজে অনার্সের তৃতীয় বর্ষে ছাত্রী ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ন্যাশনাল ট্রাভেল্স পরিবহন সার্ভিসের  উত্তর বঙ্গগামী যাত্রীবাহী বাস ও কালিয়াকৈর গামী যাত্রীবাহী লেগুনা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে উপজেলার সূত্রাপুর সাইন বোর্ড নামক এলাকায় সকাল পৌনে ১০টার দিকে পৌছালে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় যাত্রীবাহী লেগুনাটি দুমড়ে-মুচড়ে সড়কের পাশে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই লেগুনার চালকসহ ৫জন নিহত হয়। আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতাল ও কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক আরো দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। গোড়াই হাইওয়ে থানা পুলিশ জানান, নিহত ৫জনের পরিচয় পাওয়া গেছে বাকী ২জনের লাশ হয়তো তাদের আত্মীয় স্বজনরা নিয়ে যেতে পারে। গাড়ি ২টি পুলিশী হেফাজতে রাখা হয়েছে।

ধরাছোয়ার বাইরে মূল মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট

টঙ্গীতে মাদকের বেপরোয়া বানিজ্য 

স্টাফ রিপোর্টার, টঙ্গী : গাজীপুরের টঙ্গী জুড়ে চলছে মাদকের বেপরোয়া বানিজ্য। ধরাছোয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে মাদক মূল ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জেলা ডিবি পুলিশ, স্থানীয় থানা পুলিশ কিংবা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মাদকদ্রব্য বেচাকেনা বা সেবন রোধে মাঝে মাঝে অভিযান মাদকদ্রব্য উদ্ধার বা দ্বিতীয় বা তৃতীয় সারির মাদকদ্রব্য ব্যবসায়ী বা সেবনকারীদের গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠালেও মাদকদ্রব্যের মূল ব্যবসায়ীরা থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। 
টঙ্গী বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা যায়, গাজীপুরের টঙ্গী অঞ্চলে মাদক স্পটগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে অর্ধশতাধিক মাদক ব্যবসায়ী। এদের মধ্যে নারী মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যাই বেশী রয়েছে। বাকিরা পুরুষ। আর এসব মাদক ব্যবসায়ীদের সহযোগী হিসেবে কাজ করছে আরো অন্তত দেড় শতাধিক সোর্স। তার মধ্যে ৩০/৩৫ জন রয়েছে স্থানীয় থানা পুলিশ, জেলা ডিবি পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বা র‌্যাবের নামধারী সোর্স।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর (গাজীপুর) সূত্রে জানা যায়, অধিদপ্তর ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে এসব মাদক ব্যবসায়ীদের অনেকেই বিভিন্ন সময়ে গ্রেফতার হচ্ছে। তবে আইনের ফাঁক ফোঁকরে এসব মাদকদ্রব্য ব্যবসায়ীরা জামিনে ছাড়া পেয়ে আবারো এ পেশায়ই ফিরে আসছে। প্রায় সাড়ে ৩ বছর আগে জেলার টঙ্গী এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরি করা হলেও বর্তমানে তা আর হালনাগাদ করা হয়নি। সূত্রটি আরো জানান, বারবার অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীসহ ব্যবসার সাথে জড়িত অনেককেই গ্রেফতার করার পর তারা এখন জায়গা বদল করে ব্যবসা করছেন। ফলে নতুন করে আর কোনো তালিকা করা সম্ভব হয়নি। মাদক ব্যবসায়ীরা মূলত বাংলা মদ, বিদেশী মদ, বিয়ার, গাঁজা, হেরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবা ও বিভিন্ন ধরনের নেশা জাতীয় ইঞ্জেকশন বিক্রেতা। তবে মাদকাসক্তরা বর্তমানে বেশি ঝুকছে ইয়াবা দিকে।
অধিদপ্তর সূত্রটি আরো জানান, বর্তমানে ব্যাপক ইয়াবার চাহিদা থাকলেও ব্যবসায়ীদের আটক করতে পারছেন না আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো। কারণ ব্যবসায়ী বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছে। বিশেষ করে ১০/১৫ বছর বয়সী শিশুদের দিয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কেনাবেচা হচ্ছে মাদক ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গাজীপুরের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে টঙ্গী এরশাদনগর, ভরান মাজার বস্তি, কাঠালদিয়া বস্তি, মিলগেইট নামাপাড়া বস্তি, নতুন বাজার কো-অপারেটিভ ব্যাংকের মাঠ বস্তি, টঙ্গী রেল ষ্টেশন, আমতলী (কেরানীরঠেক) বস্তি, শিলমুন মোল্লার গ্যারেজ, মরকুন ঠেকপাড়া,  আউচপাড়া, গাজীপুরা, খৈরতৈল ও দেওড়া এলাকায় মাদক যেন ওপেন সিক্রেট। 
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক টঙ্গীস্থ স্থানীয় কয়েকজন সচেতন নাগরিক আমাদের এ প্রতিনিধিকে জানান, আইন শৃংখলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের লোক দেখানো নামমাত্র কার্যক্রম চালু থাকলেও প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ী বা ডিলারদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। অসাধু কতিপয় পুলিশ কর্মকর্তা তাদের সোর্সদের মাধ্যমে হপ্তা, মাইসকা নামের চাঁদার হারে তা আদায় করে থাকে বলেও অভিযোগ উঠেছে একাধিক। আবার কিছু মাদক ব্যবসায়ীদের সহযোগী নামধারী প্রশাসনিক পাবলিক সোর্স টঙ্গীর বিভিন্ন বস্তি এলাকাসহ আউচপাড়ার খাঁ পাড়া, মোল্লাবাড়ী, মোক্তার বাড়ী, শিংবাড়ি, তিলারগাতী, শিলমুন, মরকুন ও দেওড়াসহ অন্যান্য এলাকা নিয়ন্ত্রন করে তাদের নিজস্ব নিয়ন্ত্রনে প্রশাসনের অর্থলোভী দুষ্টচক্রের সদস্যদের ম্যানেজ করে থাকে।।
এ ব্যপারে টঙ্গী মডেল থানার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার গোলাম সবুর বলেন, মাদক সম্পূর্ন নিয়ন্ত্রন করা কোন ভাবেই সম্ভব না। অসৎ কর্মকর্তা ও সোর্সদের বিষয়ে তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এসব কিছুর জন্যই এ মাদক সম্পূর্ন নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের সাধ্য অনুযায়ী মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী বিভিন্ন সভা-সমাবেশসহ অভিযান চালিয়ে এধরনের অপরাধ গুলো নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। তবে বাস্তবিক অর্থে মাদকের মূল হোতাদের ধরতে গিয়ে আমাদের বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীনও হতে হচ্ছে। ফলে অনেকেই পার পেয়ে যাচ্ছে। 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক টঙ্গীর এক মাদক ব্যবসায়ী বলেন, প্রতিদিন ডিবি, এসবি ও পুলিশসহ কতিপয় সাংবাদিক এবং আরও অনেক সংস্থাকে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত দৈনিক হপ্তা দিয়ে তিনি এ ব্যবসা পরিচালনা করছেন। যেহেতু তার বেশীরভাগ মাল (ফেনসিড্রিল) পানি পথে আসে। তাই প্রতি সপ্তাহেই আশুলিয়া, তুরাগ ও টঙ্গী থানার টহল পুলিশদের ম্যানেজ করেই তিনি এ ব্যবসা করে থাকেন। 
এবিষয়ে টঙ্গী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আলী জানান, তার এলাকায় সকল অপকর্ম বন্ধ করে দেয়া হবে। ছিনতাই মাদকের সাথে তিনি কোন আপোষ করবেন না।  তিনি আসার পর অনেক মাদক সেবনকারী ও ব্যবসায়ীদের আটক করে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন। কিছু কিছু স্পটে মাদক চললেও তার অফিসাররা তাকে অবহিত না করায় তিনিও কতিপয় পুলিশ সদস্য ও সোর্সদের দোষারোপ করে বলেন আমার একার পক্ষে সবকিছু সামলানো সম্ভব না। এই জনবহুল বস্তি অধ্যুষিত এলাকার স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক মহল, সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সকলের সহযোগীতা প্রয়োজন। তারপরও আমি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। 

টঙ্গীতে মাদকসহ সেচ্ছাসেবকলীগ নেতার ভাই আটক

স্টাফ রিপোর্টার, টঙ্গী : টঙ্গীর আরিচপুর এলাকার শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী স্থানীয় আওয়ামী স্বেচ্ছা-সেবকলীগ নেতা শাহ-আলমের ছোট ভাই মোঃ নজরুল (২৪)সহ ৪ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেছে।
স্থানীয় লোকজন জানায়, গত রোববার রাতে স্থানীয় পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে পূর্ব আরিচপুর হাজীবাড়ি এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী নজরুলসহ তার লোকজন এলাকায় ইয়াবা বিক্রি করছে। এ সংবাদের ভিত্তিকে পুলিশ নজরুলের সেলসম্যান ৩ যুবককে গ্রেফতার করে এবং তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ইয়াবার মূল ডিলার নজরুলকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করলেও তার সাথে কোন মাদক পায়নি পুলিশ। পরে গত সোমবার তাদের আদালতে প্রেরন করে।

গাজীপুরের পূবাইলে শিশুর লাশ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুর মহানগরের পূবাইলের নয়ানিপাড়ায় গতকাল ১২ অক্টোবর সোমবার সকালে শান্তনা (১১) নামের এক শিশুকে খুন করেছে দুবৃত্তরা। এ ঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জয়দেবপুর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিলো।
নিহত সান্তনার বাবার নাম নিরঞ্জন চন্দ্র দাশ। পূবাইলের সাপমারা এলাকায় তাদের বাড়ি। শিশুটি পূবাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল বলে তার পরিবারের লোকজন জানান।
জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার রেজাউল হাসান সাংবাদিকদের জানান, নিহত সান্তনার বাবা স্থানীয় বাজারে জুতার রং ও সেলাইয়ের কাজ করেন। সোমবার সকালে সান্তনা বাড়ি থেকে তার বাবার কাছে বাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়।
সকাল ১১টার দিকে রাস্তার পাশে একটি বাঁশঝাড়ে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় সান্তনার মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ খবর পেয়ে দুপুর ১২টায় তার লাশ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

কালীগঞ্জে পুলিশ হেফাজতে ব্যবসায়ী মামুন হত্যা

দারোগাসহ ১১ আসামী জেলহাজতে

কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালীগঞ্জে বালু ব্যবসায়ী মামুন ভূইয়াকে পুলিশ গ্রেফতারের পর হাতকড়া পরিয়ে প্রতিপক্ষের হাতে তুলে দিলে পুলিশের সম্মুখেই তাকে নির্মম ভাবে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষ। চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলায় গতকাল সোমবার দারোগাসহ চার্জশীটভূক্ত ১১ আসামী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ২৯ মে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার মোক্তারপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুরের গোপাল মেম্বারের বাড়ীর পাশে বড়গাঁও গ্রামের হোসেন আলীর পুত্র বালু ব্যবসায়ী ও যুবলীগ কর্মী মামুনকে পুলিশ গ্রেফতারের পর হাতকড়া পরিয়ে প্রতিপক্ষের হাতে তুলে দেয়। পুলিশের সম্মুখে প্রতিপক্ষ তাকে নির্মম ভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। মৃত্যু নিশ্চিত হলে তৎকালীন কালীগঞ্জ থানার এসআই নৃপেন কুমার দে মামুনের হাত থেকে হাতকড়া খুলে নিয়ে থানায় চলে আসে। এ ঘটনায় সারাদেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরে মামুনের ভাই নাজমুল বাদি হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পুুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে বিভাগীয় ভাবে হত্যার ঘটনাটি একাধিকবার তদন্ত করা হয়। সে সময় মামলাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে মামলাটি সিআইডি তদন্ত শেষে গত ১২ জুলাই ২০১৫ তারিখে ২৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। এ মামলায় অভিযুক্ত ৬ আসামী জামিনে থাকলেও গতকাল দারোগা নৃপেন, মেম্বার হেকিম ফরাজী, বাদল, শহীদুল্লাহ শাহী, ফাজু, আল আমিন, গাফফার, মুনসুর আলীসহ ১১ আসামী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করে।
উল্লেখ্য, চাঞ্চল্যকর এ খুনের ঘটনাটি মানবাধিকার কমিশনের অনুরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি (উপ-সচিব সাফিনা খানম) তদন্ত শেষে দারোগা নৃপেনকে আসামী করার সুপারিশ করলে সিআইডি তাকে চার্জশীটের অন্তর্ভূক্ত করে।


টঙ্গীতে গার্মেন্টস কর্মী হত্যা

স্টাফ রিপোর্টার : টঙ্গীতে গতকাল সোমবার ভোর রাতে রহস্যজনক কারণে গার্মেন্টর্স কর্মী শিরিন আক্তার (১৪) শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ঘরে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে বিষয়টি আত্বহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করলেও অজ্ঞাত কারণে হত্যার সাথে জড়িত মোঃ কাউসার (২৬) কে গ্রেফতার না করায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
নিহতের আত্বীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানায়, মাদারীপুর জেলার সদর থানার নয়াকান্দি বাজিতপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম তার স্ত্রী ও ২ ঔরশজাত মেয়েসহ ১ পালক মেয়েকে নিয়ে চট্রগামে থেকে গার্মেন্টসে চাকুরি করাকালীন নিহত শিরিন আক্তারের খালাতো বোন রেশমার দেবর মোঃ কাউসার তাদের গার্মেন্টসে চাকুরি দেয়ার কথা বলে টঙ্গীতে নিয়ে আসে। গত দু-মাস আগে জাহাঙ্গীর আলম তার স্ত্রী-কন্যাদের নিয়ে টঙ্গীর আরিচপুরস্থ পাকনাপাড়া (মদিনাপাড়া) জনৈক নিজামের বাড়িতে বসবাস শুরু করে এবং নিহত শিরিন আক্তার বিসিকস্থ ফ্যালটেক্স্র কারখানায় চাকুরি করে। একই কারখানার ওয়াশিংয়ে ও একই বাড়ির দু-তলায় কাউসার বসবাস করে। এক পর্যায়ে শিরিন আক্তারের খালাতো বোন রেশমার দেবর মোঃ কাউসারের সাথে শিরিনের প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে। গত রোববার শিরিনের মা-বাবা ঢাকায় এক আত্বীয় বাড়িতে চলে গেলে রাত পৌনে ১২ টায় কাউসার শিরিনের ঘরে আসে। এসময় ঘরে শিরিনের বড়বোন পলি আক্তার ও পালক ছোট বোন ছিলো। গভীর রাত পর্যন্ত শিরিন ও কাউসার কথা বলার পর ভোর রাত ৩ টার পর শিরিনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর হত্যাকান্ডকে আত্বহত্যা বলে চালানোর চেষ্টায় শিরিনের মৃত দেহ ঘরে সিলিং ফ্যানে ঝুলিয়ে রাখা হয়। এসময় শিরিনের বড়বোন ও পালক ছোট বোন ঘরেই ছিলো।
নিহত শিরিনের বড়বোন পলি আক্তার জানায়, আমার বোন আমাদের ছেড়ে কেনো চলে গেলো জানি না। আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম কাউসার আর শিরিন বারান্দায় বসে কথা বলছিলো। কখন যে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সাথে ফাঁসি দিয়ে আত্বহত্যা করেছে আমরা ঠের পাইনি। আর কিছু বলতে পারবো না।
খবর পেয়ে টঙ্গী মডেল থানার এসআই মনিরসহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করাকালীন ফাঁসিতে ঝুলে আত্বহত্যার কোন আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানান। পুলিশের ধারনা তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তবে তাকে ধর্ষন করা হয়েছে কি না তা ময়নাতদন্ত রির্পোট না আসা পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন উক্ত এসআই।
এদিকে (নাম প্রকাশ না করার শর্তে) এলাকাবাসীসহ কাউসারের একাধিক সহকর্মী জানায়, এঘটনা জানা-জানির পর কাউসার সোমবার সকাল পৌনে ৮ টায় বাসা থেকে বেড়িয়ে তার কর্মস্থলে গিয়ে হাজিরা দিয়ে আধ ঘন্টার ছুটি নিয়ে আত্বগোপন করেছে। এছাড়া নিহত শিরিনের বড়বোন পলি আক্তারকে পুলিশ জোরালো ভাবে জি¹াসাবাদ করলে এ হত্যাকান্ডের আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে।

কালিয়াকৈরে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার লতিফপুর এলকায় এক মাতাব্বরের বিরোদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার করার দাবিতে মানবন্ধন করে এলাকাবাসী। কালিয়াকৈর বাস ষ্টেশন এলাকায় সোমবার সকালে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এলাকাবাসী জানায়, ওই এলাকার স্থানীয় প্রভাবশালী মাতাব্বর জালাল উদ্দিন প্রকাশ্যে জো¯œা আক্তার নামের এক গৃহবধুকে মারধর করে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধুর ছেলে নয়ন মিয়া বাদী হয়ে মাতাব্বর জালাল উদ্দিনকে প্রধান আসামী করে কালিয়াকৈর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার দায় থেকে মাতাব্বরের নাম প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করে এলাকাবাসী।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, মুরাদ হোসেন, সৈয়দ শাহ আলম, শাহানাজ বেগম, হারুন অর রশিদ, লাকী আহম্মেদ, আব্দুল হালিম প্রমুখ। মানববন্ধন চলাকালীন সময় ঢাকা-টাঙ্গাইল পুরাতন মহসড়কে প্রায় ২০মিনিট যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ মহাসড়ক থেকে এলাকাবাসীদের সড়িয়ে দিলে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।

গাজীপুরের পূবাইলে পারভিউমের বোতল বিস্ফোরণে ৫ জন দগ্ধ

সুশীল চন্দ্র পাল : গাজীপুর মহানগরের পূবাইলের বসুগাঁও গ্রামে পুরনো পারফিউমের বোতল বিস্ফোরিত হয়ে ৫ জন দগ্ধ হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল রোববার বিকেল অনুমান ৫টার দিকে ইমাম উদ্দিন এন্টার প্রাইজের একটি ভাঙ্গারী দোকানে। আর দগ্ধরা হচ্ছেন ওই দোকানেরই কর্মচারী, যথাক্রমে আব্দুল লতিফ (৩৫), মো. হাসমত (৩৩), মো. ইয়াকুব আলী (২৫), জাহিদুল ইসলাম (২০) ও মো. সোহেল (১৮)। এ ঘটনার পরেই স্থানীয় বাসিন্দারা দগ্ধদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে নিয়ে যান। আহতদের মধ্যে জাহিদুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

কালিয়াকৈরে বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা ভাংচুর লুটপাট


কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার আন্দারমানিক এলাকায় সোমবা

র বিকেলে এক বাড়িতে হামলা চালিয়ে ১১ ঘর ভাংচুর ও নগত টাকাসহ ২টি মোবাইল ও স্বর্ণালংকার লুট করেছে সন্ত্রাসীরা।
স্থানীয় লোকজন ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার সুত্র জানায়, ওই এলাকার মেঘু মিয়ার ছেলে আজিজ স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহায়তায় বিভিন্ন সময়ে বাড়ি উচ্ছেদের হুমকি দিয়ে আসছিল। ওই দিন বিকেলে আজিজের নির্দেশে ১৩০/১৪০ জন ভাড়াটে সন্ত্রাসী একই এলাকার আনসার আলীর ছেলে মইনদ্দিনের বাড়িতে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে ১১টি টিনসেডঘর ভাংচুর করে। লুট করে নেয় নগত ১০ হাজার টাকা,২টি মোবাইল ফোন ও প্রায় ৩ ভরি স্বর্নালংকার। এ ঘটনায় মইনুদ্দিনের ছেলে বাবুল বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘর ভাংচুর ও লুটপাটের বিষয়ে জানতে চাইলে আব্দুল আজিজ বলেন, পারিবারিক ভাবে মইনুদ্দিনের সাথে আমাদের জমি নিয়ে একটু ঝামেলা আছে। তবে ভাংচুরের সাথে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই।
কালিয়াকৈর থানার ওসি ওমর ফারুক জানান, এব্যপারে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাজীপুরে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ গ্রেপ্তার ২

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুর মহানগরীর তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মঙ্গলবার এক নারীসহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধর্ষক শরীফ (২৫) হাজীবাগ এলাকার এক আইনজীবীর গাড়ি চালক।
জয়দেবপুর থানার ওসি খন্দকার রেজাউল হাসান জানান, আট বছর বয়সী ওই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে সোমবার রাতে তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। নারীর সহযোগিতায় শুক্রবার জুমার নামাজের সময় তিনি ওই স্কুলছাত্রীকে এক বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে স্থানীয়রা কৌশলে শরীফকে আটক করে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে ও তার নারী সহযোগীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। ধর্ষণের শিকার মেয়েটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

টঙ্গীতে ছাত্রলীগ নেতাসহ ৮জনকে কুপিয়েছে দূর্বৃত্তরা

টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি : টঙ্গী থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ আটজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে দূর্বৃত্তরা। গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাদেরকে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন- টঙ্গী থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল ব্যাপারী (২৫), থানা ছাত্রলীগ নেতা মো. শাকিল (২৪), মো. রিমেল (২৩), মো. সবুজ (২০), মো. শাওন (২০), মো. রফিক (২২), দীপ্ত রায় (২০) ও মো. সুজন (২৫)। গতকাল সোমবার হোসেন মাকের্ট লেদু মোল্লা রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
টঙ্গী থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল ব্যাপারী জানায়, রাত ৮টার দিকে আমিসহ আরো ৪-৫ জন নেতাকর্মী নিয়ে টঙ্গীর দত্তপাড়া হোসেন মার্কেট এলাকার লেদু মোল্লার রোর্ডের সামনে দাড়িয়ে মোবাইলে কথা বলার সময় আসলে নাজমুল মোল্লা (২৪), অনিক মোল্লা (২৩), ইমন মোল্লার (২০) এর নেতৃত্বে ৮/১০জন সন্ত্রাসী বাহিনী আমাদের ওপর হামলা করে। এসময় তাদের কাছে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমার মাথায় ক’পিয়ে গুরুতর আহত করে। আমার আত্মচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে তাদের উপরও হামলা করে এবং দোকান পাট ভাংচুর ও লুটপাট করে পালিয়ে যায়।
এবিষয়ে টঙ্গী থানা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মশিউর রহমান সরকার বাবুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাসেল ব্যাপারীর সাথে এলাকায় পূর্ব শত্র“তার জের ধরে এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে। থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। থানা পুলিশ তদন্ত করে মামলা নিবেন।
এব্যাপারে টঙ্গী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মাদ আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এবিষয়ে থানায় অভিযোগ নেওয়া হয়েছে। অতিদ্রুত অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা হবে। 

গাজীপুরের রাজবাড়ি মাঠে ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৮ টায়

স্টাফ রিপোর্টার : পবিত্র ঈদ-উল-আযহা যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপনের লক্ষ্যে গাজীপুর জেলা প্রশাসন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ঈদের প্রধান জামাত রাজবাড়ী মাঠে সকাল ৮.০০ টায় অনুষ্ঠিত হবে। সকলকে স্ব স্ব জায়নামাজসহ ঈদের জামাতে অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো। আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে ঈদের জামাত গাজীপুর কালেক্টরেট জামে মসজিদে সকাল ৮.৩০ টায় অনুষ্ঠিত হবে। 
ঈদকে আকর্ষণীয় ও বর্ণাঢ্যভাবে উদযাপনের জন্য গাজীপুর জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন রাজবাড়ি মাঠসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কালেমা তৈয়ব, ঈদ মোবারক লেখা ব্যানার/ফেস্টুন দ্বারা সজ্জিত করা হবে। 
পবিত্র ঈদ-উল-আযহার দিন জেলা কারাগার, এতিমখানা, হাসপাতাল, সরকারী দুস্থ ও শিশু আশ্রয় কেন্দ্র, কিশোর-কিশোরী উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান ইত্যাদিতে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে।                                                               

গাজীপুরে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা সভা

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুরের মেম্বার বাড়ি বাসস্ট্যন্ডে সোমবার সন্ধ্যায় এক শোক র‌্যালি এবং বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা ময়মনসিংহ মহা সড়কে শোক র‌্যালি শেষে ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন আ’লীগের আহবায়ক হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে জেলা যুবলীগের পাঠাগার সম্পাদক ফিরোজ মিয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় আ’লীগ নেতা অ্যাডভোকেট জামিল হাসান  দুর্জয়। আলোচনায় অংশ নেন- গাজীপুর জজকোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট হারিস উদ্দিন আহমদ, শ্রীপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আ.জলিল, শ্রীপুর উপজেলা আ’লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট  শামসুল আলম প্রধান, কেন্দ্রীয় যুবলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য খন্দকার মো. খোরশেদ আলম, শ্রীপুর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কমর উদ্দিন, গাজীপুর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ লোকমান হোসেন , যুবলীগ নেতা বেলায়েত হোসেন, ভাওয়াল গড় ইউনিয়ন ২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি রাজু আহমেদ প্রমুখ। পরে মিলাদ দোয়া ও গণভোজ অনুষ্ঠিত হয়।

টঙ্গীতে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার : টঙ্গী মডেল থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে মরকুন মধ্যপাড়া এলাকা থেকে ইয়াবা বিক্রি করার সময় ২০০ পিচ ইয়াবাসহ ইয়াবা বিক্রির নগদ ২ লাখ ৬৫ লাখ টাকাসহ মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং আমতলী কেরানীর ঠেক এলাকা থেকে গাজা বিক্রির সময় ৩ কেজি গাজাসহ মাদক ব্যবসায়ী পারভীন আক্তারকে গ্রেফতার করেছে।
টঙ্গী মডেল থানা পুলিশ জানায়, গতকাল মঙ্গলবার ভোর রাত ৫ টায় টঙ্গী মডেল থানার এস.আই মোঃ খায়ের এবং এ.এস.আই আমিনূরসহ একদল পুলিশ মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন টঙ্গীর মরকুন মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ তাইজুলের ছেলে মোঃ রফিকুল ইসলাম নিজ বাড়িতে বসে মরন নেশা ইয়াবা বিক্রি করছে। এ খবরের ভিত্তিকে উপরোক্ত পুলিশ সদস্যরা উক্ত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২০০ পিচ ইয়াবা এবং ইয়াবা বিক্রির নগদ ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। এব্যাপারে গতকাল মঙ্গলবার ১ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ইং দুপুরে টঙ্গী মডেল থানার মামলা নং ০১ রজু হয়েছে। অপরদিকে গতকাল দুপুর দেড়টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকার রুবেল মিয়ার বাসায় টঙ্গী থানা পুলিশের এসআই সুমন ভক্ত ও এএসআই ফয়েজ অভিযান চালিয়ে তার স্ত্রী চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী পারভীনকে গ্রেফতার করে। পরে তার ঘরে তল¬াশি চালিয়ে ৩ কেজি গাজা উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এঘটনায় টঙ্গী থানায় মাদক আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
টঙ্গী মডেল থানার অফির্সাস ইনর্চাজ মোহাম্মদ আলী পিপিএম নগদ টাকাসহ পৃথক দুটি অভিযানে মাদক উদ্ধার ও মহিলাসহ ২ জনকে গ্রেফতারের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

টঙ্গীতে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষির্কী পালিত

স্টাফ রিপোর্টার, টঙ্গী : টঙ্গীতে গতকাল জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৩৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী স্থানীয় বিএনপি কার্যালয়ে জাকজমক ভাবে পালিত হয়েছে।
টঙ্গী থানা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহেন শাহ আলমের সভাপতিত্বে এবং টঙ্গী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম শুক্কুরের পরিচালনায় জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৩৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে টঙ্গী থানা বিএনপি কার্যালযে অনুষ্টিত আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রিয় জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব মোঃ হাসান উদ্দিন সরকার, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রিয় কার্যকরী সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ সালাহউদ্দিন সরকার। এসময় টঙ্গী মডেল থানা পুলিশের কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে জাতীয়তাবাদী বিএনপি, শ্রমিকদল, ছাত্রদল, যুবদল, কৃষকদলসহ অঙ্গ সংগঠনের প্রায় ৫ শতাধিক নেতৃবৃন্দ উক্ত অনুষ্টানে অংশ নেন এবং শান্তিপূর্ণ ভাবে অনুষ্টানের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।

কালিয়াকৈরে ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে যুবক নিহত

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি : ঢাকা-রাজশাহী রেললাইনে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মাকিষবাথান এলাকায় ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে ১যুবক নিহত ও  অপর ১যুবক আহত হয়েছে। 
প্রত্যক্ষ দর্শী ও পুলিশ জানিয়েছে,চাপাই নবাবগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা গামী লোকাল (৫৫১) ট্রেনের ছাদে থাকা ২যুবক কালিয়াকৈরের মাকিষবাথান এলাকায় পৌছালে রেললাইনের উপরে থাকা তারে ধাক্কা লেগে ওই ২যুবক ট্রেন থেকে নিচে পড়ে যায় এসময় ঘটনাস্থলেই সুহেল (২৮) মারা যায়। অপর যুবক জীবন সুত্রধর আহত হয় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের ভর্তি করে। নিহত সুহেল টাংগাইল  জেলার সদর থানার , মীরের বেদকা এলাকার মাফিজ উদ্দিনের ছেলেএবং আহত জীবন সুত্রধর টাংগাইল জেলার, বাশাইল থানার বিরালা গ্রামের সুরেন্দ্র সুত্রধরের ছেলে। জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক মোঃ দাদন মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

কালীগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ

কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের বাগমারপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মরিয়ম বেগমের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম আর দূর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্লীপ কমিটি ও শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎসহ একাধীক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত স্লীপ কমিটির নামে তিন বারে ৯০ হাজার টাকা উত্তোলন করেছে ওই প্রধান শিক্ষক মরিয়ম বেগম। কিন্তু ওই টাকার বিদ্যালয়ের কোন উন্নয়ন হয়নি। নিয়মানুযায়ী স্লীপ কমিটি গঠন করার কথা থাকলেও ওই বিদ্যালয়ের কোন স্লীপ কমিটি নেই। বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতির যোগসাজসে ওই টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা করেছে বলে একটি সূত্রের দাবি। আর ওই টাকা বিদ্যালয়ের নামে বরাদ্ধকৃত জমির নামজারী বাবদ ২৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে বলে প্রধান শিক্ষক মরিয়ম বেগম এ প্রতিবেদককে মৌখিক ভাবে জানান। কিন্তু খরচের পক্ষে কোন প্রমান তিনি দেখাতে পারেননি। তিনি মৌখিকভাবে আরো জানান, তার বিদ্যালয়ে মোট ৯৮ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে শিশু শ্রেণিতে ১০ জন, ১ম শ্রেণিতে ২০ জন, ২য় শ্রেণিতে ১৫ জন, ৩য় শ্রেণিতে ১৫ জন, ৪র্থ শ্রেণিতে ২০ জন এবং ৫ম শ্রেণিতে ১৮ জন। কিন্তু সরেজমিনে হাজিরা খাতানুযায়ী শিক্ষার্থীর সংখ্যা পাওয়া যায় মোট ৫১ জন। এর মধ্যে ১ম শ্রেণিতে ১০ জন, ২য় শ্রেণিতে ৮ জন, ৩য় শ্রেণিতে ৬ জন, ৪র্থ শ্রেণিতে ৯ জন এবং ৫ম শ্রেণিতে ১৮ জন। তবে ওই বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেণির কোন শিক্ষার্থী নেই বলে জানা গেছে। অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, ওই বিদ্যালয়ের ৪৪ জন শিক্ষার্থীর নামে উপবৃত্তির টাকা উত্তোলন করা হয়। কিন্তু যে শিক্ষার্থীদের নামে উপবৃত্তির টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে তাদের অনেকেই বর্তমানে ওই বিদ্যালয়ে নেই এবং তাদের কেউই উপবৃত্তির টাকা হাতে পায়নি বলে তাদের অভিভাবকরা এ প্রতিবেদককে জানান। অভিভাবকরা বলছেন, শিক্ষার্থীদের নামে উত্তোলনকৃত উপবৃত্তির টাকা প্রধান শিক্ষক মরিয়ম বেগম আত্মসাৎ করেছে।    
 ওই বিদ্যালয়ে উপবৃত্তির টাকা তালিকাভূক্ত শিক্ষার্থী সূবর্ণার খালা বেদেনা বেগম জানান, ৪ বছর পূর্বে আমার ভাগনি ওই স্কুল ছেড়ে অন্যত্র লেখাপড়া করছে। অথচ স্কুলের প্রধান শিক্ষক ৪ বছর যাবৎ সূবর্ণার নামে উপবৃত্তির টাকা উত্তোলন করছে। কিন্তু আমরা উপবৃত্তির কোন টাকা পাইনি। একই বিদ্যালয়ের উপবৃত্তির টাকা তালিকাভূক্ত আরেক শিক্ষার্থী নাবিদুলের নানী মিনারা বেগম জানান, ২ বছর পূর্বে আমার নাতি ওই স্কুল ছেড়ে অন্যত্র লেখাপড়া করছে। অথচ স্কুলের প্রধান শিক্ষক তার নামে ২ বছর যাবৎ উপবৃত্তির টাকা উত্তোলন করছে। ওই বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাকিবের মা ডলি বেগম জানান, বিগত ৫ বছর তার ছেলের নামে উপবৃত্তি উত্তোলনের পর আবার নতুন করে তার নামে উপবৃত্তির কার্ড তৈরি করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানান, বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র রাখার জন্য একটি আলমারি ছিল সেটিও ওই প্রধান শিক্ষক নিজের বাড়ীতে নিয়ে গেছে। বিদ্যালয়টির বেহাল দশায় কখনো উন্নয়নের কথা না ভাবলেও বিদ্যালয়ের টাকা আত্মসাৎ করে নানা অনিয়ম আর দুর্নীতির মাধ্যমে সব সময় নিজের উন্নয়নের কথা তিনি ঠিকই ভাবতেন। এসব বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের একমাত্র সহকারী শিক্ষক প্রতিবাদ করলে তাকে বিভিন্নভাবে হেনেস্তা করার চেষ্টা করতেন মরিয়ম বেগম।       
বাগমারপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতির মো. সিরাজুল ইসলাম মোড়ল জানান, প্রধান শিক্ষক মরিময় বেগমের যোগসাজসে কোন অনিয়মের সাথে তিনি জড়িত নয়। 
এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি। আর তার অনিয়ম-দূর্নীতির ব্যাপারে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার লুরা আহমেদকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন স্বাপেক্ষে প্রধান শিক্ষিক মরিয়ম বেগমের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।  

গাজীপুর জেলা পরিষদে গার্মেন্টস ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্টার : গত ১ অক্টেবর গাজীপুর জেলা পরিষদ হল রুমে গার্মেন্টস ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ  উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি জেলা পরিষদ নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী আহ্সান । এ সময় তিনি বলেন ইতি মধ্যে গাজীপুর জেলা পরিষদের অর্থায়নে  বিভিন্ন ট্রেডে শেলাই মৌচাষ,নেদার টেকনোলজি সহ প্রায় ৭০০০ জন শিক্ষিত বেকার  যুবক যুবমহিলাদের প্রশিক্ষণ দেওয় হয়েছে। অনেকে প্রশিক্ষন শেষ করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে  কর্মরত রয়েছেন। জেলা পরিষদ কর্তৃক দুইমাস ব্যাপী এ প্রশিক্ষনে  কম্পিউটারে  ৮০জন শিক্ষার্থী ও ১মাস ব্যাপী গার্মেন্টেসে  ৫০জন শিক্ষার্থীকে অংশ গ্রহণ করেছেন। এ প্রশিক্ষণে আপনারা যদি প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করেন তবে ভাল একজন প্রক্ষিণার্থী হিসাবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবেন। আপানাদের কর্মদক্ষতা দিয়ে সমাজকে উন্নয়ন করবেন এ আশারাখি আপনাদের নিকট। এসময় উপস্থিত ছিলেন কম্পিউটার প্রশিক্ষক মোঃ সোহেল রানা ও গার্মেূন্টস প্রশিক্ষক মোঃ শফিকুল ইসলাম সহ জেলা পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

কালীগঞ্জ স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন, ঘাতক আটক

কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুর কালীগঞ্জের জামালপুর ইউনিয়নের চুপাইর গ্রামে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। আর এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ওই ঘাতক স্বামীকে আটক করেছে থানা পুলিশ।
কালীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সোহরাওয়ার্দী হোসেন পরিবারের বরাদ দিয়ে জানান, নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন গ্রামের মৃত সুনীল চন্দ্র করের ছেলে শংকর চন্দ্র কর (৩৫) কালীগঞ্জের চুপাইর গ্রামের অনিল চন্দ্রে রায়ের মেয়ে প্রিয়াংকা চন্দ্র রায়কে (২২) গত ৮ মাস আগে বিয়ে করেন। স্বামী শংকর পেশায় একজন কৃষক। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের সংসারে টানাপোড়ন চলছিল। কথায় কথায় স্বামী শংকর স্ত্রীকে মারধর করতো। সোমবার সকালে স্ত্রীকে নিয়ে শশুর বাড়ী বেড়াতে আসে। পরে দিনের দিবাগত রাত আড়াইটা থেকে তিনটার দিকে স্বামী-স্ত্রী মধ্যে কোন বিষয় নিয়ে উচ্চ-বাচ্চ হয় এবং এক পর্যায়ে তা থেমেও যায়। মঙ্গলবার সকাল ৮টায় প্রিয়াংকাকে তার মা ডাকতে গেলে তিনি দেখেন সে রক্তাক্ত অবস্থায় নিঃস্তেজ নিথর হয়ে বিছানায় পড়ে আছে। ঘরের মেঝেতে ভাত ছড়ানো ছিটানো এবং বিছানায় শুয়ে আছে স্বামী শংকর। পরে প্রিয়াংকার মায়ের আত্মচিৎকারে পরিবারের লোকজন ছুটে এসে স্বামীকে আটক করে এবং থানায় খবর দেয়। আর আহত প্রিয়াংকাকে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার প্রিয়াংকাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের প্রাথমিক সুরাতহাল রিপোর্টানুযায়ী তার গলায় এবং শীরিরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে আটক শংকরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মুস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে প্রতিবেদককে জানান, পরিবারের লোকজনের সহযোগীতায় আমারা ঘাতক স্বামী শংকর চন্দ্র করকে আটক করতে পেরেছি।

সচিত্র পত্রিকার ১৬ বর্ষে পদার্পন ও নতুন আঙ্গিকে প্রকাশনা উৎসবের কয়েকটি মুহুর্ত


সচিত্র পত্রিকার ১৫বর্ষপূর্তি এবং নতুন কলেবরে প্রকাশনা উপলক্ষ্যে গতকাল গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে কেক কাটা হচ্ছে। কেক কাটছেন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এম এ ফরিদ (বামে) এবং সচিত্র পত্রিকা ও দৈনিক মুক্ত বলাকা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আলমগীর হোসেনকে কেক খাওয়াচ্ছেন সচিত্র পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এম এ ফরিদ (ডানে)। ছবি ২টিতে কবি আবু নাসির খান তপনসহ আবু বকর সিদ্দিক, এড. আতউর রহমান আকাশ এবং ব্যাংকার আক্তারুজ্জামানকে দেখা যাচ্ছে।